ঢাকা, শুক্রবার 15 March 2019, ১ চৈত্র ১৪২৫, ৭ রজব ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

আনোয়ারায় আগাম তরমুজের বাম্পার ফলন ॥ চাষিদের মুখে হাসি

চট্টগ্রাম আনোয়ারা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে আগাম তরমুজ চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে

আনেয়ারা (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা: চট্টগ্রাম আনোয়ারা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে আগাম তরমুজ চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে। ইতিমধ্যে ক্ষেত থেকে তরমুজ তুলে বিক্রি শুরু করেছেন চাষিরা। স্থানীয় বটতলী বাজার, চাতরী চৌমহুনী, মহালখাঁন বাজারের পাশাপাশি চট্টগ্রামেও যাচ্ছে এসব তরমুজ। ভালো দাম পাওয়ায় চাষিরাও খুশি। গতকাল  সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, পারকী, ফুলতলী, গহিরা বারআউলিয়া, বরুমচড়া, বিভিন্ন ইউনিয়নে এলাকায় বড় অংশ জুড়ে তরমুজ ক্ষেত। সেখানে ক্ষেত থেকে চাষি মোহাঃ ছবুর ও নূরুচ্ছফা তরমুজ তুলছেন। তোলা তরমুজ খেতের এক পাশে স্থূপ করে রাখা হয়েছে। মোহাঃ ছবুর বলেন, প্রায় তিন মাস আগে পাঁচ একর জমিতে আগাম তরমুজ চাষ করি। পরে ক্ষেতে পরিচর্যা করার পাশাপাশি নিয়ম মতো সার দেওয়ায় এবার তরমুজ চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে। ইতিমধ্যে ক্ষেত থেকে প্রায় দুই লাখ টাকার তরমুজ বিক্রি করেছি। আগাম তরমুজের দাম ভালো, লাভও বেশি। এ জন্য একজনের দেখাদেখি অন্যজন এগিয়ে আসছে চাষে। চাষিরা জানান, প্রতি হেক্টর (১ দশমিক ৫ একর) জমিতে তরমুজ চাষে খরচ পড়ে প্রায় দুই লাখ টাকা। আবহাওয়া অনকূলে থেকে ফলন ভালো হলে তরমুজ বিক্রি করে এক লাখ টাকার বেশি লাভ হয়। প্রতি সপ্তাহে এক কিংবা দুই বার তরমুজ তোলা হয়। অনেক পাইকারি ক্ষেত থেকেই তরমুজ কিনে নিয়ে যান। অনেকে সদরে নিয়ে বিক্রি করছেন। বাজারের ব্যবসায়ী নুরুল আলম ও আলা উদ্দিন জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর তরমুজের ফলন ভালো হয়েছে। চাষিদের কাছ থেকে পাইকারি দরে গড়ে ১২০ টাকা করে তরমুজ কিনে আনোয়ারা উপজেলা বিভিন্ন এলাকাসহ চট্টগ্রামে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করেন তাঁরা। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আনোয়ারা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসানূজ্জামান  বলেন, চলতি বছরে পারকী ফুলতলা, বার আউলিয়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রায় ১৭৫ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হচ্ছে। আগাম তরমুজ চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ