ঢাকা, বৃহস্পতিবার 21 March 2019, ৭ চৈত্র ১৪২৫, ১৩ রজব ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

মুসলমান নিধন কেন?

সাইদ উদ্দিন চাকলাদার : মুসলমান। এক সময় বিশ্ব নেতৃত্ব দিয়েছিল। সে সময় বিশ্বে একটি ধর্ম জগ্রত ছিল, সেটাই মুসলিম। এখন বিশ্বের সন্ত্রাসীর খাতায় বিশ্বের নেতৃবৃন্দের প্যাচে পরে হয়েছে সন্ত্রাসী ধর্ম। এই ধর্মকে বিশ্ব থেকে উচ্ছেদ করতে না পারলে বিশ্বে শান্তি ফিরবে বলে আশা নেই বিশ্ব নেতৃ বৃন্দের, তাদের আচার আচরনে মনে হয়। এখন মুসলমান পরিচয় দিলে অন্য ধর্মিয় জনগন একটু অন্যভাবে দেখেন। কেন? এখন অবহেলার পাত্র এই মুসলিম। যাক সে কথা। ----
নেতৃত্ব নেয়ার জন্য মানুষ কি না করে। বিশ্বের খমতা, কে না চায়। বিশ্বে দু দুবার বিশ্ব যুদ্ধ হয়েছিল। যা সবাইর জানা। তবুও একটু না লিখলেই নয়।
একটি ছোট্ট ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ব যুদ্ধ হয়। দ্বিতীয় বার হিটলারের বিরুদ্ধে বিশ্ব নেতারা যোগ দিয়ে পরাস্থ করে। সেখানে যারা হিটলারকে পরাস্থ করে তারা হল মিত্র বাহিনী। সে যুদ্ধের পর নেই হিটলার,নেই মুসলিনী, নেই চারচিল, নেই গোয়েভেল নেই সে সময়কার নেতৃত্ব দেয়ার নেতারা। কাগজ কলমে আছে তাদের নেতৃত্ব দেয়ার কৌশল। আছে শুধু তাদের ক্ষমতা কি ভাবে করেছিল, তার নক্সা। কিন্তু হিটলারের সঙ্গের কিছু কিছু নেতাদের মানুষ মারার ফাদ ভিন্ন ভাবে সুকৌশলে ব্যবহার করছে এখনকার নেতৃবৃন্দ, তা মুসলমানদের উপর। যাতে বিশ্ব জনগন বুঝতে পারে যে মুসলমানরাই এ সব সন্ত্রাসী কাজ করে যাচ্ছে। এখনকার বিশ্ব নেতারা কি চায় বিশ্বকে একজন নেতার নেতৃত্বে আনবেন?
নিউ জিল্যান্ডে যে সন্ত্রাসী হামলা হল মুসলমানদের উপর, তা কি মুসলমানরা করেছেন ? না অন্য কেউ। ঠিক এ রকমভাবে সম্ভবত ১৯৪৭ সালে কলিকাতায় মুসলমানরা মসজিদে নামাজের সময় সেজদা দিয়েছে, সে সময় সম্প্রদায়ের তলোয়ার নিয়ে মসজিদে ঢুকে সব মুসলমাদের কুপিয়ে হত্যা করেছিল। ঠিক সেভাবেই একই কায়দায় অস্ত্র দিয়ে মারলো মুসলমানদের। ঘটনাটা একই, তবে ঐ সময় তলোয়ার ব্যবহার করেছিল, মর্ডান যুগ তাই ব্যবহার হয়েছে স্বয়ংক্রিয় বন্দুক। কেন এই হামলা। যারা এই হামলা করলো তারা কাদের সঙ্গে যুক্ত? যাদেরকে মারা হলো তারা কি সন্ত্রাসী? না যে মারলো সে সন্ত্রাসী। ? যারা মারা গেল তাদের কি হবে। তাদের পরিবারকে সান্তনা হিসাবে এক গোছা ফুল ও কিছু টাকা দিয়েই শেষ। এ ঘটনার পর ইংরেজীতে একটি কথা বলবে - ঝড়ৎৎু। এখানেই শেষ। কি সুন্দর আমাদের বিশ্ব নেতৃ বৃন্দের বিবেক ? এরপর মারা হবে আর বলবো ঝড়ৎৎু। তবেই তো সব শেষ। কোন বিচারের প্রয়োজন নেই। তবে মুসলমানদের যত দিন উচ্ছেদ না করা যাবে তত দিন জাতী সঙ্ঘের মাথার ব্যাথা যাবে না। এটাই কি তাদের নিতি ? না বিশ্বে শান্তি ফিরিয়ে আনা তাদের কর্তব্যের মধ্যে পরে। বিশ্ব যুদ্ধ শেষ হবার পর মনে হয়েছিল কালো পায়রা আবার সাদা পায়রা হবে, কিন্তু কালো পায়রা আরো কালো হতে চলেছে। ---সেই কাজী নজরুলের একটি কবিতা দিয়ে শেষ করছি,
‘বাজিছে দামামা
বাধরে হামামা
শীর উচ করি মুসলমান,
দাওয়াত এসেছে...
ভাঙ্গা কেল্লায় উর নিশান॥’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ