ঢাকা, রোববার 21 April 2019, ৮ বৈশাখ ১৪২৬, ১৪ শাবান ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

তুরস্কের ঐতিহাসিক আনাতোলিয়া শহর, পর্যটকদের তীর্থস্থান

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: তুরস্কের ঐতিহাসিক শহর আনাতোলিয়া।যাকে বলা যায় পর্যটকদের তীর্থস্থান।কারণ ১৪০টি দেশের পর্যটকদের প্রিয় শহর এটি। যাদের মধ্যে পলিশ, ইরানি, ইসরাইলি, ডাচ, নরওয়েজিয়ান, সুইডিস, ফ্রেন্স ও ইউক্রেনের নাগরিকরা রয়েছেন।

শহরটিতে চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে ২৫ শতাংশ পর্যটক বেড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পর্যটক ছিলেন জার্মানির। তারপরেই রাশিয়ার নাগরিকদের অবস্থান।-খবর হুররিয়াত ডেইলি নিউজের

শহরের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের উপত্তানুসারে, জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে ভূমধ্যসাগরীয় এই সৈকতে এক লাখ ৫১ হাজার ৩৯১ জার্মান পর্যটক আসেন। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় যা আট শতাংশ বেড়েছে।

পর্যটকদের মধ্যে সবমিলিয়ে ২৬.৫ শতাংশ হচ্ছে জার্মানির নাগরিক। আর রুশ নাগরিকদের আগমন ৭৪ শতাংশ বেড়েছে। এ সময়ে এক লাখ ৩৬ হাজার ৬৮৯ রুশ পর্যটক আনাতোলিয়া ভ্রমণে আসেন।

পর্যটকদের মধ্যে ২৩. ৯৩ শতাংশ হচ্ছেন রাশিয়ান। গত মাসে তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কোনো পাসপোর্ট ছাড়াই যাতে রাশিয়ানরা তুরস্কে আসতে পারেন, সে বিষয়ে আলাপ চলছে। গত ২৯ মার্চ আনাতোলিয়ায় রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গে বৈঠক করেন তুরস্কের মেভলুত কাভুসগলু।

গত ফেব্রুয়ারিতে তুর্কিশ পাসপোর্টধারী ও ট্রাক চালকদের রাশিয়া ভ্রমণে ভিসার বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট একটি ডিক্রিতে সই করেন। তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তুরস্কের নাগরিকদের ওপর থেকে ভিসা নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে রাশিয়া বলে আঙ্কারা আশা করে।

তবে সৈকতে ভ্রমণের দিক থেকে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন ব্রিটিশ পর্যটকরা। দেশটি থেকে ৬.৪৪ শতাংশ নাগরিক আনাতোলিয়া ভ্রমণে এসেছিলেন। গত তিন মাসের তাদের সংখ্যা ছিল ৩৬ হাজার ৭৯১জন। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৫৮ শতাংশ বেশি।

ডিএস/এএইচ

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ