ঢাকা, রোববার 7 April 2019, ২৪ চৈত্র ১৪২৫, ৩০ রজব ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

মার্চ মাসে রাজনৈতিক সন্ত্রাস

মুহাম্মদ ওয়াছিয়ার রহমান : মার্চ মাসে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইষ্টচার্চে আল-নূর জামে মসজিদ ও লিনউড মসজিদে শেতাঙ্গ সন্ত্রাসী অষ্ট্রেলিয়ার নাগরিক ব্রেন্টন ট্যারান্টের হামলায় পঞ্চাশ মুসলমান শাহাদাৎ, বিয়াল্লিশ জন আহত, বাস চাপায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র আবরার আহমেদ চৌধূরী নিহতের পর ঢাকার সড়ক উত্তাল, বনানীর এফ.আর টাওয়ারে অগ্নিকান্ডে পঁচিশজন নিহত এবং প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ ধাপে উপজেলা নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক মাঠ সরব থাকে। মার্চ মাসে ১৩০টি রাজনৈতিক ঘটনার তথ্যে নিহতের সংখ্যা ১৯। এই ১৯ জনের ৭ জনই খুন হয় আওয়ামী লীগের হাতে, মহিলা আওয়ামী লীগের হাতে ১, বিএনপির হাতে ১ এবং জেএসএস-এর হাতে ১০ জন। এ মাসে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতায় প্রাপ্ত তথ্যে আহত হয় ৫৯৮ জন এবং গ্রেফতার অনেক বেশী হলেও ৩১৩ জনের তথ্য পাওয়া গেছে বাকীদের পরিচয় প্রকাশিত হয়নি। গ্রেফতারকৃতরা অধিকাংশই বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী এবং দন্ডপ্রাপ্ত ১৭৫ জন, এই ১৭৫ জনের আওয়ামী লীগের ৫, ছাত্রলীগের ১ এবং বিএনপির ১৬৯ জন।
প্রাপ্ত তথ্যে মার্চ মাসে যারা খুন হয়- (১) নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতার ভাইয়ের হাতে ওপর ভাই তপন কুমার সরকার খুন হয়, (২) জয়পুরহাটের কালাই উপজেলা নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে রতন মোহন্ত ও (৩) আফতাব সরকার নামে দু’কর্মী নিহত হয়, (৪) নরসিংদীর রায়পুরায় আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ইকবাল মিয়া ও (৫) আমান মিয়া খুন হয়, (৬) পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় উপজেলা নির্বাচনত্তোর আওয়ামী লীগের সহিংসতায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জনি তালুকদার নিহত হয় এবং (৭) নড়াইল সদরে আওয়ামী লীগ দু’গ্রুপের নির্বাচনত্তোর সহিংসতায় গোলাম সিকদার নামে একজন খুন হয়, (৮) খুলনা মহানগরীতে মিজানুর রহমান বালা হত্যা মামলায় মহিলা আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় শিল্প ও বানিজ্য সম্পাদক সাবিহা খাতুনকে আটক করে পুলিশ, (৯) নারায়নগঞ্জের রূপগঞ্জে বিএনপির হাতে ছাত্রলীগ নেতা সোহেল মিয়া খুন, (১০) রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে জেএসএস-এর হাতে ইউপিডিএফ নেতা চিক্কোধন চাকমা নিহত হয়, (১১) খাগড়াছড়ির পানছড়িতে জেএসএস-এর হাতে ইউপিডিএফ নেতা সুখময় চাকমা তারাবন নিহত হয়, (১২) রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে উপজেলা নির্বাচনের পর জেএসএস-এর হাতে আমির হোসেন, (১৩) আবু তৈয়ব, (১৪) মন্টু চাকমা, (১৫) মিহির কান্তি দত্ত, (১৬) আল-আমিন, (১৭) বিলকিস আক্তার ও (১৮) জাহানারা বেগম খুন হয় এবং (১৯) রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে জেএসএস-এর হাতে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সুরেশ কান্তি তংচঙ্গা খুন হয়।
আওয়ামী লীগ : ১ মার্চ  পাবনার সাঁথিয়ায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে গৌড়ীগ্রাম বাজারে আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দলে সতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু তালেব প্রামাণিকের গাড়ি ভাংচুর করে আওয়ামী লীগের লোকজন। যশোরের ঝিকরগাছায় উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী মোহাম্মদ আলী রায়হানের প্রার্থীতা পরিবর্তন করে মনিরুল ইসলামকে প্রার্থী করার দাবীতে মিছিল করে আওয়ামী লীগ। বগুড়ার ধুনট বাজারে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সতন্ত্র প্রর্থী আক্তার আলম সেলিমের লোকদের উপর আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী আব্দুল হাই খোকনের লোকজন হামলা ও বাড়ী-ঘর ভাংচুর করছে বলে বগুড়া প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়। ৩ মার্চ নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ডাঙ্গারহাট গ্রামে আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দলে উপজেলা আওয়ামী লীগ সিনিয়র সহ-সভাপতি তপন কুমার সরকার তার ছোট ভাই গাড়াগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি বিপ্লব কুমার সরকারের হাতে খুন হয়। সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষে ২০ জন আহত হয়। পরে ঘটনার জন্য বিএনপির আইউব আলী মন্ডল, মনিরুজ্জামান, ইয়াকুব আলী, জাহাঙ্গীর আলম, আলমগীর হোসেন, রাশিদুল, মোমিন, রিপন, আব্দুুর রাজ্জাক, রিপন সরকার, শামীম সরকার, নাছির উদ্দিন, হায়দার আলী ও রোকুনাজ্জামানকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়। দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর খয়েরবাড়ী বাজারে উপজেলা নির্বাচনে পোষ্টার লাগানোকে কেন্দ্র আওয়ামী লীগ দু’গ্রুপের দ্বন্দ্বে পৌর যুবলীগ সহ-সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন পলাশ আহত হয়। পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত মর্মে মমিনুল ইসলামকে আটক করে। মাগুরার মোহাম্মদপুরে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ১০ জন আহত। আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মান্নান গ্রুপ ও জাফর সাদিক গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়।
৪ মার্চ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দলে ৫ নেতা-কর্মীকে পিটিয়ে আহত করে বিদ্রোহীরা। আওয়ামী লীগ নেতা মোশাররফ হোসেন গ্রুপ ও বিদ্রোহী প্রার্থী মাহফুজুর রহমান কালাম গ্রুপের মধ্যে এই ঘটনা ঘটে। টাঙ্গাইলের বাসাইল বাসস্ট্যান্ডে উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ২০ জন আহত হয়। আওয়ামী লীগ উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান গাউস গ্রুপ ও সভাপতি কাজী অলিদ ইসলাম গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। ঝিনাইদাহের শৈলকুপায় হরিদেবপুর গ্রামে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে উপজেলা যুবলীগ সহ-সভাপতি রবিউল ইসলাম, সোহরাব হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, আইউব আলী মালিথা, আতিয়ার হোসেন, মর্জিনা বেগম, আফরোজা, মোক্তার, মুকাব্বার, গোলাম কুদ্দুস মালিথা, গোলাম কিবরিয়া মালিথা, সামাদ হোসেন ও লিটনসহ ২৮ জন আহত হয়। আওয়ামী লীগ নেতা বাবলু গ্রুপ ও আতিয়ার গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। অপর দিকে মাধবপুর গ্রামের মুক্তার মৃধা ও মজনু গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে ফজলু মৃধাসহ ৫ জন আহত হয়।
৫ মার্চ লালমনিরহাটের পাটগ্রামে বুড়িমারী ইউনিয়নে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে মোতাহার, তামিম ও সুমন আহত হয়। আওয়ামী লীগ নেতা ও বিদোহী প্রার্থী ওয়াজেদুল ইসলাম গ্রুপ এবং দলীয় প্রার্থীর সমর্থকদের মাঝে এই সংঘর্ষ হয়। এ সময় ১০টি মটর সাইকেল পুড়িয়ে দেয়া হয়। মাগুরার মোহাম্মদপুরে পলাশবাড়ী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রবিউল ইসলামের বাড়ীর আড্ডা থেকে দেশীয় অস্ত্র ও মাদক সেবনের সারঞ্জামসহ নান্নু মোল্লা, আকিদুল ইসলাম, রাশেদুল ইসলাম ও ইখতিয়ার উদ্দিন ভাদুকে আটক করে পুলিশ। ৬ মার্চ গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে জলমহল টেন্ডার নিয়ে আওয়ামী লীগ দু’গ্রুপের সংঘর্ষে হযরত আলী, সজল, আব্দুর রশিদ, আইউব আলী, মোয়াজ্জেম হোসেন, সুইট, আবু রাফি ও বাঁধন আহত হয়। নোয়াখালীর কবিরহাটে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী খাদেমা আক্তার ও তার প্রস্তাবক মোসলেহ উদ্দিনের ওপর হামলা করে দলীয় লোকজন। রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের ভাড়া করা প্রচার গাড়ী থেকে অস্ত্র উদ্ধার। পরে গাড়ী চালক সঞ্জয় মন্ডলকে ৭ দিনের কারাদন্ড দেয় ভ্রাম্যমান আদালত। নেত্রকোনার কমলাকান্দায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে কৈলাটি বাজারে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে সোহরাব ও বাচ্চুসহ ৭ জন আহত হয়। আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল খালেক তালুকদার গ্রুপ ও ফজলুল হক গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়।
৮ মার্চ নাটোরের বড়াইগ্রামের জোনাইল পাগলা ও লক্ষ্মীকোল বাজারে উপজেলা নির্বাচন নিয়ে দু’দিন ধরে আওয়ামী লীগ দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আব্দুল করিম মাষ্টার, আসাদুজ্জামান, আনিসুর রহমান, ডাঃ আব্দুর রাজ্জাক, রেজা, গুলজার হোসেন, হৃদয়, টুটুল, সেলিম, আব্দুল বারেক, জিল্লুর রহমান জিন্নাহ, মাসুদ, শাকিল, বেলাল, মাসুদ রানা, বুলবুল আহমেদ ও জাহাঙ্গীর আলম আহত হয়। আওয়ামী লীগ নেতা ডাঃ সিদ্দিকুর রহমান গ্রুপ ও মোয়াজ্জেম হোসেন গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষের সময় ১১টি মটর সাইকেল ভাংচুর করা হয়। ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় উপজেলা নির্বাচন নিয়ে তালতলা এলাকায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী এমাদুল হক মনিরের লোকজন বিদ্রোহী প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি কিবরিয়া সরদারের নির্বাচনী অফিস ভাংচুর করে। ৯ মার্চ সিলেটের দোয়ারাবাজারের টেংরাবাজারে উপজেলা নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগ দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আব্দুল মতিন, তাজুল ইসলাম, তৌহিদুল ইসলাম, আরিফ আহমেদ, রতন মিয়া, মিজানুর রহমান, মামুনুর রশীদ, মুসলিম উদ্দিন, আব্দুল মতিন ও আবুল কালামসহ আহত ১৫ জন। আওয়ামী লীগ নেতা দেওয়ান তানভীর আশরাফ চৌধূরী বাবু গ্রুপ ও ডাঃ আব্দুর রহীম গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। নাটোরের গুরুদাসপুরে উপজেলা নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দলে চাঁচকৈড় খলিফাপাড়া অফিস ভাংচুর করে বিদ্রোহী প্রার্থী আনোয়ার হোসেনের লোকজন।
১০ মার্চ সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পুরানাঘাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের প্রার্থী করুণা সিন্ধু চৌধূরী বাবুল ও বিদ্রোহী প্রার্থী আনিসুল হকের সমর্থদের মাঝে সংঘর্ষে আহত ৭ জন। দীঘলবাগ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৩০ জন। এ ছাড়া শাল্লার কাশিপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আল-আমিন চৌধূরী ও বিদ্রোহী প্রার্থী অবনী মোহন দাসের সমর্থকদের মাঝে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং ব্যালট বাক্স ছিনতাই করা হয়। অন্যদিকে অবনী মোহন দাসকে ইয়ারাবাদ কেন্দ্রে অবরুদ্ধ করে রাখে আওয়ামী লীগের লোকজন। চব্বিশা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ও শ্রীহাইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সংঘর্ষ হয়। সিরাজগঞ্জ সদরের মাহমুদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আগের রাতে ভোট বাক্স ভরে রাখার দায়ে নির্বাচন বাতিল করা হয়। এমন অভিযোগে প্রিজাইডিং অফিসার আনোয়ার হোসেন, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার আব্দুল আলিম ও বেলাল হোসেনকে আটক করে পুলিশ। ভোটের হিসাবে গরমিল থাকায় শাহজাদপুরের শ্রীফলতলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ও মহিউল ইসলাম মাদ্রাসা কেন্দ্রের নির্বাচন স্থগিত করা হয়। নাটোরের গুরুদাসপুরে চাঁচকৈড় নাজিমউদ্দিন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়ার অভিযোগে আব্দুর রহিম নামে একজনকে আটক করে পুলিশ। লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে জাল ভোট দেয়ায় ভুষভান্ডার ইউপি সদস্য আবু হানিফ সাগরকে আটক করে পুলিশ। পাটগ্রাম পৌর সভার ইসলামী আদর্শ বিদ্যানিকেতন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে পোলিং এজেন্ট বুলবুল আহমেদ আহত হয়। রাজশাহীর তানোরে বাঁধাড়ই ও বোদ্ধপুরে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ৪ জন আহত হয়। গোদাগাড়ীর আল-জামিয়াতুস সালাফিয়া আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়ার অভিযোগে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও ২ পোলিং এজন্টকে আটক করে পুলিশ। নাটোরের সিংড়ার শেরকোল ইউনিয়নের তেলীগ্রাম, চকপুর ও পুঁটিমারী কেন্দ্রসহ বিভিন্ন স্থান থেকে নৌকার এজেন্টদের বের করে দেয় দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থীর লোজকন। ফরিদপুরের সালথায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধূরীর ছেলে শাহদাব আকবর চৌধূরীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভায়। পরে তাকে সতর্ক করে দেয় সভা।
১১ মার্চ ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক অমিতাভ বোসকে সিংপাড়া থেকে চাঁদাবাজীর মামলায় আটক করে পুলিশ। ১৩ মার্চ গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের খান্দারপাড়ায় সতন্ত্র উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী কবির মিয়ার প্রচারণায় আওয়ামী লীগ বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। নওগাঁর রাণীনগরে উপজেলা নির্বাচনে সতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার হোসেন হেলালের সাথে সেলফি তোলায় ফিরোজ হোসেন নামে একজনকে মারপিট করে আওয়ামী লীগের লোকজন। রংপুর সদরে মুকুটপুরের মমিনপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সদস্য ও উপজেলা নির্বাচন কমিটির সদস্য কামরুজ্জামান কামুকে জেএমবি সংশ্লিষ্টতায় আটক করে বলে জানা যায়।
১৪ মার্চ নোয়াখালীর চাটখিলে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে উপজেলা সড়কে সতন্ত্র প্রার্থী ফজলুল করিম বাচ্চুর মাইক প্রচারণায় বাধা দেয় আওয়ামী লীগ।  [চলবে]

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ