ঢাকা, মঙ্গলবার 9 April 2019, ২৬ চৈত্র ১৪২৫, ২ শাবান ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রীর পদত্যাগ

৮ এপ্রিল, রয়টার্স : সিকিউরিটি মন্ত্রী ক্রিয়েশ্চেন নিয়েলসেন পদত্যাগ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের মেক্সিকো সীমান্তে অভিবাসন প্রত্যাশীদের সংখ্যা বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে রোববার তিনি পদত্যাগ করেন বলে খবর বার্তা সংস্থার।  

গত ১৬ মাস ধরে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। এ সময় তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কিছু বিতর্কিত সীমান্ত নীতি বাস্তবায়নে কাজ করেছেন। মার্কিন প্রশাসনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ট্রাম নিয়েলসেনকে পদত্যাগ করতে বলেন এবং তিনি তাই করেন।

সম্প্রতি মেক্সিকো সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়ে উত্তরোত্তর ক্ষোভ প্রকাশ আসা ট্রাম্প টুইটারে বলেছেন, “হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিয়েশ্চেন নিয়েলসেন পদত্যাগ করবেন এবং আমি তাকে তার কাজের জন্য ধন্যবাদ জানাই।”

আরেকটি টুইটে ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস ও বর্ডার প্রটেকশন কমিশনার কেভিন ম্যাকলিনান ভারপ্রাপ্ত হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপালন করবেন। সিবিএস নিউজ প্রথম নিয়েলসেনের পদত্যাগের খবর নিয়ে সংবাদ পরিবেশন করে। নিয়েলসেন (৪৬) ডিসেম্বর, ২০১৭-তে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছিলেন। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্টের দায়িত্ব সামলানোকে ‘আজীবন সম্মানের’ বিষয় বলে অভিহিত করেছেন তিনি।

 মেক্সিকো সীমান্তে প্রস্তাবিত দেওয়াল নির্মাণ ও অভিবাসন প্রত্যাশী পরিবারগুলোকে পৃথক করার বিষয়গুলো বাস্তবায়নের দায়দায়িত্ব তার ছিল।

এই ডিপার্টমেন্টের মন্ত্রী হিসেবে মেক্সিকো সীমান্তে প্রস্তাবিত দেওয়াল নির্মাণ ও অভিবাসন প্রত্যাশী পরিবারগুলোকে পৃথক করার বিষয়গুলো বাস্তবায়নের দায়দায়িত্ব তার ছিল। সম্প্রতি মার্কিন সীমান্ত কর্মকর্তারা মার্চে দক্ষিণের সীমান্তে এক লাখ অভিবাসন প্রত্যাশী আটক হয়েছেন বলে জানিয়েছেন, যা এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ। অভিবাসন প্রত্যাশীদের এ সংখ্যা বৃদ্ধিতে ট্রাম্প খুব হতাশ হয়ে পড়েছিলেন এবং গুয়াতেমালা, হন্ডুরাস ও এল সালভাদরের আর্থিক সহায়তা কর্তনের ঘোষণা দেন। তিনি মেক্সিকো সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়ারও হুমকি দিয়েছিলেন, পরে এ হুমকি থেকে সরে এসে মেক্সিকোর আমদানি পণ্যে শুল্ক আরোপের হুমকি দেন।        

মার্কিন প্রশাসনের আরেকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গত বছরের শেষ দিকে ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন নিয়েলসনের ওপর ক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন, এরপর নিয়েলসনকে বাদ দেওয়ার জন্য ট্রাম্পের কাছে সুপারিশও করেন তিনি।

নিয়েলসেনের পদত্যাগ ট্রাম্প প্রশাসন থেকে শীর্ষ পদাধিকারীদের বের হয়ে যাওয়ার সর্বশেষ ঘটনা। এর আগে চিফ অব স্টাফ ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর থেকে এ পদগুলোতে স্থায়ী কাউকে নিয়োগ দিতে পারেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ