ঢাকা, মঙ্গলবার 9 April 2019, ২৬ চৈত্র ১৪২৫, ২ শাবান ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

ত্রিপোলির কাছে লড়াইয়ে নিহত ২১

৮ এপ্রিল, বিবিসি : কাছে লড়াইয়ে ২১ জন নিহত ও ২৭ জন আহত হয়েছেন বলে লিবিয়ার জাতিসংঘ সমর্থিত সরকার জানিয়েছে।

ত্রিপোলির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার লক্ষ্যে জেনারেল খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী বাহিনী পূর্ব দিক থেকে রাজধানীর দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী ফায়েজ আল সেরাজি অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার অভিযোগে হাফতারকে অভিযুক্ত করেছেন এবং বিদ্রোহীদের শক্তি প্রয়োগ করে প্রতিরোধ করা হবে বলে শাসিয়েছেন। 

যারা নিহত হয়েছেন তাদের মধ্যে রেড ক্রিসেন্টের এক চিকিৎসক রয়েছেন এবং তিনি শনিবার নিহত হয়েছেন।

 জেনারেল হাফতারের বাহিনী জানিয়েছে, তাদের ১৪ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।

হাফতারের লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (এলএনএ) বাহিনী বৃহস্পতিবার থেকে ত্রিপোলির দক্ষিণ ও পশ্চিম দিক থেকে বহুমুখি হামলা শুরু করেছে।

 রোববার এলএনএ জানিয়েছে, তারা প্রথমবারের মতো বিমান হামলা চালিয়েছে।

এর আগেরদিন শনিবার তাদের ওপর বিমান হামলা চালিয়েছিল জাতিসংঘ সমর্থিত ত্রিপোলিভিত্তিক ন্যাশনাল অ্যাকর্ড গভর্নমেন্টের (জিএনএ) অনুগত বাহিনীগুলো।  

জাতিসংঘ জানিয়েছে, তারা মানবিক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছিল কিন্তু সেটি উপেক্ষিত হয়েছে। জরুরি সেবা বিভাগগুলো জানিয়েছে, যেসব জায়গায় লড়াই হচ্ছে তারা সেখানে প্রবেশ করতে পারছেন না। 

রাজধানী দক্ষিণে পরিত্যাক্ত বিমানবন্দরের চারপাশে দুপক্ষের মধ্যে লড়াই চলছে। এর আগে এই বিমানবন্দরটি দখলে নেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন জেনারেল হাফতার।

জিএনএর এক মুখপাত্র রোববার আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, তাদের অনুগত বাহিনীগুলো এলএনএর অগ্রগতি স্তিমিত করেছে এবং এখন জিএনএ পুরো দেশে ‘শুদ্ধি’ অভিযান চালানোর লক্ষ্য নিয়েছে।

ত্রিপোলির বাসিন্দারা খাবার ও জ্বালানি মজুদ করতে শুরু করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ত্রিপোলি থেকে বিবিসির প্রতিনিধি জানিয়েছেন, যারা লড়াই এলাকার কাছাকাছি আছেন তারা তাদের বাড়িতেই অবস্থান করছেন, বের হলে বাড়ি লুট হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

১৯৬৯ সালে কর্নেল গাদ্দাফিকে ক্ষমতা দখলে সহায়তা করেছিলেন হাফতার। পরে গাদ্দাফির সঙ্গে বিরোধ শুরু হলে তিনি দেশ ছেড়ে নির্বাসনে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। ২০১১ সালে গাদ্দাফির বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান শুরু হলে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং বিদ্রোহী একটি গোষ্ঠীর কমান্ডার বনে যান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ