ঢাকা, বৃহস্পতিবার 11 April 2019, ২৮ চৈত্র ১৪২৫, ৪ শাবান ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

মাইগ্রেন ও খাবার

মাইগ্রেন বা আধকপালি মাথাব্যথার অন্যতম কারণ। অনেককেই ভোগায় এই মাইগ্রেন। এতে মাথার এক পাশ বা দুই পাশজুড়ে প্রচণ্ড ব্যথা হয় মাঝেমধ্যে, সঙ্গে বমি ভাব, বমি, চোখব্যথা, চোখের সামনে আঁকাবুকি দেখা ইত্যাদি উপসর্গ থাকে। মাইগ্রেনের সঙ্গে জীবনাচরণ ও খাদ্যাভ্যাসের গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আছে। কিছু খাবার মাইগ্রেনের আক্রমণ কমাতে সাহায্য করে, আবার কিছু খাবার আছে, যা খেলে অ্যাটাক হয়। তাই জেনে নিন মাইগ্রেনের রোগীর খাবার সম্পর্কে।
যা বেশি করে খাবেন : বাঁধাকপি-বাঁধাকপির ম্যাগনেশিয়াম, ওমেগা ৩ ও ফাইবার মাইগ্রেনের ব্যথা কমায়। বাঁধাকপির স্যুপ, স্মুথি বা সালাদ রোজকার খাবারে রাখুন।
গাজর ও মিষ্টি আলু : এ দুটিতে বিটা ক্যারোটিন অনেক। তা ছাড়া ভিটামিন সি, বি২, বি৬, নিয়াসিন, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, কপার, ম্যাঙ্গানিজ ও ফসফরাস আছে, যা ব্যথা ও প্রদাহ দূর করে।
মাশরুম : ম্যাগনেশিয়াম ও রিবোফ্লোবিন থাকায় মাশরুম মাইগ্রেনের স্থিতি ও পুনরাবৃত্তি রোধ করে।
চেরি : এই ফলে প্রচুর পলিফেনলস নামের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় এটি স্ট্রেস দূর করে, মাথাব্যথা কমায়। চেরি ফলের জুসও ভালো।
অরগান মিট : অরগান মিট হলো প্রাণীর ভেতরকার সেসব অঙ্গ যেমন যকৃৎ, হার্ট, কিডনি ইত্যাদি। এতে ভিটামিন বি১২ ও এ থাকার কারণে মাইগ্রেনের ব্যথা কমায়। যাঁদের দূরে যাত্রার কারণে মাথাব্যথা হয়, তাঁরা ভ্রমণের সময় এই অরগান মিট রাখতে পারেন বা যাত্রার আগে খেতে পারেন।
চিংড়ি : চিংড়ির অ্যাসটাজ্যানথিন মাইগ্রেনের অ্যাটাক কমায়।
আদা : মাইগ্রেনের ব্যথা ওঠার পর আদা দেওয়া চা বা কয়েক চামচ আদার গুঁড়া পানিতে গুলে খেলে ব্যথা কমে যাবে।
শজনেপাতার রস : শজনেপাতায় অনেক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় শজনেপাতার রস দিয়ে তৈরি চা খেলে মাথাব্যথা অনেকটাই কমে যাবে।
যা খাবেন না : চকলেট, অ্যালকোহল (ওয়াইন), ডিম, দুধ বা দুগ্ধজাত দ্রব্য, পেঁয়াজ, টমেটো, সাদা রুটি মাইগ্রেনের অ্যাটাকের সময় খাওয়া উচিত নয়। আর মনে রাখবেন মাইগ্রেনের ব্যথার সময় প্রচুর পানি পান করবেন।
-উম্মে সালমা তামান্না
পুষ্টিবিদ, বিআইএইচএস জেনারেল হাসপাতাল, বাসাবো

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ