ঢাকা, শুক্রবার 19 April 2019, ৬ বৈশাখ ১৪২৬, ১২ শাবান ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

রাণীনগরে ধানের শীষ মরা রোগ কিটনাশক ছিটিয়েও কাজ হচ্ছে না

রাণীনগর (নওগাঁ) সংবাদদাতা : নওগাঁর রাণীগরে হঠাৎ করেই দেখা দিয়েছে ধানের শীষ মরা রোগ। বিভিন্ন কোম্পানির কিটনাশক ঔষুধ ছিটিয়েও কাজ হচ্ছে না। ফলে ধানের ফলন নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা।

জানাগেছে, চলতি ইরি/বোরো মৌসুমে রাণীনগর উপজেলায় প্রায় ১৯ হাজার হেক্টর জমিতে ধান রোপণ করা হয়েছে। গত আমন মৌসুমে অণুখাদ্যের অভাবে শত শত হেক্টর জমির ধান লাল বর্ণ হয়ে মরে যায়। এতে কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েন। ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে চলতি বোরো মৌসুমে কৃষকরা কোমড় বেধে মাঠে নামেন ধান রোপন করতে। শুরু থেকে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় রোগ বালায় মুক্ত ছিল ধানের গাছ। কিন্তু হঠাৎ করেই গত এক সপ্তাহ আগ থেকে বৈরি আবহাওয়ার কারনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কোথাও ব্লাষ্ট আবার কোথাও মাজরা পোকার আক্রমন আবার কোথাও ঝরের কারনে ধানের শীষ মরে যাচ্ছে। আগামী সপ্তাহে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু হতে পারে এমনটায় বলছেন কৃষকরা। কিন্তু ধান লালবর্ণ হবার আগেই হঠাৎ করেই শেষ সময়ে ধানের শীষ মরা রোগ দেখা দেয়ায় চরম বিপাকে পরেছেন কৃষকরা। উপজেলার ভাটকৈ গ্রামের কৃষক সুদর্শন চন্দ্র, কালীগ্রামের আব্দুল লতিফ দপ্তরি,নারায়ন পাড়া গ্রামের রেজাউল ইসলাম, মরুপাড়া গ্রামের হেলাল উদ্দীন হেলু মন্ডলসহ কৃষকরা জানান, শুরু থেকে ধান ভাল থাকলেও হঠাৎ করেই গত এক সপ্তাহ ধরে ধানের শীষ মরা রোগ দেখা দিয়েছে। শীষ মরা রোধ করতে প্রতি বিঘায় চার থেকে পাঁচ বার কিটনাশক ঔষুধ ছিটিয়েও কোন প্রতিকার মিলছেনা। ফলে ফলন বির্পযয় হতে পারে এমন আশংকায় দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। 

এব্যাপারে রাণীনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান,আবহাওয়ার কারণে কিছু কিছু এলাকায় ব্লাষ্ট এবং মাজরা পোকার আক্রমণে ধানের শীষ মরে যাচ্ছে। এটা প্রতিরোধের জন্য কৃষকদের সচেতন করতে এলাকায় লিফলেট বিতরণ, সভা সেমিনার করা হচ্ছে। তবে এতে ফলন বির্পযয়ের কোন সম্ভবনা নেই বলে দাবি করেন তিনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ