ঢাকা, বৃহস্পতিবার 25 April 2019, ১২ বৈশাখ ১৪২৬, ১৮ শাবান ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

খুলনায় ১০ টাকা কেজির চাল কালো বাজারে বিক্রির অভিযোগে ৪জন গ্রেফতার

খুলনা অফিস : খুলনায় ১০ টাকা কেজি মূল্যের সরকারি চাল কালো বাজারে বিক্রির অভিযোগে ৪জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় সাড়ে ১১শ’ কেজি চাল উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে দিঘলিয়া উপজেলার কামারগাতী গ্রামের নূরুজ্জামান ওরফে নূরুর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এ চাল উদ্ধার করা হয়।  গ্রেফতারকৃতরা হলেন-দিঘলিয়া উপজেলার কামারগাতি গ্রামের কেরামত শেখের ছেলে নূরুজ্জামান ওরফে নূরু, একই এলাকার রোকন শেখের ছেলে মো. আব্দুল করিম শেখ, হাতেম সরদারের ছেলে আকমান সরদার এবং ও লাখোহাটি গ্রামের মতি গাজীর ছেলে কামরুল গাজী।
পুলিশ জানায়, ডিলার আব্দুর রউফ গাজী এবং তার ছেলে আব্দুর রব গাজী ১০ টাকা কেজি মূল্যের চাল অতিরিক্ত মূল্যে কালো বাজারে বিক্রি করে আসছে। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে ডিলার পয়েন্ট সংলগ্ন কামারগাতি এলাকার কেরামত শেখের ছেলে নূরুজ্জামান ওরফে নূরুর বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ওই বাড়ি থেকে সাড়ে ১১শ’ কেজি সরকারি চাল উদ্ধার করা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী চালের তিন ক্রেতা একই এলাকার  মো. আব্দুল করিম শেখ, আকমান সরদার এবং ও লাখোহাটি গ্রামের কামরুল গাজীকে আটক করা হয়।
এদিকে, ঘটনার পর রাতেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ আল আসাদ ৯০ বস্তা চালসহ ডিলার পয়েন্টটি সীলগালা করে দেন।
এ ব্যাপারে দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মানস রঞ্জন দাস বলেন, উক্ত ঘটনায় বুধবার চালের ডিলারসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার  দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা : খুলনায় ব্যবসায়ীর কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং সাড়ে ২৭ হাজার টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগে এক নারীসহ গ্রেফতারকৃত পুলিশের দুই এএসআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার ব্যবসায়ী সঞ্জিৎ শীল বাদী হয়ে খুলনা সদর থানায় এ মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃতদের ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন-নগরীর টুটপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই সিফাতুল্লাহ ও গল্লামারী পুলিশ বক্সে কর্মরত এএসআই মিরান এবং তাদের সহযোগী ফাতেমা বেগম।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতরা সঞ্জিৎ শীল নামক ওই ব্যবসায়ীকে ফাঁদে ফেলে তার কাছে দু’লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। দেনদরবারের পর সাড়ে ২৭ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করে এবং ভয়ভীতি দেখাতে থাকে। এ অভিযোগ পেয়ে গত মঙ্গলবার রাতে নগরীর নিরালা আবাসিক এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খুলনা সদর থানার এসআই অনুকুল চন্দ্র ঘোষ বলেন, গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) ও অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার শেখ  মনিরুজ্জামান মিঠু জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ