ঢাকা, মঙ্গলবার 30 April 2019, ১৭ বৈশাখ ১৪২৬, ২৩ শাবান ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু ও তাদের ভবিষ্যৎ

ড. মো. নূরুল আমিন : গত সপ্তাহ পুরোটাই কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ছিলাম। ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও বৌদ্ধ ভিক্ষুদের হাতে নির্যাতিত রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়ার পর থেকে মাঝে মধ্যেই আমি সেখানে তাদের দেখতে যাই। হোটেলে ভারতের হায়দরাবাদ থেকে আসা তানজিমুল উম্মাহ নামক একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্মকর্তারা, ইরানের আল মোস্তফা নামক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদল এবং তুরস্কের মিল্লিগুরুসের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মকর্তা এবং ঐ দেশেরই মেহমেত জিলেপ (Mehmet Celep) নামক একজন শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীর সাথে সাক্ষাৎ হলো। তারা সবাই মানবাধিকার কর্মী, রোহিঙ্গাদের সাহায্যার্থে কক্সবাজারের ক্যাম্পগুলোতে বেশ কিছুদিন ধরেই কর্মব্যস্ত আছেন। প্যাকেট করা খাদ্যসামগ্রী, রান্না করা খাবার, ঔষধ প্রভৃতি বিতরণ তাদের দৈনন্দিন কাজের অন্তর্ভুক্ত। কক্সবাজারে এখন প্রচ- তাপদাহ চলছে। এর মধ্যে ক্যাম্পে ক্যাম্পে গিয়ে তারা শরণার্থীদের যে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন তা না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। তুরস্কের নুমান ককশাল  ফিরাত আয়েদীন নামক দুজন স্বেচ্ছাসেবীসহ বেশ কয়েকজন বিদেশিকে আমি দেখেছি প্রচ- রোদে তাদের শরীরে ফোস্কা পড়ে গেছে কিন্তু মানুষের প্রতি দরদ তাদের কমেনি। দুর্গত রোহিঙ্গাদের তারা সেবা করে যাচ্ছেন।
উপরে উল্লেখিত মানবাধিকার কর্মীদের মধ্যে নুমান ককশাল তিন বছর ধরে রোহিঙ্গাদের মধ্যে কাজ করছেন বলে জানা যায়। তার প্রতিষ্ঠান থেকে এর মধ্যে আট হাজার তাঁবু, ৫ হাজার টিউবওয়েল, সাত হাজার টয়লেট এবং ছয় হাজার গোসলখানা তৈরি করে দেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। এবার তিনি ও তার সহকর্মী এসেছেন রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বর্তমান চাহিদা নিরূপণের জন্য। এই চাহিদার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে তারা শিবিরবাসীদের আরো বড় রকমের সহযোগিতা করতে চান।
ইরানীয় প্রতিনিধিদলও চাহিদা নিরূপণের একই কাজ করতে চান। বর্তমানে একটি ইরানী সংস্থা একটি স্কুল পরিচালনা করছে। কুতুপালং-এ স্থাপিত এ স্কুলটিতে দু’শতাধিক ছেলেমেয়ে লেখাপড়া শিখছে এবং তাদের দু’বেলা খাবার দেয়া হয়।
তুরস্কের সুলতান গাজীর মেহমেত জিলেপ একজন ধনাঢ্য ও দানশীল ব্যবসায়ী। তিনি রোহিঙ্গা শিবিরে এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করতে চান। এছাড়াও তিনি শিবিরের অভ্যন্তরে অথবা বাইরে এমন একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান বা কারখানা স্থাপন করতে চান যার মুনাফা থেকে রোহিঙ্গা এতিমদের ভরণ-পোষণ করা যায়। চট্টগ্রামভিত্তিক স্থানীয় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে তিনি এই যাত্রায় এক হাজার প্যাকেট খাদ্যসামগ্রী ও দুই ট্রাক ওষুধ বিতরণ করেছেন। জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে অনুমোদন নিয়ে সেনাবাহিনীর মাধ্যমে এসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তার অভিজ্ঞতা ভাল নয়। অনুমোদন নিতে জেলা প্রশাসনের অসাধু কিছু কর্মচারী তাদের কাছ থেকে বেশ কিছু টাকা উৎকোচ নিয়েছেন বলে জানা যায়।
উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বর্বরোচিত উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবার পর প্রাণ রক্ষার জন্য প্রায় সাড়ে সাত লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলমান বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণ করেন। এর আগে ১৯৯২ সালে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মধ্যে সাড়ে পাঁচ লাখ শরণার্থীকে মিয়ানমার ফেরত না নেয়ায় তারা বাংলাদেশেই থেকে যান এবং তাদের সাথে যোগ হয়েছিল বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করা প্রায় দেড় লক্ষ রোহিঙ্গা শিশু। এদের সবাই মিলে বর্তমানে শরণার্থী সংখ্যা চৌদ্দ লাখের উপরে। সম্পূর্ণ মানবিক কারণে বাংলাদেশ সরকার এদের আশ্রয় দিয়েছেন এবং কক্সবাজার জেলার উখিয়া, টেকনাফ, রামুসহ বিভিন্ন উপজেলার বিস্তৃত এলাকায় তারা তাঁবুতে বসবাস করছেন। স্থানীয় ও বিদেশী মিলে শত শত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থা এবং জনহিতৈষী ব্যক্তি তাদের তাঁবু তৈরি করে দিয়েছেন। রাস্তাঘাট, পুল, কালভার্ট তৈরি করেছেন। রোহিঙ্গা শিশুদের লেখাপড়ার জন্য মক্তব, মসজিদ, মাদ্রাসা ও স্কুল তৈরি করেছেন। এসব স্কুলে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। চিকিৎসার জন্য রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শত শত ক্লিনিক এবং হাসপাতালও প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। পানি সরবরাহের জন্য সেখানে খনন করা হয়েছে হাজার হাজার টিউবওয়েল। এর পাশে আছে টয়লেট, গোসলখানা ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা। সেখানে প্রথম অবস্থায় ত্রাণ সংগ্রহ ও বিতরণে যে অব্যবস্থা ছিল তার অনেকটাই এখন কেটে গেছে। ত্রাণ বিতরণের কাজ এখন বেশির ভাগই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর স্থানীয় ক্যাম্পগুলোর তরফ থেকে আঞ্জাম দেয়া হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের মধ্যে শৃঙ্খলা আনয়নে তাদের ভূমিকা প্রশংসনীয়। তাদের পরিচালিত বেশ কিছু মেডিকেল টীম রোহিঙ্গা শিবিরে উন্নতমানের চিকিৎসা সেবা প্রদানের সাথে জড়িত রয়েছে।
কক্সবাজার পর্যটন শহর হিসেবে দীর্ঘকাল ধরে পরিচিত। লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর আগমনে এই জেলাটির জনসংখ্যার ভারসাম্য (Demographic balance) শুধু নষ্ট করেনি পরিবেশের ভারসাম্যও নষ্ট করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। জেলাটির স্থানীয় জনসংখ্যা সাড়ে চার লাখ। শরণার্থী সংখ্যা সাড়ে চৌদ্দ লাখ অর্থাৎ তিনগুণের কাছাকাছি। পাহাড়-টিলার গাছ-গাছড়া-জঙ্গল কেটে তাদের জন্য তাঁবু তৈরি করতে হয়েছে। চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকের সাথে বার্মার আরাকান, আকিয়াব প্রভৃতি এলাকার বাসিন্দাদের আত্মীয়তার সম্পর্ক অত্যন্ত পুরাতন। কক্সবাজার ছাড়াও শরণার্থীদের অনেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং চট্টগ্রামে আশ্রয় নিয়েছেন। আত্মীয়রা সাময়িকভাবে তাদের জন্য জায়গা-জমি ছেড়ে দিয়েছেন, ভেবেছেন কিছুদিন পরই তারা চলে যাবেন। যারা কক্সবাজারে আছেন তারা ত্রাণ পাচ্ছেন। কিন্তু যারা বাইরে তারা কিছুই পাচ্ছে না, আত্মীয়দের উপর গঞ্জনা হয়ে অবস্থান করছেন। কুতুপালং, বালুখালী, জামতলী, হাকিমপাড়া প্রভৃতি ক্যাম্প পরিদর্শন করলাম। ক্যাম্পের অবস্তা আগের তুলনায় ভাল। আগে রাস্তাঘাট ছিল না, পায়খানা পেশাবের নির্দিষ্ট জায়গাও ছিল না। দুর্গন্ধে হাঁটা যেতো না। এখন পয়ঃব্যবস্থা অনেক উন্নত। রাস্তাঘাটও ভাল। ক্যাম্পগুলোতে বসতির ঘনত্ব অনেক বেশি। ঘরগুলোর গড় আয়তন ২১৬ বর্গফুট, ১২হাত লম্বা, ৮ হাত চওড়া। এই ছোট্ট ঘরে ৫/৬ সদস্যের এক একটি পরিবার থাকে। তাদের রান্না বান্নাও এখানে। বাসিন্দারা কেমন আছেন জিজ্ঞাসা করলে সকলেই প্রায় একই উত্তর দিলেন, ভাল আছেন এবং এখানে জীবনের নিরাপত্তা আছে। রোহিঙ্গারা ধর্মভীরু মুসলমান। মহিলাদের প্রায় সকলেই হিজাবধারী, কিন্তু ঘিনজি পরিবেশে তারা পর্দার চাহিদা পূরণ করতে পারেন না, ধর্মীয় শিক্ষার ব্যবস্থা অপ্রতুল বলে তারা জানালেন। মিশনারী এনজিওগুলো এই সুযোগে ত্রাণ ও চিকিৎসার মাধ্যমে ধর্মান্তর করণের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। পক্ষান্তরে ক্যাম্পে ইসলামী এনজিওসমূহকে প্রকাশ্যে কাজ করতে দেয়া হচ্ছে না। সরকারের নিষিদ্ধের তালিকায় অর্ধশতাধিক এনজিও আছে। বিষয়টি পুনর্বিবেচনার দাবি রাখে।
রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কারণে কক্সবাজারের ক্ষতি হয়েছে যেমন সত্য তেমনি জেলার অর্থনীতি, ব্যবসা বাণিজ্য যে বিপুলভাবে উপকৃত হয়েছে তাও সত্য। সেখানে ত্রাণ ও উন্নয়ন কর্মকা-ের ফলে যারা আগে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখতে ভয় পেতেন তারা এখন কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। সেখানকার হোটেলগুলো চাঙ্গা হয়ে গেছে। বৈদেশিক মুদ্রার আমদানি সেখানে অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করেছে।
তবে এখানে হতাশার দিকটি অনেক বেশি ভারী। রোহিঙ্গাদের সমস্যাটি একটি মানবিক সমস্যা, এর একমাত্র সমাধান নিজ দেশের তাদের প্রত্যাবাসন। কিন্তু এক্ষেত্রে সরকারের সাফল্য শূন্য। বাংলাদেশ সরকারের সাথে মায়ানমার সরকারের একটি প্রত্যাবাসন চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। এটি প্রায় দেড় বছর আগের কথা। অথচ এই চুক্তির আলোকে আজ পর্যন্ত একজন শরণার্থীও প্রত্যাবাসিত হয়নি। বাংলাদেশ সরকার ৩০ হাজার লোকের একটি তালিকা তাদের কাছে প্রেরণ করেছে। তার মধ্য থেকে ৭ হাজার লোককে তারা তাদের বলে দাবি করে তালিকা ফেরৎ দিয়েছে। আজ পর্যন্ত কাউকে ফেরৎ নেয়নি। আমরা এখানে ব্যর্থ। আন্তর্জাতিক/কুটনৈতিক পর্যায়ে আমাদের তৎপরতা বৃদ্ধি না করলে অবস্থার উন্নতি আশা করা যায় না।
কক্সবাজার থেকে এক লক্ষ রোহিঙ্গাকে গত জুন মাসে ভাষান চরে স্থানান্তর করার কথা ছিল। সরকার আড়াই হাজার কোটি টাকা খরচ করে সেখানে রোহিঙ্গাদের জন্য বাড়ি-ঘর তৈরি করেছেন। কিন্তু আজো তাদের সেখানে স্থানান্তর করা যায়নি। জাতিসংঘ মহাসচিব তার সর্বশেষ সফরের সময় বলে ছিলেন যে একজন রোহিঙ্গাও যদি ভাষান চরে যেতে সম্মত না হয় তাহলে তাদেরকে সেখানে পাঠানো যাবে না।
এখানে কয়েকটি প্রশ্ন জড়িত আছে। অভিযোগ উঠেছে যে ভাষান চর বঙ্গোপসাগরের বুকে নতুন জেগে উঠা একটি দ্বীপ। এখানে কোন লোকালয় নেই, চারদিকে পানি, গাছ গাছড়াও এখনো গজিয়ে উঠেনি। রোহিঙ্গাদের সেখানে নেয়া হলে তারা জীবনের ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। সরকার এর জবাব এখনো দেননি। ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে সেখানকার অবস্থা ধারণ করে আন্তর্জাতিক মহলকে সরকার বিষয়টি বুঝিয়ে দিয়ে তাদের স্বীকৃতি আদায় করতে পারেন। বর্তমানে তারা যে অবস্থায় আছে ভবিষ্যতের জন্য তা আমার ভাল মনে হয়নি। রোহিঙ্গাদের মধ্যে কিছু না কিছু কাজ কওে এমন  সংখ্যা ৫-৭ শতাংশের বেশি হবে না। শিশু কিশোর যুবকরা বেকার। অলস মন শয়তানের কারখানা। ইতোমধ্যে মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধের সাথে তাদের জড়িয়ে পড়ার রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। আমাদের সতর্ক হবার জন্য এটা যথেষ্ট। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা পরিচালিত স্কুলগুলোর কিছু কিছু খবর আমি নিয়েছি। সেখানে বার্মীজ ভাষায় শিক্ষার কোন ব্যবস্থা নেই। বাংলা ভাষায় অক্ষর জ্ঞান নিয়ে মায়ানমারে ফিরে যাবার আগ্রহ তারা হারিয়ে ফেলতে পারে বলে আমার আশঙ্কা, যতদিন পর্যন্ত তাদের প্রত্যাবাসন না হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত বার্মিজ ভাষায় ও বার্মিজ কারিকুলামে তাদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা দরকার। শিক্ষক তাদের মধ্যেই পাওয়া যাবে। এ ব্যাপারে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সহযোগিতা নেয়া যেতে পারে।
আমি আলোচনার শুরুতে একজন তুর্কী ব্যবসায়ীর কথা বলেছিলাম যিনি শরনার্থীদের জন্য কলকারখানা করতে চান। এ রকম বহু দানশীল ব্যবসায়ী আছেন যারা শরণার্থীদের কর্মসংস্থানে পুঁজি বিনিয়োগে আগ্রহী এবং তাদের মধ্য থেকে কারিগরী যোগ্যতাসম্পন্ন জনশক্তি তৈরি করে বিদেশের শ্রম বাজারে সরবরাহ করতে চান। বসে না থেকে এ কাজটি আমরা করতে পারি। দক্ষতা ভিত্তিক প্রশিক্ষণ দিয়ে যদি তাদের বিদেশে পাঠানো যায় তাহলে তারা নিজেরাই নিজেদের ব্যবস্থা করতে পারবে বাংলাদেশের উপর দায় হয়ে থাকবে না।
কক্সবাজারের শরণার্থী কমিশনারের যথেষ্ট সুনাম আছে। তিনি তাদের পুনর্বাসনের এই বিষয়টি ভেবে দেখতে পারেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. আবদুল মোমেন গত ২৫ এপ্রিল জাতিসংঘের তিন কর্মকর্তাকে উদ্দেশ্যে খুব কড়া কথা বলেছেন বলে পত্র-পত্রিকায় রিপোর্ট বেরিয়েছে। এই তিন কর্মকর্তা হচ্ছেন জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্রান্ডি, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মহা পরিচালক অ্যান্তনিও ভিতোরিনো এবং জাতিসংঘের মানবিক ও জরুরী ত্রাণ সমন্বয় বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক লোকক। তিনি তাদের বাংলাদেশ ছেড়ে মায়ানমার যাবার পরামর্শ দিয়েছেন। বলেছেন, ‘আপনাদের এখানে কাজ নেই, মায়ানমার যান, বাংলাদেশ থেকে বিদায় হোন।” তার এই কথাটি কুটনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে কিনা ভেবে দেখা দরকার। জাতিসংঘ ছাড়া শরণার্থী সমস্যা আমরা সমাধান করতে পারবো না। তাদের নিয়েই আমাদের সমাধানের চিন্তা করতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ