ঢাকা, রোববার 5 May 2019, ২২ বৈশাখ ১৪২৬, ২৮ শাবান ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ সড়কে পরিবহণ ধর্মঘট

সিলেট ব্যুরোঃ সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ সড়কে গতকাল শনিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সকল প্রকার মালবাহী গাড়ির চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে জেলা ট্রাক, পিকআপ ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন। গতকাল দুপুরে দক্ষিণ সুরমার পারাইচকস্থ সংগঠনের কার্যালয়ে ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত ১৭টি আঞ্চলিক কমিটি নিয়ে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে সংগঠনের সভাপতি আবু সরকার এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
ট্রাক থেকে চাঁদাবাজি ও ওভারলোড বন্ধের দাবিতে এই ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়েছে। আগামীকাল রবিবার থেকে এই ধর্মঘট পালন করা হবে। ধর্মঘটের আওতায় ওই সড়কে ট্রাক, পিকআপ ও কাভার্ডভ্যান চলাচল বন্ধ থাকবে। অন্যসব যানবাহন চলাচল করবে।
জানা গেছে, সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ সড়কে ওভারলোড বন্ধ ও ট্রাক থেকে প্রতিনিয়ত চাঁদাবাজির প্রতিবাদে ১৭ থানা আঞ্চলিক কমিটি নিয়ে জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে আজ শনিবার প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
জেলা ট্রাক, পিকআপ ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু সরকারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আমির উদ্দিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা ট্রাক, পিকআপ ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যকরী সভাপতি আব্দুস সালাম, সহসভাপতি জুবের আহমদ প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে আবু সরকার বলেন, ‘কোম্পানীগঞ্জের আমবাড়িতে একটি কুচক্রি মহলের ইন্ধনে প্রতিদিন প্রকাশ্যে গাড়ি থেকে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন রহস্যজনক কারণে নিরব ভূমিকা পালন করছে। চাঁদা না দিলে ট্রাকচালক ও হেলপারদের টাকা এবং মালামাল ছিনিয়ে নিয়ে যায় চাঁদাবাজরা। তাছাড়া অবৈধভাবে সেই সড়কে গাড়ি দিয়ে ওভারলোড চালাচ্ছে চাঁদাবাজ চক্র। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করলেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ সড়কে অনির্দিষ্টকালের জন্য সকল প্রকার মালবাহী গাড়ি চলাচল বন্ধের ডাক দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে সিলেট জেলায়ও পরিবহণ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হবে।’
 ফণির প্রভাব জনজীবনে দুর্ভোগ
ঘুর্ণিঝড় ফণির প্রভাব পড়েছে সিলেটেও। প্রলংয়কারী এই ঘুর্ণিঝড়ের প্রভাবে গত শুক্রবার দুপুর থেকে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হলেও গতকাল শনিবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে টানা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। বিরূপ আবহাওয়ায় জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ।
সকাল ৬টা থেকে সিলেটে শুরু হয় বৃষ্টি। ফলে সকালের শুরুতেই স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা পড়েন বিড়ম্বনায়। এছাড়া বেড়ে যায় কর্মজীবী মানুষের দুর্ভোগও।
বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার কারণে রাস্তাঘাটে যান চলাচল কমে যাওয়ায়। নগরীতে রিকশা ও অটোরিকশা সংকটও দেখা দেয়। ফলে অনেকে বাসা থেকে বের হয়ে গন্তব্যে যেতেও বিড়ম্বনার শিকার হন। এ সুযোগে রিকশা ও অটোরিকশা চালকরা ভাড়ার পরিমাণও বাড়িয়ে দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ফণির প্রভাবে সিলেটের দু’এক জায়গায় ঝড় হলেও কোন ধরনে র ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে বৃষ্টিপাতের কারণে জনজীবনে দুর্ভোগ অব্যাহত রয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ