ঢাকা, রোববার 5 May 2019, ২২ বৈশাখ ১৪২৬, ২৮ শাবান ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

এপ্রিল মাসে রাজনৈতিক সন্ত্রাস

মুহাম্মদ ওয়াছিয়ার রহমান : এপ্রিল মাসে রাজনৈতিক মাঠ ছিল ঠাণ্ডা। বিএনপির ৬ জন নির্বাচিত সংসদ সদস্যের শপথ নিয়ে নানাবিধ নাটকীয়তা চলে। অবশেষে দুই স্তরে তাদের ৫ জনের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হয়। তবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথ না নেয়ায় রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনার ঢেউ ওঠে। মাসটিতে ৬২টি রাজনৈতিক ঘটনার তথ্যে নিহতের সংখ্যা ৮। এই ৮ জনের ৬ জনই খুন হয় আওয়ামী লীগের হাতে, ছাত্রলীগের হাতে ১ ও শ্রমিক লীগের হাতে ১ জন। এ মাসে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতায় প্রাপ্ততথ্যে আহত হয় ১৩৩ জন এবং গ্রেফতার অনেক বেশী হলেও ১২৭ জনের তথ্য পাওয়া গেছে বাকীদের পরিচয় প্রকাশিত হয়নি। গ্রেফতারকৃতরা অধিকাংশই বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী এবং দণ্ডপ্রাপ্ত ১৫ জন। এই ১৫ জনের ছাত্রলীগের ১১, যুবলীগের ২, বিএনপির ১ এবং যুবদলের ১ জন। প্রাপ্ততথ্যে এপ্রিল মাসে যারা নিহত হয়- (১) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে উপজেলা নির্বাচনোত্তর আওয়ামী লীগের সহিংসতায় সাইদুল ইসলাম নামে একজন নিহত, (২) ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে দলীয় নির্বাচনী সহিংসতায় আওয়ামী লীগ কর্মী সাখাওয়াত হোসেন নিহত, (৩) ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে উপজেলা নির্বাচনত্তোর আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দলে দেলোয়ার মাতুব্বর নিহত, (৪) ফেনীর সোনাগাজীতে মাদ্রাসা ছাত্রী নূররাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতা আটক, (৫) শেরপুরের নলিতাবাড়ীতে আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দলে ইদ্রিস আলী নামে একজন খুন ও (৬) নড়াইলের লোহাগড়ায় আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দলে কুয়েত আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ মিজানুর রহমান নিহত হয়, (৭) সাতক্ষীরার আশাশুনিতে ছাত্রলীগের হাতে যুবলীগ নেতা তৌহিদ সানা নিহত এবং (৮) বগুড়া সদরে শ্রমিক লীগের হাতে বিএনপি নেতা মাহবুব আলম শাহীন খুন হয়।
আওয়ামী লীগ ঃ ১ এপ্রিল ফেনী সদরে উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থী এম আজহারুল হক আরজু এবং সাবেক পৌর মেয়র সাখাওয়াত হোসেনকে আটক করে পুলিশ। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে কুড়িঘর বাজারে উপজেলা নির্বাচনত্তোর দলীয় কোন্দলে সাইদুল ইসলাম নামে একজন খুন হয়। আওয়ামী লীগ নেতা ও দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হলে আনন্দ মিছিল শেষে এই হত্যাকান্ড ঘটে। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে উপজেলা নির্বাচনোত্তর মান্দারপাড়ায় আওয়ামী লীগের দলীয় সন্ত্রাসে ২০টি বাড়ী-ঘর ভাংচুর ও ১০ জন আহত হয়। বরগুনার বামনায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাইদুল ইসলাম লিটু বিজয়ী উত্তর বামনা বাজারে মিছিল বের করলে সতন্ত্র প্রার্থী ও অপর আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ মঞ্জুরুর রব মর্তুজা আহসানের লোকজন হামলা করে। হামলায় দেলোয়ার হোসেন, সজীব হাওলাদার, জহির, মইনুল ও রনি আহত হয়। হামলায় দলীয় সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধূরী কামরুজ্জামান সগীরের সরকারী বাসভবন ভাংচুর করা হয়। ২ এপ্রিল নারায়নগঞ্জ শহরের চাষাড়া বালুর মাঠ এলাকায় আওয়ামী লীগ সাবেক সহ-সভাপতি ও পিপি ওয়াজেদ আলী খোকনের মালিকানাধীন ফ্লাটে গভীর রাতে চিৎকার চেচামেচি শুনে এলাকার লোকজন পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ খোকনের ছেলে আকিব সাদাত, তার বন্ধু ইয়ামিন ও বান্ধবী সায়মাকে পদপান অবস্থায় আটক করে। আকিব রক্তাক্ত থাকায় তাকে হাসপাতালে পাঠান হয় এবং সে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায়। 
৩ এপ্রিল ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে দলীয় নির্বাচনী সহিংসতায় রায়ের বাজারে আওয়ামী লীগ সমর্থক ও কারা পুলিশ সদস্য সাখাওয়াত হোসেন নিহত হয়। উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মাঝে এই সংঘর্ষ হয়। উল্লেখ্য, গত ২৮ মার্চ সাখাওয়াত আহত হয়। ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে উপজেলা নির্বাচনত্তোর দলীয় কোন্দলে পোয়াইল গ্রামে আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দলে দেলোয়ার মাতুব্বর নামে একজন খুন ও অপর ১০ জন আহত হয়। আওয়ামী লীগ নেতা নাজিম উদ্দিন গ্রুপ ও চুতল ইউনিয়ন যুবলীগ যুগ্ম-আহবায়ক জামাল মাতুব্বর গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। এ সময় ২০-২৫টি বাড়ী-ঘর ভাংচুর করা হয়। ৪ এপ্রিল সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের নলতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা পুলক সরকার কাজলা হাটখোলা থেকে উত্তর কাজলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত ৮’শ মিটার রাস্তার ইট খুলে বিক্রি করে দেয়। ফলে বৃষ্টি হলে চলাচলে দারুন সমস্যা হয় এবং এর আগে তিনি মন্দিরের টাকা আত্মসাৎ করে বলে অভিযোগ ছিল। ৮ এপ্রিল জয়পুরহাটের কালাইয়ে হাটপুকুর এলাকায় ২ জন নিহত হওয়ার মামলায় ৪৫ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠায়। ৭ এপ্রিল মাগুরার মোহাম্মদপুরে গঙ্গানন্দপুর বাজারে আওয়ামী লীগ দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১৫ জন। রাজাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কাশেম গ্রুপ ও আব্দুল হালিম মোল্লা গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ছাড়াও দলীয় অফিসসহ ১৮টি দোকান ভাংচুর করা হয়। পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত মর্মে রাসেল হাসান, মোস্তাক হোসেন, ইলিয়াস মন্ডল, ওয়াহিদুজ্জামান, মুসা নূর, বিপুল সিকদার ও তৌহিদুল ইসলামকে আটক করে। কুমিল্লার তিতাসে উপজেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ ভাইস-চেয়ারম্যান শহিনুল ইসলাম সিকদার সোহেলকে ঢাকার যাত্রবাড়ী এলাকা থেকে আটক করে পুলিশ।
৯ এপ্রিল ঝালকাঠির নলছিটিতে বৈচন্ডি গ্রামে পীর মোয়াজ্জেম হোসেন সড়কের পাশ থেকে ৪৩টি সরকারী গাছ কেটে নেয় আওয়ামী লীগ পৌর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল হান্নান সিকদার। দিনাজপুরের হাকিমপুরে আলীহাট ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুলকে ভিজিডি-র চাল আত্মসাৎ করায় মনসাপুর বাজার থেকে আটক করে পুলিশ। ১০ এপ্রিল ফেনীর সোনাগাজীতে ইসলামী ফাজিল মাদ্রাসার ছাত্রী নূসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যা মামলায় সোনাগাজী পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও পৌর কাউন্সিলর মাকসুদ আলমকে ঢাকা থেকে আটক করে পুলিশ। নিজের কোন সন্তান মাদ্রাসায় লেখাপড়া না করেও মাকসুদ আলম মাদরাসা কমিটির অভিভাবক সদস্য। পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত মর্মে ছাত্রলীগ মাদ্রসা শাখা সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন শামীম ও উপজেলা শাখা আওয়ামী লীগ সভাপতি রুহুল আমিনসহ ১০ জনকে আটক করে। আসামীদের ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারা মতে জবানবন্দী অনুসারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল আমিন ঘটনার সাথে জড়িত মর্মে তাকে আটক করে। গত ৬ এপ্রিল রাফি তার মাদ্রাসায় অগ্নিদগ্ধ হয়। ১৬ এপ্রিল লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ হাঁপানিয়া গ্রাম থেকে ভোলাকোট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান বশির আহমেদ মানিকের বাড়ী থেকে অপহৃত পূর্ত মন্ত্রনালয়ের সহকারী হিসাব কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বাবুকে উদ্ধার করে পুলিশ। অপহরণকারীরা নজরুল ইসলামকে ব্যাপক মারধর করে। বগুড়া সদরে সোসাল ইসলামী ব্যাংক থেকে ৩১ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মান্নান আকন্দ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠায়।
১৮ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন ১৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল করীম বাবুকে চাঁদাবাজীর মামলায় আটক করে পুলিশ। ২০ এপ্রিল ব্রহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে হাজী আব্দুল জলিল উচ্চবিদ্যালয় এলাকায় আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘষর্, কর্তৃপক্ষ ১৪৪ ধারা জারি। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ১০ নেতাকে বাহিস্কারের সুপারিশ করে উপজেলা শাখা। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এমপি ও আওয়ামী লীগ নেতা এ.কে.এম শামীম ওসমান রূপায়ন টাউনে সন্ত্রাসী হামলায় দায়ে কৃষক লীগ উপজেলা সভাপতি নাজিম উদ্দিনের ওপর ক্ষুব্দ হয়ে ‘ঘোষণা করেন-‘ওর বুকের পাটা ছিঁইড়া ফালামু’। আইন সভার সদস্য হয়ে নিজে আইন হাতে তুলে নেয়ার ঘোষণা দিয়ে নিজেই ফৌজদারী অপরাধ করেন। ২৩ এপ্রিল পাবনার বেড়ায় হাটুরিয়া-জগন্নাথপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামীম আক্তারকে থানা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার সামনে মারধর করায় হাটুরিয়া-জগন্নাথপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি নূর ইসলামকে আটক করে পুলিশ।
২৫ এপ্রিল শেরপুরের নলিতাবাড়ীর যোগানিয়া কুত্তামারা এলাকায় আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দলে যোগানিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমানের গুলিতে প্রতিপক্ষ গ্রুপের ইদ্রিস আলী নামে একজন খুন হয়। আওয়ামী লীগ নেতা হাবিবুর রহমান গ্রুপ ও সোহরাব আলী গ্রুপের দ্বন্দ্বে এই হত্যাকান্ড ঘটে। ২৭ এপ্রিল নড়াইলের লোহাগড়ার নোয়াগ্রামে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে কুয়েত আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ মিজানুর রহমান নিহত এবং সৈয়দ বাকি বিল্লাহ, সৈয়দ সেলিম, সৈয়দ সাচ্চু, সৈয়দ নওশের, রাসেল আলী, শওকত হোসেন ও নীরব আলীসহ ১০ জন আহত হয়। আওয়ামী লীগ উপজেলা সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফয়জুল আমির গ্রুপ ও নোয়াগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা বুলবুল শেখ গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। ২৮ এপ্রিল বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এম জাহিদুর রহমানকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। তিনি একটি মাদক মামলায় আদালতে আত্মসমার্পন করেন।
ছাত্র লীগ ঃ ২ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এস.এম হলে ফরিদ হাসান নামে এক ছাত্রকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগে হল প্রশাসনকে লিখিত ভাবে জানাতে গেলে ছাত্রলীগের হামলায় ডাকসু ভিপি নূরুল হক নূর, ছাত্র ফেডারেশনের ঢাবি সভাপতি উম্মে হাবিবা বেনজির, শামসুন নাহার হলের ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি ও আতাউল্লাহসহ ৯ জন আহত হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, শদীহ আব্দুর রব হল, আমানত শাহ হল, সোহরাওয়ার্দী হল, আলাওল হল ও এফ রহমান হলে ব্যাপক তল্লাশী ২টি বন্দুক ও ১২৬ রাউন্ড থ্রি নট থ্রি গুলি উদ্ধার। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে উপজেলা নির্বাচনে ১৪৪টি কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর নজির বিহীন তান্ডবে বিক্ষোভ করে ছাত্রলীগ। ভোটার ও আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের উপর পুলিশ-ম্যাজিষ্ট্রেটের হামলায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিভাগীয় কমিশনার, ডিসি, এসপি, এএসপি, এসি ল্যান্ড ও ওসির প্রত্যাহার দাবী করা হয়। এখানে দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থী জয়ী হয়। ৩ এপ্রিল বরিশাল পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউটে শাখা ছাত্রফ্রন্ট সভাপতি নাসরিন আক্তার টুম্পা ও সাধারণ সম্পাদক রতন গাইনকে পিটিয়ে আহত করে ছাত্রলীগ। ইনষ্টিটিউটের অনিয়মিত ছাত্র ও অবৈধ ভাবে হলে অবস্থানকারী ছাত্রলীগ নেতা সাজ্জাদুল ইসলাম রানার নেতৃত্বে এ হামলা করা হয়। ৪ এপ্রিল সাতক্ষীরার আশাশুনির বড়দল বাজারে যুবলীগ বড়দল ইউনিয়ন সাবেক সভাপতি তৌহিদ সানা ছাত্রলীগ নেতাদের হাতে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করে। গত ১ এপ্রিল বড়দল বাজারে ছাত্রলীগ ইউনিয়ন সভাপতি নাহিদ রানা বাবু, তার সহযোগী কাজল সানা, আইউব আলী মালি, টুটুল সানা ও ইয়াসিন সরদার তার ওপর হামলা করে। মাদক ব্যবসার কাজে বাধা দেয়ায় তার ওপর এই হামলা করা হয়।
৭ এপ্রিল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদালয়ে ছাত্রলীগের ৬ আসামীকে আটক করা নিয়ে ছাত্রলীগের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। ৯ এপ্রিল রাজশাহী ইনষ্টিটিউট অব হেলথ্্ টেকনোলজীতে কঙ্কাল চুরি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে ছাত্রলীগ দু’গ্রুপের সংঘর্ষে নাফিউল ইসলাম, আসমাউল হোসেন, রাফি সরকার, আল-আমিন, মাসুদ রানা ও জ্যোতি সিদ্দিকসহ ১১ জন আহত হয়। ছাত্রলীগ ইনষ্টিটিউট শাখা সভাপতি আসলাম সরকার গ্রুপ ও সাধারণ সম্পাদক ওয়াহিদুজ্জামান গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। [চলবে]

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ