ঢাকা, বৃহস্পতিবার 16 May 2019, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১০ রমযান ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে হাজিরা নিশ্চিত করা হচ্ছে

খুলনা অফিস: খুলনায় প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে হাজিরা নিশ্চিত করা হচ্ছে। যেখানে মেশিন ক্রয়ে স্লিপ ফান্ডের অর্থ ব্যবহার করা হবে। আগামী জুন মাসের মধ্যে এই কার্যক্রম বিদ্যালয়গুলোতে বাস্তবায়ন করা হবে। ইতোমধ্যে উপজেলা শিক্ষা অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
জানা গেছে, চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি-৪ এর আওতায় স্লিপ ফান্ড ব্যবহারের হালনাগাদ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নির্দেশনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীদের বায়োমেট্রিক হাজিরা নিশ্চিতকরণের জন্য ডিভাইস ক্রয়ের বিধানও রয়েছে। এদিকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীরা বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালীন সময়ে বাইরে অবস্থান করাসহ শিক্ষা অফিসে ভিড় করার সংস্কৃতি রয়েছে।
কয়লাঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাফিসা ইসলাম বলেন, অনেক স্কুল কিংবা অফিসে এই পদ্ধতিতে হাজিরা হয় বলে তিনি শুনেছেন। এই পদ্ধতিতে হাজিরা হলে যে সকল শিক্ষার্থী নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসে না তারাও ক্লাসে আসতে আগ্রহী হবে। হ্যানে রেলওয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাঈম হাসান বলেন, নতুন পদ্ধতিতে হাজিরা দেয়ায় খুবই মজা পাওয়া যাবে। ডিজিটাল যুগে এসে খাতায় হাজিরা আর ভাল লাগে না।
এপিসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক সোনিয়া খাতুন বলেন, এমনিতেই শিক্ষার্থীরা টিফিন পিরিয়ড কিংবা পরের ক্লাসে কোথায় থাকে তার খোঁজ থাকে না। আর বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে স্কুলে এসে একবার হাজিরা দিলে পরে আর খোঁজ থাকবে না।
চর রূপসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক ফারুক হোসেন বলেন, আধুনিক যুগে আধুনিক পদ্ধতিতে হাজিরা হবে খুবই ভালো। নতুন এ পদ্ধতির প্রতি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বেশ ভালো থাকবে।
উদয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে হাজিরা হবে এটি তিনি ফেসবুকে দেখেছেন। অফিসিয়ালি কোনো চিঠি পাননি। মৌখিকভাবে শুনেছেন যার কারণে তিনি স্লিপ ফান্ডের পরিকল্পনা বাজেটে মেশিন কেনার বিষয়টি সংযুক্ত করেছেন।
খুলনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এএসএম সিরাজুদ্দোহা বলেন, জুন মাসের মধ্যে বিদ্যালয়ে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে হাজিরা নিশ্চিতকরণের কার্যক্রম শেষ করতে হবে। উপজেলা শিক্ষা অফিসাররা ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে এ কাজ বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছেন। এই কাজের সরঞ্জাম সরবরাহের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে উপজেলা শিক্ষা অফিসাররা কথা বলছেন। যে প্রতিষ্ঠান থেকে অধিক সেবা পাওয়া যাবে সেই কোম্পানি থেকে এই সরঞ্জাম নেয়া হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ