ঢাকা, বৃহস্পতিবার 16 May 2019, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১০ রমযান ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

গণতন্ত্রহীনতার বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন কবি সিকান্দার আবু জাফর

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে কবি সিকান্দার আবু জাফর স্মরণে একক বক্তৃতায় কবি আসাদ চৌধুরী বলেছেন, সিকান্দার আবু জাফরের গল্প, উপন্যাস এবং প্রবন্ধ-নিবন্ধ, সম্পাদকীয় সর্বত্রই বাংলাদেশ ও তার শোষিত-বঞ্চিত মানুষের মুক্তি, মানবতার জয়গান বাক্সময় হয়ে উঠেছিল। একই সঙ্গে তিনি ছিলেন জাতীয়তাবাদী এবং আন্তর্জাতিকতাবাদী। তিনি বলেন সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুক্তিকামী মানুষের সপক্ষে সোচ্চার ছিল তাঁর ক্ষুরধার কলম। তাঁর সম্পাদিত সাহিত্য পত্রিকা সমকাল-এর সম্পাদকীয় নিবন্ধেও আমরা একজন প্রগতিশীল মানবতাবাদী লেখকের কণ্ঠস্বর শুনতে পাই। এই পত্রিকায় প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তিনি বাঙালি জাতিসত্তার অনূকুলে লিখিত গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ প্রকাশ করেছেন অসম সাহসিকতায়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রচিত তাঁর বিখ্যাত কবিতা সংকলিত হয়েছিল ‘বাঙলা ছাড়ো’ কাব্যগ্রন্থে। তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িকতা, দুর্ভিক্ষ, গণতন্ত্রহীনতা ইত্যাদির বিরুদ্ধে আগাগোড়া সোচ্চার ছিলেন।
গতকাল বুধবার কবি সিকান্দার আবু জাফর স্মরণে একক বক্তৃতার আয়োজন করার হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ প্রদান করেন একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী। কবি সিকান্দার আবু জাফর ও তাঁর সময় শীর্ষক বক্তৃতা প্রদান করেন কবি আসাদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কবি রুবী রহমান, কবি কাজী রোজী, ড. ইসরাইল খান, নজরুল ইন্সটিটিউটের নির্বাহী পরিচালক মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক এবং সিকান্দার আবু জাফরের কন্যা কবি সুমী সিকান্দার।
স্বাগত ভাষণে হাবীবুল্লাহ সিরাজী বলেন, সিকান্দার আবু জাফর ছিলেন বহুমুখী মননের মানুষ। তাঁর কবি ও গীতিকার সত্তা উৎসর্গিত হয়েছে জনমানুষের মুক্তির আবাহনে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে যেমন তাঁর সাহসী সাহিত্যিক ভূমিকা ছিল তেমনি স্বল্পায়ু জীবনে তিনি মানুষের মানবিক অধিকারের পক্ষে সবসময় ছিলেন সোচ্চার। তাঁর সম্পাদিত সাহিত্যপত্র সমকাল বাংলা সাময়িকপত্রের ইতিহাসে অসাধারণ উচ্চতর স্থান অধিকার করে আছে।
একক বক্তা আসাদ চৌধুরী বলেন, সিকান্দার আবু জাফরের গল্প, উপন্যাস এবং প্রবন্ধ-নিবন্ধ, সম্পাদকীয় সর্বত্রই বাংলাদেশ ও তার শোষিত-বঞ্চিত মানুষের মুক্তি, মানবতার জয়গান বাক্সময় হয়ে উঠেছিল। একই সঙ্গে তিনি ছিলেন জাতীয়তাবাদী এবং আন্তর্জাতিকতাবাদী। তাই সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুক্তিকামী মানুষের সপক্ষে সোচ্চার ছিল তাঁর ক্ষুরধার কলম। তাঁর সম্পাদিত সাহিত্য পত্রিকা সমকাল-এর সম্পাদকীয় নিবন্ধেও আমরা একজন প্রগতিশীল মানবতাবাদী লেখকের কণ্ঠস্বর শুনতে পাই। এই পত্রিকায় প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তিনি বাঙালি জাতিসত্তার অনূকুলে লিখিত গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ প্রকাশ করেছেন অসম সাহসিকতায়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রচিত তাঁর বিখ্যাত কবিতা সংকলিত হয়েছিল ‘বাঙলা ছাড়ো’ কাব্যগ্রন্থে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ