ঢাকা, শুক্রবার 14 June 2019, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১০ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

ভয়াবহ ভাঙনে ৭ পরিবারের ঘরবাড়ি যমুনা গর্ভে

বেলকুচি সংবাদদাতা : সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে খাজা ইউনূস আলী (রা.) মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল হইতে কৈজুরী পর্যন্ত কমপক্ষে পাঁচ কিলোমিটার জুড়ে যমুনা নদীর পশ্চিম পাড়ে আরকান্দি ও ব্রাহ্মণগ্রামে আবারও  ব্যাপক হারে ভাঙন শুরু হয়েছে। বিগত তিন বছর ধরে ভাঙ্গন চলছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দীর্ঘদিন অভিযোগ করার পর ব্রাহ্মণগ্রামে মাত্র ৩০০ মিটার যমুনার তীর মেরামত করে কাজ সমাপ্ত করে । কিন্তু তার দক্ষিণে আরকান্দি গ্রামে ঈদের দিন সকালে প্রায় পাঁচ বিঘা ফসলী জমি ও বসত ভিটার ৭ পরিবারে ৯টি ঘড় নদী গর্ভে বিলীন হয়। যমুনার ক্ষ্যাপাটে আচরণে অনুতপ্ত হয়ে এক উদ্যমী যুবক ইসমাইল হোসেন এলাকাবাসীর সহায়তায় ব্যাক্তিগত উদ্যোগে বাশের তৈরি ছটকা দিয়ে নদী ভাঙন ঠেকাতে চেষ্টা করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে প্রকল্পটি প্রায় শেষ হতে চলেছে। তার এ মহত উদ্যোগকে সবাই স্বাগত জানিয়েছেন। নতুন করে প্রাণপণে বাচার আকুতি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তারা পানি উন্নয়ন বোর্ডকে বারবার দোষারোপ করে আসছেন। সরকারী প্রকল্প আসতে কেন এত সময় ব্যয় করা হচ্ছে? জানতে চেয়েছেন এলাকাবাসী  অপরদিকে নদীতে ছটকা দিয়ে সুনাম অর্জন করায় ইসমাইল হোসেন বলেন, যমুনা ভাঙন রক্ষায় আমার বাশের তৈরি ছটকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমি মেশিন দ্বারা পাইলিং করে ছটকা স্থাপন করেছি। সহজেই নদীতে বিলীন হবে না, আমার বিশ্বাস কিছুটা হলেও নদী ভাঙন রোধ করবে এবং যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগ নেতা জনাব জিন্নাহ্ সরকার, সোহেল মূহুরী, মুজাম, বারেক, জয়নাল প্রমুখ। এলাকাবাসী এনায়েতপুর হইতে কৈজুরী পর্যন্ত কমপক্ষে পাঁচ কিলোমিটার একটি স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করে যমুনা ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ