ঢাকা, সোমবার 14 October 2019, ২৯ আশ্বিন ১৪২৬, ১৪ সফর ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

ট্যাংকারে হামলায় যুক্তরাষ্ট্র জড়িত থাকতে পারে: ইরান

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: ওমান সাগরে দু'টি ট্যাংকারে নাশকতায় যুক্তরাষ্ট্র জড়িত থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সংসদ স্পিকার আলী লারিজানি। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে চায়।

রবিবার সংসদে লারিজানি বলেন, ‘হামলা চালিয়ে অন্যের ওপর দোষ চাপানোর রেকর্ড রয়েছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র এ ধরণের অনেক পদক্ষেপ নিয়েছে। বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র জাপানের কাছাকাছি এলাকায় নিজেদের জাহাজগুলোতে হামলা চালিয়ে এর দায় জাপানের ওপর চাপিয়ে দিয়েছিল যাতে জাপানের সঙ্গে তাদের শত্রুতাকে যৌক্তিক হিসেবে তুলে ধরা যায়।’

তিনি আরও বলেন, ওমান সাগরে বৃহস্পতিবারের ঘটনাও এ ধরণেরই একটি মার্কিন তৎপরতা হতে পারে।তিনি বলেন, ট্যাংকারে নাশকতার সঙ্গে আমেরিকা জড়িত থাকতে পারে।এর মাধ্যমে হয়তো তারা ইরানের ওপর চাপ আরো বাড়াতে চায়।

ইরানের সংসদ স্পিকার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন একটি বেহায়া রাজনৈতিক চক্রের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে যারা আগ-পিছ হিসাব না করে কথা বলেন।

এছাড়া লারিজানি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও'র সমালোচনা করেন।

অন্যদিকে এর আগে ওমান সাগরে দু'টি ট্যাংকারে হামলার ঘটনায় ইরানকে দায়ী করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর সৌদি আরবের পক্ষ থেকেও একই অভিযোগ উত্থাপন করা হয়।

উল্লেখ্য, ১৩ জুন সকালে ওমান উপসাগরে দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। ট্যাংকার দুটির একটি মার্শাল আইল্যান্ডের পতাকাবাহী ফ্রন্ট অ্যালটেয়ার এবং অপরটি পানামার পতাকাবাহী কোকুকা কারেজিয়াস। ফ্রন্ট অ্যালটেয়ার নরওয়ের মালিকানাধীন আর কোকুকা জাপানের মালিকানাধীন। বিস্ফোরণের পর দুই ট্যাংকার থেকে ৪৪ জন ক্রুকে উদ্ধার করে ইরানি কর্তৃপক্ষ। বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ জানা না গেলেও যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও সৌদি আরব এর জন্য ইরানকে দায়ী করছে। সূত্র: পার্স টুডে, রয়টার্স।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ