ঢাকা, সোমবার 24 June 2019, ১০ আষাঢ় ১৪২৬, ২০ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

বলের আঘাতে আহত হয়ে মাঠের বাইরে মিরাজ

স্পোর্টস রিপোর্টার : সেমিফাইনালে যেতে শেষ তিন ম্যাচেই জয় লক্ষ্য ধরে এগোচ্ছে বাংলাদেশ দল। আফগানিস্তানের বিপক্ষে আজ সোমবার জয় দিয়ে কঠিন পথ শুরু করতে চায় টাইগাররা। সাউদাম্পটনে তাই জোর প্রস্তুতি চলছে মাশরাফিদের। স্পিন এ ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলেই মনে করা হচ্ছে। ইনজুরিতেথাকা মোসাদ্দেকের তাই আফগানদের বিপক্ষে ফেরার সম্ভাবনা প্রবল। তবে বল হাতে স্পিনে মূল ভূমিকা রাখতে হবে সাকিব আল হাসান এবং মেহেদি মিরাজের। দলের অপরিহার্য সদস্য হিসেবে ইতিমধ্যেই নিজের অবস্থান পাকা করে নিয়েছেন অফ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ। শুধু বোলিংয়েই নয়, ব্যাট হাতেও মাঝে মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এছাড়া ফিল্ডিংয়ে তার মতো ত্বরিত ফিল্ডার খুব কমই পাওয়া যাবে দলের মধ্যে। সেই মেহেদী হাসান মিরাজ  হঠাৎই আহত হলেন মাথায় বলের আঘাতে। ব্যাটিং অনুশীলনের সময় সাব্বির রহমান রুম্মনের একটি শট থেকে গিয়ে বল লাগে মিরাজের মাথায়। বলের আঘাতে কিছুক্ষণ অচেতন হয়ে পড়েছিলেন তিনি। এরপর উঠে দাঁড়ান।যদিও আঘাত কতটা গুরুতর, এখন পর্যন্ত এ সম্পর্কে জানা যায়নি।

 শুধু অচেতন অবস্থা থেকে উঠে দাঁড়ানোর পর ফিজিও থিহান চন্দ্রমোহনের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন মেহেদী মিরাজ। ঘটনার সময় অবশ্য সাউদাম্পটনের রোজ বোল স্টেডিয়ামে মাঠের অপরপ্রান্তে ছিলেন মিরাজ। সেখানে তিনি একটি টিভির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে কথা বলছিলেন। মাঠের সেন্টার উইকেটে ব্যাটিং প্র্যাকটিস করছিলেন সাব্বির। এ সময় সাব্বির সজোরে একটি শট খেললে, সেটি এক ড্রপ দিয়ে গিয়ে আঘাত করে মিরাজের মাথায়। তার মাথায় বল লাগতেই বাংলাদেশ দলের অন্য ক্রিকেটাররা ছুটে যান তার কাছে। এরপরে তাকে  নিয়ে যাওয়া হয় ড্রেসিং রুমে। তাকে আপাতত রাখা হয়েছে পর্যবেক্ষণে। তাৎক্ষনিকভাবে আঘাত বড় মনে হলেও তা গুরুতর নয় বলেই জানা গেছে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চোটের কারণে খেলতে পারেননি মোসাদ্দেক হোসেন এবং সাইফউদ্দিন। তাদের জায়গায় সাব্বির রহমান এবং রুবেল হোসেনকে একাদশে নেওয়া হয়। 

কিন্তু অজিদের বিপক্ষে ভালো করতে পারেননি দু'জনের কেউ। মোসাদ্দেক-সাইফের অভাব তাই বেশ অনুভূত হয় টাইগার শিবিরে। মোসাদ্দেক অবশ্য চোট কাটিয়ে উঠেছেন। আফগানদের বিপক্ষে ম্যাচেই ফিরতে পারেন তিনি। তবে সাইফউদ্দিনকে নিয়ে এখনও কিছু নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ