ঢাকা, বৃহস্পতিবার 04 July 2019, ২০ আষাঢ় ১৪২৬, ৩০ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

এরশাদের অবস্থা উন্নতির দিকে

স্টাফ রিপোর্টার: তিন দিন ধরে সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত আছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জিএম কাদের)। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, পল্লীবন্ধুর ফুসফুস ও কিডনি কিছুটা উন্নতি করেছে। এই ধারা আরো ২/৩ দিন অব্যাহত থাকলে তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন।
গতকাল বুধবার বনানীতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে এসে এরশাদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানান জিএম কাদের। জিএম কাদের সাংবাদিকদের জানান, বেলা ১১টার দিকে তিনি সিএমএইচে গিয়ে চিকিৎসাধীন এরশাদের কাছে গিয়ে কথা বলেছেন, কপালে হাত দিয়েছেন। তখন এরশাদ চোখ মেলে তার কথা শুনেছেন।
সিএমএইচের চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে জিএম কাদের বলেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে রয়েছে। তার ফুসফুসে যে ইনফেকশন ছিল, সেটা কমে আসছে। নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক হয়ে আসছে। তার কিডনি জটিলতার কারণে প্রস্রাব হচ্ছিল না। তবে সেটার উন্নতি হয়েছে।
জি এম কাদের বলেন, সার্বিক বিবেচনায় চিকিৎসকরা এরশাদের শারীরিক অবস্থাকে ‘সন্তোষজনক’ বলছেন। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন বলে চিকিৎসকরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সামনে দুই-এক দিনের মধ্যে শারীরিক অবস্থা আরও ইমপ্রভ করবে বলে আমরা ধারণা করছি। তার অবস্থা আবার স্বাভাবিক হয়ে যেতে পারে। তিনি এরশাদের রোগ মুক্তির জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
এ সময় দলের মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ দেশবাসীর কাছে অনেক জনপ্রিয়। তার গ্রহণযোগ্যতা অতুলনীয়। তাই দেশবাসী সারাক্ষণ পল্লীবন্ধুর শারীরিক অবস্থার সবশেষ অবস্থা জানতে চান। এজন্য তিনি জাতীয় পার্টির প্রতিদিনের ব্রিফিং-এর বাইরের অন্যকোন সূত্র থেকে পাওয়া বিভ্রান্তিকর তথ্য এড়িয়ে চলতে অনুরোধ জানান গণমাধ্যম কর্মীদের।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সুনীল শুভরায়, মোঃ আজম খান, ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তাকুর রহমান মোস্তাক, যুগ্ম মহাসচিব হাসিবুল ইসলাম জয়, সম্পাদক মন্ডলী সদস্য মোঃ শামছুল হক, শাহজাহান মনছুর, এ্যাড, আহমেদ শফি রুবেল, এম.এ. রাজ্জাক খান উপস্থিত ছিলেন।
গত ২২ জুন বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কের বাসভবনে এরশাদ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত সিএমএইচে নেওয়া হয়। এই দফায় সিএমএইচে ভর্তি হলে এরশাদের ফুসফুস ও কিডনিতে সংক্রমন ধরা পড়ে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ