ঢাকা, মঙ্গলবার 23 July 2019, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৯ জিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

জামিনে মুক্তি পেলেন সাবেক এমপি রানা

ফাইল ছবি

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলায় সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেলেন।

জেলা কারাগারের সুপার আবুল বাশার জানান, হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগের কাগজপত্র পাওয়ার পর মঙ্গলবার সকালে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। বেশ কয়েকদিন আগে থেকে তিনি টাঙ্গাইল কারাগারে ছিলেন।

২২ মাস পলাতক থাকার পর আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইলের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। তখন আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

বিভিন্ন কারাগারে হাজতী থাকার পর মঙ্গলবার সকালে টাঙ্গাইল কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে টাঙ্গাইল ৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা ঢাকায় ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দেয়ার জন্য সরাসরি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। এরআগে টাঙ্গাইল কারাগার গেটে কঠোর নিরাপত্তা নেয়া হয়। পুলিশ ও কারারক্ষীরা কারাগারের আশে-পাশে কাউকে ভীড়তে দেয়নি। এদিকে সকালে থেকেই তার কর্মী-সমর্থকরা কারাগার গেটে ভীড় করতে থাকে। এ সময় কারারক্ষী ও পুলিশ তাদের দূরে সরিয়ে দেয়।

এর আগে, গত ১৪ মার্চ মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় হাইকোর্ট থেকে ৬ মাসের জামিন পান রানা। পরবর্তীতে সেটি বহাল রাখে আপিল বিভাগ। কিন্তু দুই যুবলীগ নেতা হত্যা মামলায় জামিন না পাওয়ায় মুক্তি পান নি।

উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগের টাঙ্গাইল জেলা কমিটির সদস্য ফারুক আহমেদকে ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের তৎকালীন এমপি আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আত্মসমর্পণ করলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

গত বছরের ৩ মে স্থানীয় দুই যুবলীগ নেতা শামীম ও মামুন হত্যা মামলাতেও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। টাঙ্গাইল সদরের বাঘিলের যুবলীগ নেতা শামীম ও মামুন ২০১২ সালের ১৬ জুলাই টাঙ্গাইল শহরে এসে নিখোঁজ হন। মামুনের বাবা এক বছর পর আদালতে হত্যা মামলা করেন। এই মামলার তিন আসামি আদালতে জবানবন্দি দিয়ে বলেন, সাংসদ আমানুরের নির্দেশে যুবলীগ নেতা শামীম ও মামুনকে হত্যা করে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়।

ডিএস/এএইচ

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ