ঢাকা, বুধবার 10 July 2019, ২৬ আষাঢ় ১৪২৬, ৬ জিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

এটিএম আজহারের আপিলে রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ

স্টাফ রিপোর্টার: মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদ-াদেশপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চে এটিএম আজহারের খালাস চেয়ে আপিলের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম তার যুক্তি উপস্থাপন শেষ করেন। তিনি গত দু’দিন রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন করেন।
আজ বুধবার এটিএম আজহারুল ইসলামের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তির জবাব দেবেন। যুক্তি উপস্থাপন শেষে আদালত মামলাটি রায়ের জন্য রাখবেন।
এর আগে গত ২ জুলাই এটিএম আজহারুল ইসলামের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শেষ হলে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম শুরু করেন।
যুক্তি উপস্থাপনকালে এটিএম আজহারুল ইসলামের আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ঘটনার প্রধান নায়ক ১৯৫ জন চিহ্নিত পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীকে বাদ দিয়ে সহযোগী হিসেবে বানোয়াট সাক্ষ্য দিয়ে এটিএম আজহারুল ইসলামকে তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য আসামী করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে যেসব সাক্ষী দেয়া হয়েছে তা বানোয়াট। সেফ হোমে রেখে এসব সাক্ষী তৈরি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এই ঘটনার প্রধান নায়ক বর্বর পাকিস্তান আর্মি। তাদের মধ্য থেকে ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধী হিসেবে তদন্তের মাধ্যমে সনাক্ত করা হয়েছিল। তাদেরকে ক্ষমা করে দিয়ে দীর্ঘদিন পর সহযোগী আসামী হিসেবে এই আসামীর বিচার ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।
১৮ জুন এটিএম আজহারুল ইসলামের আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়। আসামীপক্ষে অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড জয়নুল আবেদীন পেপারবুক উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে এ শুনানি শুরু হয়েছিলো।
এর আগে গত ১০ এপ্রিল শুনানির জন্য এ দিন ধার্য করেন আদালত।
২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আজহারকে মৃত্যুদ-াদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি ১১৩ যুক্তিতে আজহারকে নির্দোষ দাবি করে খালাস চেয়ে আপিল করেন তার আইনজীবীরা। আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় ৯০ পৃষ্ঠার মূল আপিলসহ ২৩৪০ পৃষ্ঠার আপিল দাখিল করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ