ঢাকা, বৃহস্পতিবার 18 July 2019, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৪ জিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় নিত্য যানজটে জনদুর্ভোগ চরমে

চট্টগ্রাম ব্যুরো : গত ২ সপ্তাহ যাবত প্রতিদিন চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় অস্বাভাবিক যানজট হচ্ছে। এর ফলে চট্টগ্রাম মহানগরীর আগ্রাবাদ থেকে পতেঙ্গা বিমানবন্দর পর্যন্ত যেতে ৩০ মিনিটের পথ ৩/৪ ঘন্টা লাগছে। বন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় আর্থিক কর্মকাণ্ড ও জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অতিবৃষ্টি, যানজট, জলজট ইত্যাদি কারণে যে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে তাতে ব্যবসায়ীগণ অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বিমানবন্দর থেকে মূল শহর পর্যন্ত মাত্র ১৬ কি.মি. রাস্তা পার হতে প্রায় ৪ ঘন্টা সময় লাগছে যারফলে অনেক বিদেশী ক্রেতা কার্যাদেশ না দিয়ে ফিরে যাচ্ছেন এবং বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুন্ন হচ্ছে।
সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় অসহনীয় যানজট, আমদানি ও রপ্তানি কন্টেইনার পরিবহন সংকটসহ সার্বিক পরিস্থিতির মাঠ পর্যায়ের সমস্যা চিহ্নিতকরণে এক সমন্বয় সভা দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম’র সভাপতিত্বে ১৭ জুলাই সকালে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় চেম্বার সহ-সভাপতি তরফদার মো. রুহুল আমিন, পরিচালকদ্বয় সৈয়দ জামাল আহমেদ ও অঞ্জন শেখর দাশ, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (ট্রাফিক) এনামুল করিম ও পরিচালক (নিরাপত্তা) লেঃ কর্নেল তানভীর আহাম্মদ জায়গীরদার, পিএসসি, বন্দর এলাকার সহকারী কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ মোশাররফ হোসেন, বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি এ.এম. চৌধুরী সেলিম ও পরিচালক খন্দকার বেলায়েত হোসেন, সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশন’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহমুদ ইমাম বিলু ও বন্দর বিষয়ক সম্পাদক লিয়াকত আলী হাওলাদার উপস্থিত ছিলেন।
 চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন-৭/৮ দিনের যানজট, বন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় আর্থিক কর্মকান্ড ও জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অতি বৃষ্টি, যানজট, জলজট ইত্যাদি কারণে যে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে তাতে ব্যবসায়ীগণ অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বিমানবন্দর থেকে মূল শহর পর্যন্ত মাত্র ১৬ কি.মি. রাস্তা পার হতে প্রায় ৪ ঘন্টা সময় লাগছে যারফলে অনেক বিদেশী ক্রেতা কার্যাদেশ না দিয়ে ফিরে যাচ্ছেন এবং বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। এ ধরণের পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ এবং ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বিবেচনায় নগরীর উপর চাপ কমিয়ে বন্দরের গতিশীলতা বজায় রাখতে অতি সত্ত্বর বে-টার্মিনাল এলাকায় ডেলিভারী ইয়ার্ড ও ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণ ফাস্টট্র্যাক প্রকল্প হিসেবে অনতিবিলম্বে বাস্তবায়নের দাবী জানান চেম্বার সভাপতি। অন্যথায় সরকারের লক্ষ্য অর্জনে চরম চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।
 চেম্বার সহ-সভাপতি তরফদার মোঃ রুহুল আমিন বলেন-স্বাভাবিক সময়ে ৩ হাজার টিইইউএস কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করা হলেও এ সময়ে তা ১৫শ এর নীচে নেমে আসে। তিনি ফ্লাইওভার নির্মাণ কাজের জন্য যানজট সৃষ্টি হচ্ছে উল্লেখ করে অতি দ্রুত অর্থনীতির লাইফলাইনখ্যাত অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ এই সড়কের বিকল্প ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানান। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনানুযায়ী বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক স্কেনার মেশিন স্থাপন করা হলে হ্যান্ডলিং কার্যক্রম আরও অনেক গতিশীল হবে বলে তিনি জানান। চেম্বার পরিচালক অঞ্জন শেখর দাশ বলেন-প্রায় আড়াই লক্ষ শ্রমিক ইপিজেডে কর্মরত রয়েছে যাদেরকে যানজটের কারণে অসহনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এছাড়া সময়মত কর্মস্থলে পৌঁছতে না পারার কারণে শিল্পোৎপাদন ব্যাহত হয়।
 চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (ট্রাফিক) এনামুল করিম বলেন-বন্দর ও কাস্টমস’র মাধ্যমে অর্জিত রাজস্ব আয় ০.৬ বিলিয়ন ডলার। আমাদেরকে ৬০ বিলিয়ন ডলার বাণিজ্যের কথা মাথায় রেখে নিরলসভাবে কাজ করতে হবে। দেশের স্বার্থে ব্যবসা-বাণিজ্য যাতে কোন মতেই বাধাগ্রস্ত না হয় সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে সবাইকে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করা উচিত।
 চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (নিরাপত্তা) লেঃ কর্নেল তানভীর আহাম্মদ জায়গীরদার বলেন-দেশের অর্থনীতির স্বার্থে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনামতে বন্দর সর্বদা সার্ভিস দেয়ার জন্য প্রস্তুত। অন্য সকল স্টেকহোল্ডারদেরকেও স্ব-স্ব অবস্থান থেকে একই ভাবে এগিয়ে আসার আহবান জানান। বন্দরের সুনাম ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে আইএসপিএস কোড অনুযায়ী সার্বিক নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তিনি বন্দরে প্রবেশকারী ড্রাইভারদের স্মার্ট কার্ড বিতরণের জন্য বন্দর গেইটের পরিবর্তে পৃথক ব্যবস্থা করে  নির্দিষ্ট দিন ও স্থান সবাইকে জানানো হবে বলে জানান। বন্দর এলাকার সহকারী কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ মোশাররফ হোসেন এ যানজটের কারণ বর্ণনা করতে গিয়ে জলাবদ্ধতা, পরিকল্পিত উপায়ে সমস্ত ধরণের প্রকল্প ও সংস্কার কাজ করার প্রতি গুরুত্বারোপ করে বিস্তারিত বর্ণনা দেন। বিশেষ করে বারিক বিল্ডিং থেকে এয়োরপোর্ট পর্যন্ত একমাত্র রাস্তার উপরে নির্মাণাধীন ফ্লাইওভারের কাজ চলায় বিকল্প সড়ক হিসেবে কাটগড়, র‌্যাব-৭ সংলগ্ন এলাকা, ইপিজেড, হালিশহর-বড়পোল ও জহুর আহমদ স্টেডিয়াম সংলগ্ন সংযোগ সড়কসহ রিং রোডের কাজ দ্রুত শেষ করা, বিদ্যমান সড়কের সম্প্রসারণের মাধ্যমে যানজট নিরসন সম্ভব বলে মনে করেন। এছাড়াও সিডিউল অনুযায়ী ক্রম অনুসারে ট্রাক, প্রাইম মুভার বন্দরে প্রবেশের ব্যবস্থা গ্রহণ করলে সড়কে কোন খালি গাড়ি অপেক্ষমাণ থাকতে হবে না যাতে যানজটের হার অনেকাংশে হ্রাস পাবে।
 বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি এ.এম. চৌধুরী সেলিম বলেন- বর্তমান অর্থনীতি বিনষ্ট করে কখনো ভবিষ্যৎ অর্থনীতির ভিত রচনা করা সম্ভব হয় না। শত প্রতিকূলতার মাঝেও আরএমজি রপ্তানি খাতে ১১% প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে যা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার কথা ছিল। এ ধারা অব্যাহত রাখতে রপ্তানি কার্যক্রম আরও নির্বিঘœ করতে হবে। তিনি সার্বক্ষণিকভাবে বন্দর ও কাস্টমস’র কার্যক্রম চালু রাখার দাবী জানান। এছাড়াও বন্দর এলাকায় বিগত ৭/৮ দিনে স্মরণকালের তীব্র যানজটে সৃষ্ট অচলাবস্থার নেপথ্যে কোন দুরভিসন্ধি আছে কিনা তা খতিয়ে দেখার আহবান জানান। বিজিএমইএ’র পরিচালক খন্দকার বেলায়েত হোসেন বলেন-এ সেক্টরে লীড টাইম ঠিক রাখা ব্যতীত টিকে থাকা খুবই দুরূহ ব্যাপার তা সবাইকে উপলব্ধি করতে হবে। সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনর’ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহমুদ ইমাম বিলু স্ক্যানার মেশিন অপারেটরদের যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার উপর গুরুত্বারোপ করেন। বন্দর বিষয়ক সম্পাদক লিয়াকত আলী হাওলাদার পতেঙ্গা এলাকায় ৭-৮টি অফডক’র অবস্থান যানজটের অন্যতম কারণ উল্লেখ করে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন। সভায় সার্বিক পরিস্থিতির উন্নয়নে সংশ্লিষ্টদের সাথে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে বন্দরের কার্যক্রম গতিশীল করতে পার্ট ডেলিভারী সিস্টেম চালু করার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এছাড়া যানজট নিরসনে রাত ৮.০০ টার পর থেকে ভোর ৫.০০ টা পর্যন্ত সড়ক মেরামতের কাজ করার জন্য সিটি কর্পোরেশন’র প্রতি আহবান জানানো হয়। বন্দরের পরিচালকদ্বয় এনসিটি ৩নং গেইট ভোর ৬.০০ টা থেকে চালু করা, পরিবহন প্রবেশের ক্ষেত্রে একাধিক লেইন খোলা রাখা, সিপিআর গেইট দিয়ে স্ক্র্যাপ বহনকারী গাড়ী প্রবেশ ও বাহির হওয়া নিশ্চিত করা হবে বলে সভায় অবহিত করেন। অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের পক্ষ থেকে জাহাজ আসার আগে অর্থাৎ এসাইনমেন্ট ছাড়া কোন গাড়ীকে বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় থাকতে না দেয়া এবং প্রতিদিন বন্দর থেকে সমান সংখ্যক কন্টেইনার ডেলিভারীর ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানানো হয়। এছাড়া বন্দর অভ্যন্তরে কোন ট্রাক/ট্রলি প্রয়োজনের অতিরিক্ত সময় অবস্থান করতে না দেয়া, ট্রাক/ট্রলি ড্রাইভারদের কন্টেইনার অবস্থান সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদান, বন্দর এলাকায় রাস্তার উপরে ও ফুটপাতে কোন ধরণের দোকানপাট করতে না দেয়া, এলসিএল কন্টেইনারের পণ্যসমূহ বন্দর অভ্যন্তরে না খোলা, কর্তৃপক্ষের কাছে বন্দরে প্রবেশমূখী গাড়ীর নং ও ড্রাইভারের বৃত্তান্ত যথাসময়ে দাখিল করা, ফুটওভার ব্রীজ ব্যবহার নিশ্চিত করা, রেল চলাচলে শৃঙ্খলা আনয়ন, এয়ারপোর্ট রোড, পোর্ট কানেক্টিং রোড ও আগ্রাবাদ এক্সেস রোড-সহ সংস্কারাধীন রাস্তাসমূহের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়। এসব প্রস্তাবনা যথাসময়ে বাস্তবায়নের মাধ্যমে বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় যানজট নিরসন করা সম্ভব হবে বলে সভায় আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। সভা শেষে চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বাংলাদেশের প্রবেশদ্বার চট্টগ্রাম বন্দর এলাকাসহ নগরীতে বর্ণিত সমস্যার আলোকে ভবিষ্যতে এ ধরণের অচলাবস্থার রোধকল্পে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রস্তাবনা প্রেরণের লক্ষ্যে সিটি কর্পোরেশন, চউক, বন্দর, কাস্টমস, বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহের প্রধানদের নিয়ে অতি শীঘ্রই একটি সমন্বয় সভা আয়োজন করা হবে বলে জানান।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির সভাপতি  খলিলুর রহমান এক বিবৃতিতে বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরমূখী সড়কে তীব্র যানজটের কারনে আমদানী রপ্তানী পন্য পরিবহনে ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে আমদানীকৃত পণ্য যথাসময়ে শিল্পাঞ্চলে না পৌছাতে পারলে উৎপাদন ব্যাহত হবে। অন্যদিকে রপ্তানীযোগ্য পণ্য বিশেষ করে গার্মেন্টস্ শিল্পের কন্টেইনার নির্ধারিত সময়ে জাহাজীকরণ সম্ভব না হলে বিদেশী ক্রেতা অর্ডার বাতিল করতে পারে। উভয় ক্ষেত্রেই দীর্ঘ যানজটের কারনে বন্দরমূখী পণ্য যাওয়া এবং বন্দর থেকে খাসালকৃত পণ্য অফডক কিংবা শিল্পাঞ্চলে চলাচল ব্যাহত হলে আমদানী রপ্তানী বাণিজ্য বড় ক্ষতির সম্মুখীন হবে।এ ছাড়া যানজটের কারনে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তজার্তিক বিমানবন্দরের যাএী নির্ধারিত সময়ে ফ্লাইট ধরতে ব্যর্থ হচেছ।অন্যদিকে নিত্য প্রয়োজনীয় আমদানী পণ্য বাজারে না পৌছতে পারলে ক্রয় মূল্য বৃদ্ধির কারনে সাধারন মানুষের জীবন যাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। উল্লেখ্য ইদানীং সৃষ্ট বৈরী আবহাওয়া, অতি বর্ষনে রাস্তায় জলবদ্ধতা, সিটি কর্পেরেশন, ওয়াসা কর্তৃক সড়ক উন্নয়নে রাস্তা খোঁড়াখুড়ির কারনে সড়কের  বিভিন্ন জায়গায় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। যার কারনে বন্দর সম্মুখস্থ রাস্তা বারিক বিল্ডিং থেকে সিমেন্ট ক্রসিং পর্যন্ত প্রায় অর্ধেক হয়ে গেছে। ফলে চট্টগ্রাম বন্দর সংলগ্ন রাস্তায় সকল সময় মারাত্মক যানজট লেগে থাকে। যার দরুন ১৫ মিনিটের রাস্তা পৌছতে ৩ / ৪ ঘন্টা সময় লেগে যায়।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির সভাপতি  খলিলুর রহমান গত বৃহস্পতিবার   বিবৃতিতে  রাস্তার উন্নয়ন কর্মকান্ডে জড়িত ওয়াসা, সিটি কর্পোরেশন এবং সিডিএ সহ সকল বিভাগকে অনুরোধ করেন যে, তারা যেন এ বৈরী আবহাওয়ার জুলাই মাসে রাস্তা খোঁড়াখুড়ি বন্ধ করে সৃষ্ট গর্ত সমূহ ভরাট করে বন্দরমূখী যানবাহন চলাচলে সহায়তা করেন।
তিনি বলেন,এছাড়া বন্দর জট কমানোর জন্য দিবা রাত্রি বন্দর থেকে কন্টেইনার ডেলিভারী ব্যবস্থার জন্য প্রধানমন্ত্রীর ২৪/৭ নির্দেশনা অনুসরনে আগ্রাবাদস্থ সকল ব্যাংক যাতে শুক্র ও শনিবার সহ অন্যদিন খোলা রাখেন এবং চট্টগ্রাম বন্দর, কাস্টম, সকল শিপিং কোম্পানী, সকল ফরওয়ার্ডার যাতে ২৪/৭  নির্দেশনা বাস্তবায়নে কাজ করেন তাহলেই বন্দর ও রাস্তার জট কমে আসবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ