ঢাকা, বৃহস্পতিবার 18 July 2019, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৪ জিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

বর্ণিল কৃতিত্বে ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজ

ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের শিক্ষার্থীদের উল্লাস

শতভাগ পাসসহ ২৯৭ A+ পেয়ে অধুনা প্রতিষ্ঠিত যাত্রাবাড়ীর ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজ বর্ণিল কৃতিত্বের ধারায় আবারও গৌরবোজ্জ্বল ফল অর্জন করলো। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আনন্দ উচ্ছ্বাসে প্রতিষ্ঠান চঞ্চল হয়ে উঠেছে। হাসি, গান ও নৃত্যের ভঙ্গিতে আজ উৎসবমুখর ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজ। ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজ আজ সবাই অবাক হয়ে দেখছে। প্রতিষ্ঠানের ঐঝঈ পরীক্ষায় অবতীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংখ্যা ১৩২৩। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ২৫২, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ৪০ ও মানবিক বিভাগ থেকে ৫ জন জি.পি.এ-৫ পেয়েছে।
ফল প্রকাশোত্তর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা বলেন, দেশের খুব কম কলেজেই সন্তোষজনক ফল অর্জিত হয়েছে। সেই তুলনায় এই প্রতিষ্ঠানের অর্জন অসাধারণ। আমরা ২৯৭ A+ সহ শতভাগ উত্তীর্ণ। আমি সকল শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অন্তরের অন্ত্যস্থল থেকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। অধ্যক্ষ জনাব মোঃ ওবায়দুল্লাহ বলেন, শতভাগ পাশ এবং ২৯৭ A+ প্রাপ্তিতে আমরা আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের আমার অভিনন্দন। ড. মাহবুুবুর রহমান মোল্লা কলেজের গৌরবোজ্জ্বল ফলে মুগ্ধ হয়েছেন ঢাকা ৫ আসনের সাংসদ বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান মোল্লা। তিনি এ প্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর উন্নতি কামনা করেন। প্রতিষ্ঠানের A+ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান উচ্ছ্বাস ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেছে, আজকের এই প্রাপ্তি আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন। প্রত্যাশা পূরণ হওয়ায় আমি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষকবৃন্দ ও বাবা-মায়ের প্রতি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। কলেজই আমার ভবিষ্যতকে সম্ভাবনাময় করে তুলেছে।
ড. মাহবুবর রহমান মোল্লা কলেজ ২০১০ প্রতিষ্ঠিত হলেও ধারাবাহিক সাফল্যে দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কলেজে ইতোমধ্যে পরিণত হয়েছে। ২০১৪ সালে সাফল্যের ধারায় ঐঝঈতে অষ্টম স্থান অধিকার করেছে। দেশের খ্যাতনামা সরকারি ও পাবলিক উচ্চশিক্ষার অঙ্গনে এরইমধ্যে এই প্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করার  সৌভাগ্য লাভ করেছে। ২০১৭ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে বুয়েট, চুয়েট ও রুয়েটে ১৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সৌভাগ্য অর্জন করে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ সহ দেশের অন্যান্য সরকারি মেডিকেলে ভর্তি হতে পেরেছে ৪ জন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ দেশের স্বনামখ্যাত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও টেক্সাটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬১ জন অধ্যয়নের সুযোগ পেয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ