ঢাকা, বৃহস্পতিবার 18 July 2019, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৪ জিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

ঝিনাইগাতীর বাসে গৃহবধূ ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে হেলপার গ্রেফতার

ঝিনাইগাতী (শেরপুর) সংবাদদাতা : শেরপুরের ঝিনাইগাতীর বাসে গৃহবধূ ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে জুলহাস (২০) নামে এক হেলপারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে জুলহাসকে গ্রেফতার করা হয়। জুলহাস শেরপুর সদর উপজেলার তাতালাপুর গ্রামের উসমান আলীর ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়,গত ৯জুলাই রাতে মমিন পাগলের দোয়া বাস নং মেট্রো-ব-১২-০৪২১ গাড়িতে করে হামিদা খাতুন নামে এক গৃহবধূ গাজীপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। বাস ছাড়ার পর থেকেই ওই বাসের ড্রাইভার ও হেলপাররা গৃহবধূ হামিদাকে উক্তত্য করতে থাকে। এক পর্যায়ে রাতে বাসের যাত্রীরা ঘুমিয়ে পরে। এ সময় হেলপাররা হামিদাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। কিন্তু হামিদা নানা কৌশলে ধর্ষণের হাত থেকে রক্ষা পেলেও শ্লীলতাহানীর হাত থেকে রক্ষা পায়নি। পরে এ অবস্থায় রাত ৩টার দিকে গাজীপুর গড়গড়ীয়া মাস্টার বাড়ীতে হামিদা নেমে যায়। জানা যায়, গার্মেন্টস কর্মী হামিদা স্বামীসহ মাস্টার বাড়ীতে থাকে। হামিদার স্বামী খলিলুর রহমান ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের ভারুয়া গ্রামের বাসিন্দা। গত ৮ জুলাই হামিদা তার স্বামীকে রেখে নিজ এলাকায় আসে ভোটার তালিকায় তার নাম অর্ন্তরভূক্তি করনের উদ্দেশ্যে। ভোটার তালিকার কাজ সেরে ৯জুলাই রাত ১১টায় তার শশুর কলিম উদ্দিন ওই গাড়ীতে উঠিয়ে দেন। এ ঘটনায় গৃহবধূ হামিদার অভিযোগের প্রেক্ষিতে শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) বিল্লাল হোসেনের হস্থক্ষেপে মঙ্গলবার রাতে ওই হেলপারকে গ্রেফতার ও বাসটি থানায় নিয়ে আসা হয়। ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক বলেন,এ ব্যাপারে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বাসটি আটক করা হয়েছে । বুধবার বিকালে আটককৃত আসামী জুলহাসকে আদালতে সোর্পদ করা হলে আদালত তাকে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিল্লাল হোসেন বলেন, অন্য আসামীদের গ্রেফতারের বিষয়ে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ