ঢাকা, শুক্রবার 19 July 2019, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৫ জিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

সিলেট এমসি কলেজে ছাত্রলীগের  দু’পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া 

 

সিলেট ব্যুরো : সিলেট এমসি কলেজে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে ছাত্রলীগের দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে কলেজ ক্যাম্পাসে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও কেউ হতাহত হয়নি। জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় চৌধুরী ও ছাত্রলীগ নেতা সৌরভ দাসের অনুসারীদের মধ্যে এ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, কলেজ ক্যাম্পাস এবং হোস্টেলে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গত কিছুদিন ধরে সঞ্জয় চৌধুরী ও সৌরভ দাসের অনুসারীদের মধ্যে ঝামেলা চলছিল। বৃহস্পতিবার দু’পক্ষই কলেজে আসলে ধাওয়া-ধাওয়ি হয়। এতে কলেজ ক্যাম্পাসে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এসময় সৌরভ দাসের অনুসারীদের পক্ষে সিলেট সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরাও যোগ দেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ব্যপারে শাহপরাণ থানার ওসি আব্দুল কাইয়ুম বলেন- এমসি কলেজে ছাত্রলীগের দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

জোড়া খুনের মামলায়

একজনের মৃত্যুদন্ড

সিলেটের গোলাপগঞ্জে জোড়া খুনের মামলার রায়ে একজনের মৃত্যুদ- আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের  বিচারক মো. আমিনুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন।

মৃত্যদন্ডপ্রাপ্ত কামরুল ইসলাম গোলাপগঞ্জ উপজেলার মেহেরপুর গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে। এছাড়া একই গ্রামের মুহিবুর রহমানের ছেলে রানু মিয়াকে তিন বছেরর সাজা দিয়েছেন আদালত। তবে রানু মিয়া সাজার চেয়ে বেশি মেয়াদে হাজতবাস করায় তাকে ওই মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। কামরুলকে মৃত্যুদন্ডের সাথে ১০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। মামলার অপর দুই আসামী মনোয়ারা বেগম এবং আয়েশা আক্তারকে বেকসুর খালাস খালাস দিয়েছেন বিচারক।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গোলাপগঞ্জের মেহেরপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মুহিব আলীর ছেলে রুবেল আহমেদ ও ছানু মিয়ার উপর হামলা চালায় আসামিরা। গুরুতর আহত হয়ে সিলেটে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রুবেল ও ছানু। ঘটনার দুই দিন পর নিহতদের বোন নাজিরা বেগম চারজনকে আসামি করে গোলাপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।  তদন্ত শেষে পুলিশ ওই বছরের ২০ জুন আদালতে চার্জশীট দাখিল করে। 

হ্যানিম্যান হোমিও সোসাইটি 

থেকে ১১ জনের পদত্যাগ

হ্যানিম্যান হোমিও সোসাইটি থেকে দুই উপদেষ্টা, তিন সহ-সভাপতিসহ ১১ জন পদত্যাগ করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার এক পদত্যাগপত্রে কারণ হিসেবে তারা উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন থেকে সভাপতির ব্যক্তিকেন্দ্রিক সংগঠন পরিচালনা, প্রশ্নবিদ্ধ কার্যক্রম, মেয়াদহীন কমিটি পুনর্গঠন না করা এবং কমিটির সদস্যদের মূল্যায়ন না করা। এছাড়া সংগঠনের রেজিস্টেশনের ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় সদস্যদের ব্যক্তি ইমেজ প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে বলে তারা মনে করেন। 

পদত্যাগকারীরা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি ডা. আবুল হাসান চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি ডা. মো. শফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি ডা. মো. লবিবুর রহমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. আবুল হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক ডা. এম এম আর জাহিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. এমকে খান, উপদেষ্টা ডা. এমএন আলী, মহিলা সম্পাদিকা ডা. আসমা বেগম, সহ-মহিলা সম্পাদিকা ডা. নাজমা বেগম, দপ্তর সম্পাদক ডা. বুশরাতুত তানিয়া, উপদেষ্টা ডা. নুরুন নাহার মজুমদার।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ