ঢাকা, রোববার 21 July 2019, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৭ জিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হযরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

মুহাম্মাদ আখতারুজ্জামান : বিমানবন্দর অবতরণ ও উড্ডয়ন যান - বিমান, হেলিকপ্টার এবং অন্যান্য আকাশ যানের ক্ষেত্রস্থল হিসেবে পরিচিত। এটি বিমানবহর সংরক্ষণ, মেরামতের স্থান হিসেবেও ব্যবহার করা হয়ে থাকে। শুধুমাত্র একটি অতি প্রয়োজনীয় বিষয় হিসেবে বিমানের অবতরণ ও অবস্থানের জন্য রানওয়ে কিংবা বৃহৎ আকৃতির জলাশয় নির্মাণের মাধ্যমেই বিমানবন্দর গড়ে ওঠা সম্ভব। এছাড়াও সহায়ক স্থাপনা হিসেবে রয়েছে প্রয়োজনীয় দালান-কোঠা, কন্ট্রোল টাওয়ার এবং টার্মিনাল ভবন। বাংলাদেশের প্রধান বিমানবন্দরটি হলো হযরত শাহ্‌জালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। যার পুরানো নাম জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। রাজধানীর কুর্মিটোলায় অবস্থিত এটি বাংলাদেশের প্রধান এবং সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। বিমানবন্দরটি ১৯৮০ সালে এর কার্যক্রম শুরু করে। এর পূর্বে বাংলাদেশের একমাত্র আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছিল তেজগাঁও বিমানবন্দর। এটি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, রিজেন্ট এয়ারওয়েজ, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ-সহ বাংলাদেশের সকল এয়ার লাইন্সগুলোর হোম বেস।
বিমানবন্দর কী: বিমানবন্দর অবতরণ ও উড্ডয়ন যান - বিমান, হেলিকপ্টার এবং অন্যান্য আকাশ যানের ক্ষেত্রস্থল হিসেবে পরিচিত। বৃহৎ আকারের বিমানবন্দরগুলোয় ফিক্সড বেস অপারেটর সার্ভিস, জলের উপর থেকে উঠা-নামার বিমান বা সীপ্লেন ও মেরামত কারখানা এবং র‍াম্প, এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল, বিমানযাত্রীদের সুবিধার্থে রেস্তোরাঁ ও লাউঞ্জ বা বিশ্রামাগার, জরুরী সেবা প্রভৃতি সুবিধাদি থাকে। প্রায় প্রত্যেক দেশেই আকাশসীমা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকে বিশেষ একটি বাহিনী যা বিমানবাহিনী নামে পরিচিত। সামরিক বাহিনীর জন্য নির্ধারিত বিমানবন্দরটি এয়ারবেজ বা বিমানঘাঁটি কিংবা এয়ার স্টেশন নামে পরিচিত। কতকগুলো পরস্পর নির্ভরশীল উপাদানের উপর বিমানবন্দরের স্থান নির্বাচন নির্ভর করে। সমতল ভূমি, আশেপাশের বিমান উঠা-নামায় কোনরূপ প্রতিবন্ধকতা না থাকা এবং জনবসতি অঞ্চলের সাথে যোগাযোগ প্রভৃতি নিয়মকে জলবায়ুর সরাসরি সম্পর্ক নেই। তবে, সমতল ভূমি এবং প্রতিবন্ধকতার সাথে বাতাস ও দৃষ্টিগোচরতার সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে।
বিমানবন্দর শব্দের পরিভাষা হিসেবে এ্যারোড্রোম, বিমানঘাঁটি এবং এয়ারস্ট্রিপকেও নির্দেশ করা হয়। সাধারণ অর্থে এয়ারপোর্ট এবং এ্যারোড্রোম একে-অপরের সমার্থক। কিন্তু বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণের বিষয়ে এয়ারপোর্ট যে মর্যাদা পায়, তা এ্যারোড্রোমের ক্ষেত্রে অনুপস্থিত। আইন মোতাবেক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ক্ষেত্রে বৈধ পন্থায়, আন্তর্জাতিক সনদগ্রহণ এবং নিবন্ধিত হতে হয়। কিন্তু এ্যারোড্রোমের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র জাতীয় বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সভায় নির্দিষ্ট শর্তাবলীর আলোকে বা নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তক্রমে অভ্যন্তরীণভাবে বিমান চলাচলের অনুমতি প্রদান করা হয়ে থাকে। বলা হয়ে থাকে যে - সকল এয়ারপোর্ট বা বিমানবন্দরই এ্যারোড্রোম বা বিমানঘাঁটি; কিন্তু সকল এ্যারোড্রোম বা বিমানঘাঁটিই এয়ারপোর্ট বা বিমানবন্দর নয়। উভয়ের মধ্যে কর্তৃত্বের বিষয়ে তেমন পার্থক্য না থাকলেও বিমানঘাঁটি মূলতঃ বাণিজ্যধর্মী কর্মকাণ্ডেই ব্যবহৃত হয়।
অবকাঠামো: বিমানবন্দরের প্রাথমিক অবকাঠামো হিসেবে রানওয়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্ষুদ্রতম অথবা স্বল্পোন্নত বিমানবন্দরের যেগুলো বিরাট গুরুত্ব বহন করে সেগুলো প্রায় ১০০০ মিটার (৩,৩০০ ফুট) বা এর কম হয়ে থাকে। কিন্তু, বৃহত্তর বিমানবন্দরগুলোয় বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে রানওয়ের দৈর্ঘ্য সচরাচর ২০০০ মিটারের (৬,৬০০ ফুট) বা তার বেশি হয়ে থাকে। অনেক ক্ষুদ্রাকারের বিমানবন্দরগুলোর রানওয়ে আলকাতরার মত কালো পদার্থবিশেষ দিয়ে তৈরী অ্যাস্ফ্যাল্ট অথবা কংক্রিটের পাশাপাশি ঘাস অথবা ময়লা-আবর্জনা, নুড়ি-পাথর ইত্যাদি লক্ষ্য করা যায়। বিমান অবতরণের ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিমানবন্দর নির্মাণে সর্বনি¤œ শর্ত হিসেবে শুষ্ক ও শক্ত ভূমিতে রানওয়ে নির্মাণ করা হয়। মূলত ভারী বিমান অবতরণের জন্যই বৃহৎ আকৃতির রানওয়ে নির্মাণের প্রয়োজন পড়ে। ২০০৯ সালের তথ্য মোতাবেক সিআইএ দাবী করেছে যে, বিশ্বব্যাপী প্রায় চুয়াল্লিশ হাজার বিমানবন্দর কিংবা বিমানঘাঁটি আকাশ থেকে সনাক্ত করা গেছে। তন্মধ্যে একমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই রয়েছে ১৫,০৯৫টি বিমানবন্দর। সংখ্যার দিক থেকে তা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশী।
হজরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইতিহাস: ১৯৪১ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সরকার তেজগাঁও থেকে কয়েক কিলোমিটার উত্তরে কুর্মিটোলায় উড়োজাহাজ নামার জন্য একটি রানওয়ে তৈরি করে। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান গঠনের পর তেজগাঁও বিমানবন্দরটি পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম বিমানবন্দর হয়ে ওঠে। ১৯৬৬ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের সরকার কুর্মিটোলার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে  নতুন বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য একটি প্রকল্প গ্রহণ করে এবং ফরাসি বিশেষজ্ঞদের মতে টার্মিনাল নির্মাণ এবং রানওয়ে নির্মাণের জন্য টেন্ডার চালু করা হয়। নির্মাণ সামগ্রী পরিবহন জন্য একটি রেল স্টেশন (বর্তমান এয়ারপোর্ট রেলওয় স্টেশন) নির্মিত হয়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় বিমানবন্দরটি অর্ধেক সম্পন্ন অবস্থায় ছিল। কিন্তু যুদ্ধের সময় বিমানবন্দরে গুরুতর ক্ষতি সাধিত হয়। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ সরকার পরিত্যক্ত কাজ পুনরায় চালু করে এবং এটিকে দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসাবে নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। মূল রানওয়ে এবং কেন্দ্রীয় অংশটি খোলার মাধ্যমে ১৯৮০ সালে এয়ারপোর্টটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিমানবন্দরটির শুভ উদ্বোধন করেন। রাজনৈতিক কারণে আরও তিন বছর লাগে এটি সম্পন্ন হতে। অবশেষে ১৯৮৩ সালে  রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসাবে বিমানবন্দরের উদ্বোধন করেন। কিন্তু ২০১০ সালে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করে। জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হযরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসাবে নামকরণ করে।
এক হাজার ৯৮১ একর এলাকা বিস্তৃত এই বিমানবন্দর দিয়ে দেশের প্রায় ৫২ শতাংশ আন্তর্জাতিক এবং আভ্যন্তরীণ ফ্লাইট উঠা-নামা করে, যেখানে চট্টগ্রামে অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমানবন্দর শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর প্রায় ১৭ শতাংশ যাত্রী ব্যবহার করে। এ বিমানবন্দর দিয়ে বার্ষিক প্রায় ৪০ লক্ষ আন্তর্জাতিক ও ১০ লক্ষ অভ্যন্তরীণ যাত্রী এবং ১৫০,০০০ টন ডাক ও মালামাল আসা-যাওয়া করে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বাংলাদেশকে বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোর সাথে সংযুক্ত করেছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এই বিমানবন্দর থেকে ইউরোপ এবং এশিয়ার ১৮টি শহরে চলাচল করে।
বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণাধীন ৩টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হচ্ছে হজরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (ঢাকা), ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (সিলেট) এবং আমানত শাহ আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর (চট্টগ্রাম)। দেশে অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর রয়েছে ৮টি এবং এগুলির অবস্থান বরিশাল, যশোর, সৈয়দপুর, রাজশাহী, শমসেরনগর (সিলেট), কক্সবাজার, ঈশ্বরদী (বর্তমানে অব্যবহৃত) এবং কুমিল্লা। তাছাড়া বগুড়া, বাগেরহাট, টুঙ্গিপাড়া, হাতিয়া, রামগতি, নোয়াখালী প্রভৃতি স্থানে অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর নির্মাণকাজ প্রক্রিয়াধীন আছে। দেশের প্রায় প্রতিটি উপজেলাতেই হেলিকপ্টার অবতরণের সুবিধা রয়েছে।
১৯৭২ সালের ৪ জানুয়ারি জাতীয় বিমান সংস্থা ‘বাংলাদেশ বিমান’ ফকার এফ-২৭ এবং এটিপি বিমান দ্বারা এয়ার বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে। পরবর্তী সময়ে সংস্থাটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট উড্ডয়নের জন্য প্রশস্ত পরিসরের টারবো জেট এবং অন্যান্য শ্রেণির কতিপয় বিমান ক্রয় করে। ২০০০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিমানের বহরে ৫টি ডিসি-১০, ৩টি এফ-২৮, ৩টি এয়ারবাস যুক্ত হয়। তাছাড়া লিজ নেওয়া হয় ১টি ডিসি-১০ এবং ১টি এয়ারবাস। অপরদিকে কয়েকটি বেসরকারি বিমানসংস্থাও কার্যক্রম শুরু করে। এ অবস্থায় তেজগাঁও বিমান বন্দরটি বিমান চলাচলের সার্বিক চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে খুবই ছোট ও অপ্রতুল বিবেচিত হয় এবং অচিরেই শুরু হয় নতুন আন্তর্জার্তিক বিমানবন্দর নির্মাণের কাজ। নতুন বিমান বন্দরটি ১৯৮১ সালে চালু হয় এবং তখনই তেজগাঁও বিমানবন্দরটিকে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর নিকট হস্তান্তর করা হয়। হজরত শাহজালাল (র.) বিমানবন্দর অপেক্ষাকৃত বৃহৎ পরিসরের টার্মিনাল ভবন, হ্যাঙ্গার, কারিগরি প্রাঙ্গণ, পণ্যগুদাম প্রভৃতিসহ আধুনিক সুযোগসুবিধা ও যন্ত্রপাতি সম্বলিত।
১৯৯৬ সাল থেকে বাংলাদেশ বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বেসরকারি বিমান সংস্থাকে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য লাইসেন্স প্রদান শুরু করে। উদ্ভিদ সংরক্ষণ বিভাগের এয়ার উইং এবং ফ্লাইং ক্লাবকে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হয়। বেসরকারি বেসামরিক বিমান সংস্থাগুলির অপারেটিং অফিস শাহজালাল বিমানবন্দরে অবস্থিত, অন্যান্য বিমানবন্দর ব্যবহারের জন্য তাদেরকে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হয়।
যে সব দেশ ও শহরের সাথে সংযোগ: হজরত শাহজালাল (রঃ) বিমানবন্দর পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি বৃহৎ শহরের সাথে বাংলাদেশকে যুক্ত করেছে। ২০০০ সাল থেকে শাহজালাল এবং দেশের অপর ২টি (চট্টগ্রাম ও সিলেট) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪টি মহাদেশের ৩১টি গন্তব্যে নিয়মিত বিমান চলাচল করে। গন্তব্যগুলি হচ্ছে কলকাতা, কাঠমুন্ডু, লন্ডন, দুবাই, ব্যাংকক, করাচি, আবুধাবি, মুম্বাই, সিঙ্গাপুর, জেদ্দা, দোহা, আমস্টার্ডাম, কুয়েত সিটি, এথেন্স, ত্রিপলি, মাস্কাট, কুয়ালালামপুর, রেঙ্গুন, দাহরান, রোম, বাগদাদ, বাহরাইন, প্যারিস, ফ্রাঙ্কফুর্ট, শারজাহ, নারিতা (টোকিও), রিয়াদ, মালটা এবং নিউইয়র্ক। ২০০১ সাল পর্যন্ত যে সকল বেসরকারি বিমান সংস্থা চলাচলের লাইসেন্স (এটিওএল) পেয়েছে সারণিতে তার একটি তালিকা- অ্যারো বেঙ্গল এয়ারলাইন্স, জিএমজি এয়ারলাইন্স, বিসমিল্লাহ এয়ারলাইন্স, ইয়াঙ্গুন (সিইপিজেড), বেস্ট এভিয়েশন, এয়ার ম্যাক্সিমাস, অ্যারো টেকনোলজিস, বেস্ট এভিয়েশন প্রভৃতি।
পরবর্তীকালে জিএমজি, বেস্ট এয়ার এবং ইউনাইটেড এয়ারের মতো বেসরকারি সংস্থাও মাঝারি আকারের আকাশযান সংগ্রহ করে আভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি পেয়েছে। জাতীয় বিমান সংস্থা এবং উল্লেখযোগ্য এয়ারলাইন্সসমূহ, যেমন পাকিস্তান (পিআইএ), ভারত (আইএএল), জাপান (জেএএল), যুক্তরাজ্য (বিএ), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (প্যানএম), কুয়েত, সৌদি আরব (সৌদিয়া), চায়না (সিএএল), জার্মানি (লুফথানসা), ভুটান (ড্রুক), আমিরাতস (গালফ এয়ার), ফ্রান্স (এয়ার ফ্রান্স), রাশিয়া (অ্যারোফ্লোট), নেদারল্যান্ডস (কেএলএম), সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, নেপাল, মালদ্বীপ, ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, তাজিকিস্তান, মালয়েশিয়া (এমএএস), স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশসমূহ (এসএসএস), ইউক্রেন, ইরান, সুইজারল্যান্ড ও মধ্যপ্রাচ্য প্রভৃতির সঙ্গে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আছে এবং এ সকল বিমান সংস্থার অবতরণের অনুমতি রয়েছে। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ