ঢাকা, মঙ্গলবার 23 July 2019, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৯ জিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

এক আসামীর স্বীকারোক্তি॥ ৩ জন রিমান্ডে

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর বাড্ডায় ছেলেধরা সন্দেহে তাসলিমা বেগম রেনুকে পিটিয়ে হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামীর একজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। বাকি তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের হেফাজতে নেয়ার অনুমতি দিয়েছে আদালত। এদের মধ্যে রোববার মধ্যরাতে গ্রেপ্তার জাফর বিচারকের কাছে দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেন বলে বাড্ডা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন। বাকি তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের হেফাজতের আবেদন করা হলে ঢাকার মহানগর হাকিম ধীমান চন্দ্র মন্ডল ৪ দিনের হেফাজতে নেওয়ার আদেশ দেন বলে আদালত পুলিশের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই লিয়াকত আলী জানিয়েছেন। এরা হলেন- বরগুনার তালতলী উপজেলার গাবতলী হাওলারদার বাড়ির বাসিন্দা শাহীন (৩১), ময়মনসিংহের ধোবাউরা উপজেলার দরশা গ্রামের বাসিন্দা বাচ্চু মিয়া (২৮) ও উত্তর বাড্ডা কাঁচা বাজারের ফারুকের মুদি দোকানের কর্মী বাপ্পী (২১)।
গত কয়েকদিনে কয়েকটি পিটিয়ে হত্যার ঘটনার পর শনিবার সকালে ঢাকার উত্তর বাড্ডার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তসলিমাকে (৪২) পিটিয়ে মারা হয়। এঘটনায় করা হত্যা মামলায় রোববার রাতে ওই চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বাড্ডা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুর রাজ্জাক জানান, তসলিমা বেগম রেনুকে পেটানোর ঘটনায় মূল আসামী হিসাবে হৃদয় নামে একজনকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
পদ্মা সেতু নির্মাণ কাজে ‘মানুষের মাথা লাগবে’ বলে সম্প্রতি ফেইসবুকে গুজব ছড়ানো হয়, যাতে বিভ্রান্ত না হতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল সরকার। গুজব ছড়ানোর অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়। এরমধ্যে বৃহস্পতিবার নেত্রকোণা শহরে এক যুবকের ব্যাগ তল্লাশি করে ‘শিশুর মাথা’ পাওয়ার পর তাকে পিটিয়ে হত্যা করে এলাকাবাসী। এই ঘটনার পর দেশের বিভিন্ন স্থানে ছেলেধরা সন্দেহে আক্রমণের ঘটনা ঘটছে। এর মধ্যেই শনিবার লক্ষীপুরের বাসিন্দা তসলিমাকে পিটিয়ে মারা হয়। এ ঘটনায় তার বোনের ছেলে নাসির উদ্দিন টিটো বাদী হয়ে অজ্ঞাত পরিচয়ের ৪০০/৫০০ জনকে আসামী করে মামলা করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ