ঢাকা, বুধবার 24 July 2019, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬, ২০ জিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

অভিবাসীদের পুনর্বাসন চুক্তিতে সম্মত ৮ ইউরোপীয় দেশ-ফ্রান্স 

২৩ জুলাই, বিবিসি : ভূমধ্যসাগরে উদ্ধার হওয়া অভিবাসীদের পুনর্বাসনে আটটি ইউরোপীয় দেশ সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছে ফ্রান্স। তবে এই দেশগুলোর মধ্যে ইতালি নেই। গত সোমবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এ তথ্য জানিয়েছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের এক খবরে বিষয়টি জানা গেছে।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ জানান, প্যারিসে অনুষ্ঠিত ফ্রাঙ্কো-জার্মান পরিকল্পনার নীতিকে সমর্থন দিয়েছে ছয়টি দেশ। যেসব দেশ অভিবাসীদের গ্রহণে সম্মতি জানাবে না সেই দেশগুলো ইইউ কাঠামোগত তহবিল বরাদ্দ দিতে তিনি রাজি হবেন না।  

ইউরোপে অভিবাসীদের প্রবেশের দ্বার ইতালি হলেও প্যারিস আলোচনায় দেশটি উপস্থিত ছিল না। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাতেও সালভিনি অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন।

প্রতি বছর কয়েক হাজার অভিবাসী ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টা করে। ইউরোপ পাড়ি দেওয়ার ক্ষেত্রে লিবিয়া গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এখান থেকে ঝুঁকিপূর্ণ পথে ও অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই নৌকায় করে অভিবাসীরা সাগর পাড়ি দেয়। পথে জাহাজ ও নৌকাডুবিতে অনেক অভিবাসীর মৃত্যু হয়। তবে ২০১৭ সালের মাঝামাঝি থেকে ইতালি ও ইইউ দেশগুলোর ভূমিকার কারণে অভিবাসীদের ঢল নাটকীয় হারে কমেছে।

আদালতে না নিয়েই নিজ দেশে ফেরত পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র : যুক্তরাষ্ট্র নতুন একটি আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে যার মধ্য দিয়ে অভিবাসন আদালতকে পাশ কাটিয়ে অভিবাসীদের দ্রুত তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো সম্ভব হবে। এই আইনের আওতায় যেসব অভিবাসী যুক্তরাষ্ট্রে টানা দুই বছরের বেশি অবস্থানের প্রমাণ দিতে পারবেন না তাদেরকে অবিলম্বে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের চলমান আইন অনুসারে সীমান্তে আটক হওয়া অভিবাসী যারা দুই সপ্তাহের কম সময় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হতো। কিন্তু অন্যত্র আটক হওয়া অভিবাসীদের আদালতে হাজির করা হতো এবং তারা আইনজীবী নিয়োগের অধিকার ভোগ করতেন।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এই আইনের ফলে কয়েক হাজার মানুষের জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দ্য আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন (আকলু) জানিয়েছে, আইনটির বিরুদ্ধে তারা আদালতে যাবে।

মঙ্গলবার আইনটি প্রকাশ হওয়ার পরই কার্যকর শুরু হবে। মেক্সিকো সীমান্তে অভিবাসী সংকট নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতির মধ্যেই আইনটি বাস্তবায়নের দিকে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন।

হোমল্যান্ড সিকিউরিটির ভারপ্রাপ্ত প্রধান কেভিন ম্যাকআলিনান জানান, এর ফলে সীমান্তে বোঝা ও সামর্থ্য বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করবে। চলমান অভিবাসন সংকটে এটা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।

বিশ্লেষকরা বলছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২০ সালের নির্বাচনে পুনরায় জয়ী হতে অভিবাসীদের নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা করছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ