ঢাকা, সোমবার 29 July 2019, ১৪ শ্রাবণ ১৪২৬, ২৫ জিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

সেই ‘নালিশ’ সমাচার

আশিকুল হামিদ : বিষয়টি বরং খুবই উদ্বেগের, যাকে কেবল আশঙ্কাজনক বলাও যথেষ্ট নয়। হ্যাঁ, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহা নামের এক হিন্দু রমণী বাংলাদেশ থেকে তিন কোটি সত্তর লাখ সংখ্যালঘুর ‘গুম’ হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে যে ‘নালিশ’ করেছেন, এখানে সে সম্পর্কেই কিঞ্চিত আলোচনা করার ইচ্ছা রয়েছে। কারণ, চরম কিছু মিথ্যাচার করেও রীতিমতো আলোড়ন তুলেছেন ওই রমণী। ঘটনাপ্রবাহের প্রথম রাউন্ডে প্রিয়া সাহাকেও হারিয়ে দিয়েছিলেন অন্য কয়েকজন। যাদের মধ্যে আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী-মিনিস্টার থেকে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের শীর্ষ নেতারা পর্যন্ত রয়েছেন। রয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও। ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে তারা সম্পূর্ণ ইউ টার্ন নেয়ায় প্রথম রাউন্ডে ‘হেরে’ গিয়িছিলেন প্রিয়া সাহা!
মন্ত্রী-মিনিস্টারদের আগে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতির কথা উল্লেখ করা দরকার। ২২ জুলাই প্রকাশিত প্রথম প্রতিক্রিয়ায় তিনি শুধু এটুকু বলতেই বাকি রেখেছিলেন যে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহা যা কিছু বলেছেন সবই তার নিজের বক্তব্য। সেসবের সঙ্গে ঐক্য পরিষদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। রানা দাশগুপ্ত আরো বলেছিলেন, তাদের প্রতিনিধি হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন মাত্র তিনজন। তাদের মধ্যে প্রিয়া সাহার নাম ছিল না। তিনি কীভাবে গেলেন সেটাও নাকি জানা ছিল না ঐক্য পরিষদ সেক্রেটারির! প্রিয়া সাহাকে যে একটি অঙ্গ সংগঠনের সম্পাদকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে সেকথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ‘রানা দাশগুপ্ত’ জানিয়েছিলেন, প্রিয়া সাহা একা নন, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের আরো দশজন সাংগঠনিক সম্পাদক রয়েছেন। অর্থাৎ প্রিয়া সাহা ১১ জন সাংগঠনিক সম্পাদকের মধ্যে একজন। সুতরাং তার বক্তব্যকে ঐক্য পরিষদের বক্তব্য হিসাবে গ্রহণ করা এবং বেশি গুরুত্ব দেয়া অনুচিত। ‘রানা দা’ একথাও জানিয়েছিলেন যে, দেশে ফেরার পর প্রিয়া সাহার কাছে কৈফিয়ৎ চাওয়া হবে। কাজল দেবনাথসহ অন্য কয়েকজন হিন্দু নেতাও একই ধরনের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছিলেন।
ওদিকে ঘটনাপ্রবাহের প্রথম রাউন্ডে সবচেয়ে বেশি সোচ্চার দেখা গেছে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ বেশ কয়েকজন মন্ত্রী-মিনিস্টারকে। প্রিয়া সাহাকে ‘দেশদ্রোহী’ হিসেবে চিহ্নিত করে তারা বলেছিলেন, তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দায়ের করা হবে। এ ধরনের মন্ত্রী-মিনিস্টারদের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং আইনমন্ত্রী আনিসুল হকও ছিলেন। সে কারণে ধরে নেয়া হয়েছিল, প্রিয়া সাহার আর নিস্তার নেই! কিন্তু সবকিছু ওলট-পালট করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের মানুষকে বন্যার কবলে রেখে দীর্ঘ ১৭ দিনের জন্য বিদেশ সফরে রয়েছেন তিনি। প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি তার মন্ত্রীরা পর্যন্ত সোচ্চার হয়ে ওঠার খবরে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের কাছে পাঠানো বিশেষ মেসেজে বিষয়টি নিয়ে তাড়াহুড়ো এবং বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করেছেন। বলেছেন প্রথমে প্রিয়া সাহার বক্তব্য জানতে। তারপর কি করতে হবে সেটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পর দেখা যাবে। ব্যস, এটুকুতেই রাতারাতি সবাই সুর ও বক্তব্য পাল্টে ফেলেছেন। সমাপ্তি ঘটেছে প্রথম রাউন্ডের।
শুধু তা-ই নয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেসেজ সংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হওয়ার পর প্রিয়া সাহা নিজেও দৃশ্যপটে এসে হাজির হয়েছেন। ২৩ জুলাই পর্যন্ত ইউটিউবে অন্তত দু’বার বক্তব্য রেখেছেন তিনি। এসবের মূলকথায় প্রিয়া সাহা বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে কথিত ‘নালিশ’ জানানোর ব্যাপারে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী তাকে ‘অনুপ্রাণিত’ করেছেন। ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ২০০১-এর অক্টোবর নির্বাচন-পরবর্তী দিনগুলোতে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিশ্বের দেশে দেশে প্রচারণা চালানোর সময় যেসব পরিসংখ্যানের উল্লেখ করে বক্তব্য রেখেছিলেন, প্রিয়া সাহা নাকি সেগুলোরই পুনরাবৃত্তি করেছেন মাত্র! সে সময় নাকি ৯৪ দিন ধরে বিএনপি-জামায়াতের জোট সরকার সংখ্যালঘুদের ওপর চরম নির্যাতন চালিয়েছিল এবং তারই প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছিলেন শেখ হাসিনা!
বলা হচ্ছে, হতেই পারে। কিন্তু প্রিয়া সাহা লক্ষ্য করেননি যে, মাঝখানে দীর্ঘ ১৮টি বছর অতিক্রান্ত হয়েছে এবং ২০০৮ সাল থেকে এখনো ক্ষমতায় রয়েছে তাদেরই প্রাণপ্রিয় সংগঠন আওয়ামী লীগ! সুতরাং এত বিপুল সংখ্যক সংখ্যালঘুর ‘ডিসঅ্যাপিয়ার’ বা গুম হয়ে যাওয়ার দায় থেকে আওয়ামী লীগকেও রেহাই দেয়ার সুযোগ নেই। সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন চালানোর জন্য অন্তত দু’বার ‘ঢোক গিলে’ প্রিয়া সাহা যে ‘মুসলিম ফান্ডামেন্টালিস্টদের’ দায়ী করেছেন এবং বলেছেন, ওই ‘মুসলিম ফান্ডামেন্টালিস্টরা’ সব সময় সরকারের প্রশ্রয় পেয়ে থাকে এবং এখনো পাচ্ছেÑ এমন গুরুতর অভিযোগ থেকেও কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারকে রেহাই দেয়া যায় না!
এভাবে কথায় কথায় কথা বাড়ানোর পরিবর্তে এখানে কয়েকটি বিশেষ তথ্যের উল্লেখ সেরে নেয়া দরকার। প্রথম তথ্যটি হলো, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেসেজ আসার আগে পর্যন্ত হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি রানা দাশগুপ্তের বক্তব্য- যেখানে তিনি জানিয়েছিলেন, প্রিয়া সাহাকে তারা মনোনীত করে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠাননি। অর্থাৎ প্রিয়া সাহা গিয়েছিলেন অন্য কোনো ব্যবস্থাপনায়। প্রিয়া সাহা নিজেও জানিয়েছিলেন, তাকে নাকি যুক্তরাষ্ট্রের কোনো একটি সংস্থা বিগত আড়াই মাস ধরে ই-মেইলে আমন্ত্রণ জানিয়ে এসেছে। এ ধরনের সর্বশেষ ই-মেইল তিনি নাকি ওয়াশিংটনের উদ্দেশে রওনা দেয়ার আগের দিনও পেয়েছেন!
দ্বিতীয় তথ্যটি হলো, এবারই প্রিয়া সাহা প্রথম যাননি, এর আগেও বহুবার তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছেন। তার দুই মেয়ে যে যুক্তরাষ্ট্রেই লেখাপড়া করছে সে কথাটাও তিনি যথেষ্ট গর্বের সঙ্গেই জানিয়েছেন। এখানে তিনি লক্ষ্য করেননি যে, তার মতো একজন সাধারণ রমণীর পক্ষে দুই-দু’জন মেয়েকে যুক্তরাষ্ট্রে লেখাপড়া করানো সহজে সম্ভব হওয়ার কথা নয়। কারণ, একদিকে তিনি নিজে নাকি ‘বাড়িঘর ও জমি হারানো’ দরিদ্র মানুষ, অন্যদিকে তার স্বামী মলয় দাসও এমন কোনো চাকরি বা ব্যবসা করেন না, যার পক্ষে বিদেশে মেয়েদের শিক্ষার জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় করা সম্ভব। উল্লেখ্য, মলয় সাহা দুর্নীতি দমন কমিশনÑ দুদকের একজন উপ-পরিচালক। একই কারণে মলয় সাহার প্রকৃত আয় সম্পর্কে তদন্ত করার দাবি উঠেছে। কেননা, প্রিয়া সাহার দৃশ্যত কোনো আয়ের উৎস নেই। অন্যদিকে মলয় সাহার বেতনও নিশ্চয়ই লাখ লাখ টাকা নয়। এজন্যই অভিযোগ উঠেছে, দুদকের উপ-পরিচালক হিসাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে বিপুল অর্থ আয় করেন বলেই মলয় সাহার পক্ষে নিজের দু’জন মেয়েকে যুক্তরাষ্ট্রে লেখাপড়া করানো সম্ভব হচ্ছে। প্রিয়া সাহাও যখন-তখন যুক্তরাষ্ট্রে যাতায়াত করতে পারছেন।
প্রাসঙ্গিক তৃতীয় তথ্যটি হলো, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি রানা দাশগুপ্তসহ অন্য নেতারা সুর ও বক্তব্য পাল্টালেও ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলার কিন্তু প্রথম প্রতিক্রিয়াতেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, প্রিয়া সাহার অভিযোগ মোটেও সত্য নয়। তিনি বরং জঘন্য মিথ্যাচার করেছেন। বিভিন্ন মসজিদ, গীর্জা, মন্দিরে নিজের সফর ও আলোচনার উল্লেখ করে মার্কিন রাষ্ট্রদূত আরো বলেছিলেন, ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে বাংলাদেশের সকল নাগরিকই সমানভাবে ‘ষোল আনা’ সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন। অর্থাৎ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহা নির্লজ্জ মিথ্যাচার করেছেন।
চতুর্থ তথ্যটিও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। প্রিয়া সাহা যখন ‘নালিশ’ জানাচ্ছিলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তখন তার অফিসারদের কাছে জানতে চেয়েছেন, সেখানে অর্থাৎ বাংলাদেশে মার্কিন হেলিকপ্টার পাঠানো হয়েছে কি না? কথাটার মধ্য দিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কিন্তু প্রিয়া সাহাকে সরাসরি চপেটাঘাত করেছেন। তিনি আসলে বলেছেন, তিন কোটি সত্তর লাখ সংখ্যালঘুকে ‘গুম’ করে ফেলার মতো ভয়ংকর ঘটনার পরও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে সামরিক অভিযান চালায়নিÑ এমনটি হতেই পারে না। সহজ কথায় এমন বক্তব্যের অর্থ হলো, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেও প্রিয়া সাহার ‘নালিশ’ বিশ্বাস করেননি।
এদিকে ঘটনাপ্রবাহের প্রথম রাউন্ডে সজীব ওয়াজেদ জয়ের একটি বক্তব্য বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়েছে। ২১ জুলাই নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও মন্ত্রীর মর্যাদায় বিশেষ দূত মিস্টার জয় লিখেছেন, ‘বাংলাদেশী নারী’ প্রিয়া সাহার তোলা মিথ্যা নালিশের পেছনে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের ‘দুরভিসন্ধি’ রয়েছে বলে তিনি মনে করেন। এর মধ্যে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি আধিপত্য বিস্তারের ষড়যন্ত্র পরিষ্কারভাবেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করে সজীব ওয়াজেদ জয় তার স্ট্যাটাসে লিখেছেন, প্রিয়া সাহার মতো একজন নারী ঠিক কি বলতে পারে সেকথা জেনেই মার্কিন দূতাবাস তাকে মনোনীত করেছিল। এর অগে একজন মার্কিন কংগ্রেসম্যান মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য দখল করে নেয়ার জন্য বাংলাদেশকে উস্কানি দিয়েছিলেন। এবার প্রিয়া সাহাকে দিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে নালিশ জানানোর মাধ্যমে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস বাংলাদেশকে যুদ্ধের মধ্যে ঠেলে দেয়ার ভয়ংকর পদক্ষেপ নিয়েছে। তাদের লক্ষ্য আসলে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি আধিপত্য বিস্তার। প্রিয়া সাহার নালিশের মধ্য দিয়ে সে ষড়যন্ত্র ও দুরভিসন্ধিরই প্রকাশ ঘটেছে বলে মনে করেন সজীব ওয়াজেদ জয়।
মিস্টার জয় কোনো সাধারণ মানুষ নন বরং অত্যন্ত ক্ষমতাধর একজন বলেই তার কথাগুলোকে যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেয়া উচিত। একই সঙ্গে উচিত প্রধানমন্ত্রীর নিষেধাজ্ঞাসহ সমগ্র ঘটনাপ্রবাহের পর্যালোচনা করাও। অনুসরণ করার এবং অনুপ্রাণিত হওয়ার আড়ালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ফেলার পরও হঠাৎ কেন আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়ার নামে প্রিয়া সাহাকে ছাড় দেয়া হলো- এসব বিষয়েও গভীরভাবে লক্ষ রাখা উচিত।
শেষ করার আগে সর্বশেষ দু’-একটি খবর জানিয়ে রাখা দরকার। প্রথমত, মন্ত্রী-মিনিস্টারসহ অনেককেই শোরগোল তুলতে দেখা গেলেও প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে সরকারি তথা রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থাই নেয়া হচ্ছে না। সরকার তো কোনো মামলা করছেই না, উল্টো ব্যক্তিগত পর্যায়ে রাষ্ট্রদ্রোহিতার যে কয়েকটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল সেগুলোকে প্রথম উপলক্ষেই খারিজ করে দিয়েছেন মাননীয় বিচারকরা। গণমাধ্যমে প্রকাশিত দ্বিতীয় খবরে জানানো হয়েছে, প্রিয়া সাহার বাংলাদেশে ফিরে আসার কোনো সম্ভাবনা নেই। নিজের জীবনের নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে তিনি নাকি বরং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়ার চেষ্টা করছেন। এ জন্য নাকি দরখাস্তও করেছেন। বলা হচ্ছে, অন্তরালে সুচিন্তিত পরিকল্পনা রয়েছে বলে প্রিয়া সাহা রাজনৈতিক আশ্রয় পেয়ে যাবেন। সুতরাং ধরে নেয়া যায়, প্রিয়া সাহা কেন্দ্রিক ঘটনাপ্রবাহেরও শান্তিপূর্ণ সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ