ঢাকা, সোমবার 29 July 2019, ১৪ শ্রাবণ ১৪২৬, ২৫ জিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

শ্রীলংকাকে বড় টার্গেট দিতে পারেনি বাংলাদেশ

স্পোর্টস রিপোর্টার : শ্রীলংকার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচ হেরে সিরিজে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। টাইগারদের টার্গেট ছিল দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে সিরিজে টিকে থাকার। কিন্তু টিকে থাকার ম্যাচে গতকাল শ্রীলংকাকে বড় টার্গেট দিতে পারেনি বাংলাদেশ। আগে ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেটে বাংলাদেশ করে ২৩৮ রান। ফলে জয়ের জন্য শ্রীলংকা পায় মাত্র ২৩৯ রানের সহজ টার্গেট। এই সহজ টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে বড় জয়ের পথেই হাটে লংকানরা। কারণ ব্যাট করতে নেমে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শ্রীলংকা ৩০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৫৭ রান নিয়ে ব্যাট করছিল । দলের পক্ষে কুশাল মেন্ডিস ১৪ রানে আর ম্যাথুস ৩ রানে ব্যাটিংয়ে ছিলেন। বাংলাদেশের দেয়া ২৩৯ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনার আভিস্কা ফার্নান্দো আর দিমুথ করুনারত্নে মিলে ওপেনিং জুটিতে ৭১ রানের পার্টনাশীপ গড়ে দলকে জয়ের পথে নিয়ে যায়। দলীয় ৭১ রানে মেহেদী হাসান মিরাজ ১৫ রানে বোল্ড করে ফিরান করুনারত্নেকে। করুনারত্নে আউট হলেও ফার্নান্দো দলকে ঠিকই এগিয়ে নেন। মোস্তাফিজের বলে তামিমকে ক্যাচ দিয়ে ৮২ রানে আউট হওয়ার আগে ফার্নান্দো দলকে পৌছে দেন ১২৯ রানে। দলীয় ১২৯ রানে দুই ওপনারের বিদায়ে তৃতীয় উইকেট জুটিতে দলকে জয়ের পথে নেয়ার দায়িত্ব পড়ে কুশাল পেরেরা আর কুশাল মেন্ডিসের উপর। তবে দলীয় ১৪৭ রানে দলটি হারায় পেরেরার উইকেট। মোস্তাফিজের বলে সৌম্যকে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে পেরেরা করেন ৩০ রান। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শ্রীলংকা ৩ উইকেটে ৩০ ওভারে ১৫৭ রান নিয়ে ব্যাট করছিল। এর আগে, টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে মুশফিকের ৯৮ রানের উপর ভর করে বাংলাদেশ ৮ উইকেটে করে ২৩৮ রান। দলের পক্ষে মুশফিক ছাড়া কোন ব্যাটসম্যানই ফিফটি করতে পারেননি। শ্রীলংকার বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতে বিপর্য়য়ে পড়ে বাংলাদেশ। দলীয় ২৬ রানে  সৌম্য সরকারকে হারানোর পরপরই ভেঙে যায় টাইগারদের ব্যাটিং লাইন-আপ। দলকে ৩১ রানে রেখে ব্যক্তিগত ১৯ রানের মাথায় ইসুরু উদানার বলে বোল্ড হোন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। দুই ওপেনারের পথে হাঁটেন মোহাম্মদ মিঠুনও। ১২ রান করে আউট হন মিটুন। সতীর্থদের যাওয়া-আসার মাঝেও টিকে থাকেন মুশফিক। ৭১ বলে তুলে নেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৩৭তম ফিফটি। তার আগে ৮ রান করে তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসানের পরে তৃতীয় বাংলাদেশি হিসেবে ৬ হাজার রানের মাইলফলকে পা রাখেন তিনি। দলের বিপর্যয়ের মুখে ভালো করতে পারেননি অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। মাত্র ৬ রানে ফিরতে হয় তাকে। ব্যাট করতে নেমে ভালো করতে পারেননি সাব্বির রহমান আর মোসাদ্দেক হোসেন। সাব্বির রহমান ১১ আর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ১৩ রান করে আউট হন। অবশ্য এরপরই ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। মুশফিক ও মেহেদী হাসান মিরাজ মিলে গড়েন ৮৪ রানের জুটি। এই জুটির উপর ভর করে সন্মানজনক স্কোর পায় টাইগাররা। দলীয় ২০১ রানে দুর্দান্ত খেলতে থাকা মিরাজকে ৪৩ রানে ফিরান নুয়ান প্রদীপ। আর তাইজুল ইসলাম রান আউট  হোন ব্যক্তিগত ৩ রানে। তবে ফিফটি করে সেঞ্চুরির আশা জাগিয়ে তুলেছিলেন মুশফিক। কিন্তু পর্যাপ্ত ওভার না থাকায় ৯৮ রানে অপরাজিত থাকতে হয় তাকে। তার ইনিংসটি সাজানো ছিল ৬ চার ও ১ ছক্কায়। মুশফিকের সাথে ২ রানে অপরাজিত ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। শ্রীলংকার পক্ষে ২টি করে উইকেট ভাগাভাগি করে নিয়েছেন প্রদীপ, উদানা ও আকিলা ধনাঞ্জয়া।  

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ