ঢাকা, বুধবার 7 August 2019, ২৩ শ্রাবণ ১৪২৬, ৫ জিলহজ্ব ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

২৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের ১৮ মামলা

স্টাফ রিপোর্টার : মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আমদানি করা পণ্য খালাসের মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে দুই কোটি ৬৬ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চট্টগ্রামের সাবেক সাত শুল্ক কর্মকর্তাসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে ১৮টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এরা হলেন- চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের সাবেক সাত রাজস্ব কর্মকর্তা প্রাণবন্ধু বিকাশ পাল, শফিউল আলম, হুমায়ূন কবির, সাইফুর রহমান, মোহাম্মদ সফিউল আলম, নিজামুল হক ও সৈয়দ হুমায়ুন আখতার। বাকি আসামিদের মধ্যে ১৪ আমদানিকারক ও চারজন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট রয়েছেন।
গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রামের ১ নম্বর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলাগুলো করেন বলে সংস্থাটির জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২০১০ ও ২০১১ সালে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে সরকারের দুই কোটি ৬৬ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৮ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে এসব মামলা করা হয়। মামলাগুলোতে বাদি হয়েছেন দুদকের সহকারী পরিচালক আফরোজা হক খান ও শেখ গোলাম মাওলা এবং উপ-সহকারী পরিচালক মো. সহিদুর রহমান।
আমদানিকারক আসামীরা হলেন- আবুল হাসনাত, এম এ আলীম, মমিনুল ইসলাম, নুরুল আলম, মুসা ভূইয়া, ফোরকান আহমেদ, জ্যেতির্ময় সাহা, ফাহাদ আবেদীন সোহান, জহুরুল ইসলাম, সাহিদুর রহমান, আইনুল হক, মোহাম্মদ কাসিফ ফোরকান, রুবেল আহমেদ ও জহিরুল ইসলাম। সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট আসামিরা হলেন- মোহাম্মদ হারুন শাহ, মইনুল আলম চৌধুরী, মির্জা মো. আহসানুজ্জামান ও সাইফুল ইসলাম।
রাজস্ব কর্মকর্তাদের মধ্যে শফিউলকে পাঁচটি মামলায়, প্রাণবন্ধু বিকাশ পালকে চারটি, হুমায়ুনকে তিনটি, সাইফুরকে দুটি, নিজামুলকে দুটি, সফিউলকে একটি ও হুমায়ূনকে একটি মামলায় আসামি করা হয়েছে।
সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের মধ্যে হারুনকে সাতটি, আহসানুজ্জামানকে ছয়টি, মইনুলকে চারটি এবং সাইফুলকে একটি মামলায় আসামী করা হয়।
আমদানিকারকদের মধ্যে ফোরকান, জ্যেতির্ময়, সাহিদুর ও কাসিফকে দুটি করে মামলায় আসামী করা হয়। আর বাকি আমদানিকারক প্রত্যেককে একটি করে মামলায় আসামী করা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ