ঢাকা, শুক্রবার 9 August 2019, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৬, ৭ জিলহজ্ব ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

ঈদযাত্রায় ভাড়া নৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানি বন্ধের দাবি

স্টাফ রিপোর্টার: ঈদযাত্রায় ভাড়া নৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়েছে যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে বাস, লঞ্চ ও বিমান পথে সারাদেশে ভাড়া ডাকাতি চললেও প্রশাসন ও যথাযথ কর্তৃপক্ষ তেমন কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। অন্যদিকে হাজার হাজার ফিটনেস বিহীন ট্রাকে পশু বহন করা হচ্ছে। এসব পশুবাহী ট্রাক ও ফিটনেসহীন বাস থেকে পুলিশ ও চাঁদাবাজীদের চাঁদাবাজির কারণে রাজধানীর প্রবেশমুখসহ সারাদেশের সড়ক-মহাসড়কে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। 

গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের উদ্যোগে ঈদ যাত্রায় ভাড়া নৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানী বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচিতে নেতৃবৃন্দ এসব দাবির কথা বলেন। মানববন্ধন করে সংগঠনটির সদস্যরা এ দাবি জানান। সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি রিয়াদ হোসেনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, সদস্য সচিব আরমান হোসেন পলাশ, সহ সভাপতি নূর খান বাবু, শ্রমিক নেতা বাহারানে সুলতান বাহার, গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মাহমুদ, দুর্নীতি প্রতিরোধ আন্দোলনের নেতা হারুনুর রশিদ, মঞ্জুর হোসেন ইসা প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বর্ষায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কার না করায় যানবাহনের গতি কমার পাশাপাশি দুর্ঘটনা ঘটছে। এতে করে যানজটের ভোগান্তি পোহাচ্ছেন ঈদে ঘরমুখো যাত্রীরা। বক্তারা অবিলম্বে ভাড়া নৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

সংহতি প্রকাশ করে নেতৃবৃন্দ বলেন, পরিবহন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব ওবায়দুল কাদের পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের যৌথ সভায় এবার ঈদে বন্যা ও ডেঙ্গুর কারণে ভাড়া না বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। আমরা আশা করবো মন্ত্রীর এই দাবি যদি পরিবহন সেক্টর পালন করে তাহলে যাত্রীরা ভাড়া নৈরাজ্য থেকে রেহাই পাবে। কিন্তু কার্যত এখন যারা নাড়ীর টানে বাড়ী যাচ্ছে প্রত্যেককে অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে মন্ত্রী মহোদয়ের বক্তব্য অকার্যকর হয়ে পড়েছে। আমরা আশা করবো এ বিষয়ে আইন করে কার্যকর করা হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে। 

 নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, প্রতি বছরই ঈদকে সামনে রেখে বাড়ী যেতে গিয়ে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় অনেকে ঈদ আনন্দ কান্নায় পরিণত হয়। বেপরোয়া গাড়ী চালিয়ে যারা সড়ক দুর্ঘটনায় পতিত হন তাদেরকে সাবধানে গাড়ী চালানোর জন্য আহ্বান জানানো হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ