ঢাকা, শুক্রবার 23 August 2019, ৮ ভাদ্র ১৪২৬, ২১ জিলহজ্ব ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

বস্তিতে আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধানের দাবি

স্টাফ রিপোর্টার: বস্তি কেন পুড়ে তা খতিয়ে দেখতে ও নিম্ন আয়ের মানুষদের আবাসনের জন্য জাতীয় বস্তি কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছেন পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) ও বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক। 

গতকাল বৃহস্পতিবার প্রেস ক্লাবের ভিআইডি লাউঞ্জে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) ও বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিকের উদ্যোগে এক সংলাপে এই দাবি জানায়। পবা চেয়ারম্যান আবু নাসের খানের সভাপতিত্বে ও সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ উজ্জলের সঞ্চালনায় সংলাপে আরও বক্তব্য রাখেন ঐক্য ন্যাপের সভাপতি পঙ্কজ ভট্টাচার্য, ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক ড. ওয়াজেদুল ইসলাম খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দেবাশীষ কুমার কুন্ডু, পবার সাধারণ সম্পাদক প্রৌকশলী আব্দুস সোবহান, গবেষক ও লেখক পাভেল পার্থ, আওয়ামী বাস্তুহারা লীগের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ হালদার, বস্তিবাসী নেতা কুলসুম বেগম, রাফেজা বেগম ও প্রবাশ ফেরত নুরজাহান বেগম প্রমূখ।

ঐক্য ন্যাপের সভাপতি পঙ্কজ ভট্টাচার্য বলেন, জনগণ বারবার ক্ষমতাসীনদের কাছ থেকে ধোকা খাচ্ছে। বস্তিবাসীদের জন্য মহামান্য হাইকোর্টেও রুল জারি করা থাকলেও প্রতিবছর বস্তিতে আগুন লাগে আর বস্তি উচ্ছেদ হয়। কেন বস্তি পুড়ে তা খতিয়ে দেখা জরুরি। একটি পৃথক কমিশন গঠন করে সকল অগ্নিকা-ের কারণ অনুসেন্ধান করে বস্তিবাসীদের আবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, জনগণের কাছে দায়বদ্ধ আবাসন কর্তৃপক্ষ তৈরি করে বস্তিবাসীদের ন্যায্য আবাসন অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বস্তিতে আগুন লাগে, না লাগিয়ে দেয়া হয় তা খতিয়ে দেখতে হবে এবং বস্তি নিয়ে রাষ্ট্রের বর্ণবাদী দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করতে হবে। মনে রাখতে হবে বস্তিবাসীরা মানুষ আর তাদের অবদানের উপর এই রাষ্ট্র ও দেশ টিকে আছে।

সংলাপে অন্যান্য বক্তারা বলেন, বস্তিবাসী আজ সমাজে গালি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। কিন্তু ঢাকা শহরের নিম্ন আয়ের এই মানুষরা যদি একদিন কাজ না করেন তবে শহর অচল হয়ে যাবে। অথচ কি অদ্ভুতভাবে নিয়মিত বিরতিতে আমাদের এই বস্তিগুলোকে পুড়তে দেখতে হয়। বক্তারা সকল অগ্নিকা-ের প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের ও ক্ষতিপূরণের প্রদানের দাবি জানান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ