ঢাকা, বৃহস্পতিবার 29 August 2019, ১৪ ভাদ্র ১৪২৬, ২৭ জিলহজ্ব ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

ইতিহাস গড়া হলো না আবাহনীর

স্পোর্টস রিপোর্টার: এএফসি ক্লাব কাপ ফুটবলে ইতিহাস গড়া হলোনা বাংলাদেশ প্রিমিয়ার ফুটবল লিগের ছয়বারের চ্যাম্পিয়ন আবাহনী লিমিটেডের। গতকাল বুধবার এএফসি কাপের ইন্টার জোনাল সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে উত্তর কোরিয়ার এপ্রিল টোয়েন্টি ফাইভের কাছে ২-০ গোলে হেরেছে আবাহনী লিমিটেড। উত্তর কোরিয়ার পিয়ংইয়ংয়ের কিম (২) সাং স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্বাগতিকদের বিরুদ্ধে পুরো শক্তির দল নিয়ে খেলেও সমর্থকদের প্রত্যাশা মিটাতে পারেনি আকাশী-হলুদ জার্সিধারীরা। এই জয়ের ফলে গোল গড়ে ৫-৪ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে জোনাল ফাইনাল নিশ্চিত করল সেনা সদস্যদের নিয়ে গড়া এপ্রিল টোয়েন্টি ফাইভ।

এদিন বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের অনেকের চোখ ছিল পিয়ংইয়ংয়ে, যদি খেলা দেখার কোনো স্ট্রিমিং লিংক পাওয়া যায়। কিন্তু সেটি পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে আক্ষেপ করেছেন সবাই। এ যুগে একটা আন্তর্জাতিক ম্যাচের সরাসরি খবরাখবর পাওয়া যাবে না! এটি যে বাংলাদেশের আবাহনীর ইতিহাস গড়ার ম্যাচ! কিন্তু শেষ পর্যন্ত উত্তর কোরিয়া থেকে যে খবর, তাতে ইতিহাস অধরাই থাকল বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ক্লাবটির। প্রথম বাংলাদেশি ক্লাব হিসেবে এএফসি কাপের ইন্টার জোনাল ফাইনালে খেলা হলোনা আবাহনীর।

হোম এন্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিতে ২১ আগস্ট ঢাকায় অনুষ্ঠিত প্রথম লেগে দুর্দান্ত খেলে ৪-৩ গোলে জয় পেয়েছিল আকাশি-নীল বাহিনী। সেই ম্যাচে জোড়া গোল করেন সানডে চিজোবা। একটি করে গোল করেছিলেন নাবীব নেওয়াজ জীবন এবং সোহেল রানা। কিন্তু দুটি বাজে গোল খাওয়া নিয়ে খচখচানিটা ছিলই। পিয়ংইয়ংয়ের ম্যাচে নূন্যতম ড্র করলেই জোনাল ফাইনাল নিশ্চিত হতো আবাহনীর। তবে উত্তর কোরিয়ার ক্লাবটি যে নিজেদের মাঠ পেয়ে ঝলসে উঠবে, এটা অনুমিতই ছিল। সেটিই হয়েছে।

ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল সমানে-সমান। দুই দলই লড়েছে গোলের দেখা পেতে। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের ৪৮ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় কিম সু ইয়ং গোল করে এপ্রিল টোয়েন্টি ফাইভকে এগিয়ে নেন। আবাহনীর লড়াই করে ম্যাচে ফেরার সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায় মামুন মিয়ার লাল কার্ডে। এপ্রিল টোয়েন্টি ফাইভের নিজেদের মাঠের রেকর্ড দুর্দান্ত। ১০ জনের দল নিয়ে আবাহনীর জন্য পুরো ব্যাপারটা প্রায় কঠিন হয়ে যায়। আবাহনীর সর্বনাশের শেষটা হয় ৮৩ মিনিটে কিম নিজের দ্বিতীয় গোলটি করলে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ