ঢাকা, বৃহস্পতিবার 29 August 2019, ১৪ ভাদ্র ১৪২৬, ২৭ জিলহজ্ব ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

ভারি যানবাহন চলাচল বন্ধ ॥ দুর্ভোগ চরমে ফুলবাড়ীগেট-তেলিগাতী সড়কে খানাখন্দ

খুলনা অফিস : খুলনা মহানগরীর ফুলবাড়ীগেট-তেলিগাতী গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং এবং খোয়া উঠে বড় বড় গর্তে পরিণত হয়েছে। এতে কুয়েটসহ বিভাগীয় ছয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং কয়েকটি গ্রামের মানুষ দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। সড়কটির তিন/চারটি স্থানে রাস্তাজুড়ে গর্তে পরিণত হওয়ায় ভারি যানবাহন চলাচল এক প্রকার বন্ধ হয়ে গেছে।

জানা যায়, কেডিএ কর্তৃপক্ষ জমি অধিকগ্রহণের মাধ্যমে ১৯৮৭/৮৮ সালে এই সড়ক নির্মাণ করে। দীর্ঘ ৩৩ বছর পরে গত ২০১৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে এলজিডির তত্ত্বাবধানে সড়কটির কুয়েট মেইনগেট থেকে তেলিগাতী পাকার মাথা পর্যন্ত পুনঃনির্মাণ কাজ করা হয়। 

অভিযোগ রয়েছে, পুনঃনির্মাণ কাজ করার সময় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান রাস্তা খুঁড়ে রাস্তার নিচ থেকে সলিংয়ের ইট তুলে ফেলে ধূলাবালু ভরাট করে নামমাত্র কম্পেকশন করে। সলিংয়ে বিছানো পুরাতন ইট ভেঙে রাস্তার কাজে ব্যবহার করে। স্থানীয়রা সড়কটির পুনঃনির্মাণ কাজে অনিয়ম ও নিম্নমানের মালামাল, কার্পেটিংয়ে সঠিক মাত্রার বিটুমিন এবং থিকনেছ সঠিক মাত্রায় না দেওয়াসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ এনে ২০১৭ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর খুলনা জেলাপ্রশাসক ও এলজিইডি’র প্রধান প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ফুলবাড়ীগেট থেকে তেলিগাতী পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন স্থানের কার্পেটিং এবং খোয়া উঠে শতশত খানাখন্দে পরিণত হয়েছে। কুয়েট মেইনগেট, খানাবাড়ী নারিকেল তলা, ল্যাবরেটরি স্কুল মোড় এবং পাকার মাথায় চারটি স্থানের প্রায় রাস্তাজুড়ে কার্পেটিং এবং খোয়া উঠে বড়বড় গর্তে পরিণত হওয়ায় ভারি যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়েগেছে। তবে ব্যক্তি উদ্যোগে রাবিশ ফেলে ছোট যানবাহনগুলো কোনোরকম চলাচল করছে। কুয়েট দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যায় কর্তৃপক্ষ নিজেদের খোয়া বালু এবং এলজিডি’র জনবল দিয়ে কোনো রকম ফুলবাড়ীগেট থেকে কুয়েট মেইনগেট পর্যন্ত চলাচলের উপযোগী করেছে।

শিক্ষক প্রশিক্ষণ মহাবিদ্যালয় শিক্ষক দিলিপ কুমার বিশ্বাস বলেন, শিক্ষাজোন খ্যাত খুলনার সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এটি। এই সড়কের দূরাবস্থার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের শেষ নেই। শুধুমাত্র রাস্তার জন্য অনেক শিক্ষার্থী অন্যত্র চলে যায়। অনেক শিশু শিক্ষার্থীকে ভ্যান অথবা ইজিবাইক থেকে পড়ে যেতে দেখেছি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ