ঢাকা, শনিবার 31 August 2019, ১৬ ভাদ্র ১৪২৬, ২৯ জিলহজ্ব ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

গুম-খুনের জন্য আওয়ামী লীগ সরকার একদিন মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত হবে -মির্জা ফখরুল

স্টাফ রিপোর্টার : বিশ্ব গুম প্রতিরোধ দিবসকে কেন্দ্র করে দলের গুম হওয়া নেতাকর্মীদের পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে দেখা করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির শীর্ষ নেতারা। শুক্রবার বিশ্ব গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে প্রথমেই বিকেল ৩টায় ছাত্রদল নেতা নিজামুদ্দিন মুন্নার বাসায় যান বিএনপি মহাসচিব। এরপর বিকেল সাড়ে ৩টায় শাহীনবাগ তেজগাঁও থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সুমনের বাসায় ও বিকেল ৪টায় মহাখালীতে বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক গুম হওয়া এম ইলিয়াস আলীর বাসায় যান মির্জা ফখরুল।
এম ইলিয়াস আলীর বাসা থেকে বের হয়ে মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের বলেন, গুম-খুনের জন্য আওয়ামী লীগ সরকার একদিন মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
ফখরুল বলেন, ‘এনফোর্স ডিজএপিয়ারেন্স- এটা সম্পূর্ণরূপে মানবতাবিরোধী একটা অপরাধ। জাতিসংঘের যে একটা চার্ট আছে সেই চার্টে পরিষ্কার করা হয়েছে -দিস ইজ এ ক্রাইম এগেনেস্ট হিউমেনেটি। আজকে এই সরকার অভিযুক্ত হবে এই ক্রাইম এগেনেস্ট হিউমিনেটির জন্য।’
তিনি বলেন, আমরা একটা জিনিসে বিশ্বাস করি, একদিন না একদিন এই মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য বিচার হবেই। আজকে বাংলাদেশে গণতন্ত্রহীনতা আছে, জনগণের প্রতিনিধি নেই। সত্যিকার অর্থে যেদিন জনগণের প্রতিনিধির সরকার গঠিত হবে সেইদিন এর বিচার অবশ্যই হবে।’
নিখোঁজ ব্যক্তিরা তাদের পরিবারের কাছে ফিরে আসবে –এরকম প্রত্যাশা ব্যক্ত করে মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের পাশে আছি। ভবিষ্যতে এর একটা সুষ্ঠু বিচার হবে।’
২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল মধ্য রাতে মহাখালীর সাউথ পয়েন্ট স্কুলের সামনে থেকে ইলিয়াস আলী ও তার গাড়ি চালককে তুলে নিয়ে যায় সাদা পোশাকধারীরা। এর আগে বিএনপি মহাসচিব ইলিয়াস আলীর বাসায় আসেন। ইলিয়াসের স্ত্রী তাহসিনা রুশদী ও তার বড় ছেলে আবরার ইলিয়াসের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজ-খবর নেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার জনগণের উপর অন্যায়ভাবে অত্যাচার নির্যাতন চালাচ্ছে। মানুষ খুন হচ্ছে, গুম হচ্ছে। কিন্তু এতে সরকার কোন কর্ণপাত করছে না। একদিন এই সরকারকে এইসবের জন্য জবাব দিতেই হবে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা যে দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করলাম। আজকে সেই দেশে একমাত্র যুবক ছেলেরা রাজনীতি করার কারণে তারা গুম হয়ে যাচ্ছে। তাদের পরিবার জানেনা।
তারা কোথায় আছে কি করছে। ছোট্ট শিশু সন্তানরা জানেনা তাদের বাবারা কোথায় আছেন। তাদের পরিবারের লোকেরা এখনও ভাবছেন এ বোধহয় বাসায় ফিরবে। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের, এই যে রাষ্ট্র, এই যে সরকার। যারা দাবি করে যে তারা জনগণের প্রতিনিধি, তারা শুধুমাত্র শক্তি দিয়ে, রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে জনগণের উপর নির্যাতন করে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে আছে। আজকে যে ঘটনাগুলো ঘটছে এইসব ঘটনাগুলো আমরা আগে কখনোই জানতাম না। ১৯৬০ সাল থেকে আমরা ছাত্র আন্দোলন করেছি, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি। আমরা কখনো গুম হয়ে যাওয়ার খবর শুনিনি। গুম হয় লাতিন আমেরিকাতে। জাতিসংঘের চার্টার্ডে বলা হয়েছে এটা মানবতা বিরোধী অপরাধ। এই অপরাধ করে তারা আজকে সংগঠন করছে। কি আশ্চর্যের ব্যাপার তারা সবখানেই পার পেয়ে যাচ্ছে। দেশে ব্যারিস্টার নিখোঁজ হচ্ছে, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নিখোঁজ হচ্ছে, ১৭ মাস নিখোঁজ হওয়ার পর বাসায় ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে একজন অ্যাম্বসেডার কে।
তিনি আরো বলেন, এগুলো একমাত্র তখনই সম্ভব। যখন জনগণের কাছে সরকারের কোন জবাবদিহিতা থাকেনা। কোন দায় থাকে না। কিন্তু একদিন না একদিন তাদের এই জবাব দিতেই হবে। এটার জবাব না দিয়ে তারা যেতে পারবে না। দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময় যে ঘটনাগুলো ঘটেছে, তার বিচার কিন্তু এর পরবর্তী সময়ে হয়েছে। সুতরাং এখান থেকে পার পেয়ে যাবে সেটা আমরা মনে করি না। তবে আমাদের ধৈর্য্য ধরতে হবে নিশ্চয়ই আমরা অবারকাম করতে পারবো। জনগণের যে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস সেটা অবশ্যই সফল হবে।
এদিকে বিএনপির কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বংশালে মো. সোহেল, জহিরুল ইসলাম জহির, পারভেজ হোসেন, মো. চঞ্চল, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সূত্রাপুরের খালিদ হোসেন সোহেল, সেলিম রেজা পিন্টু, সম্রাট মোল্লা এবং সেলিমা রহমান সবুজবাগে মাহবুব হাসান সুজন ও কাজী ফরহাদ হোসেনের বাসায় গিয়ে তাদের পরিবারের খোঁজ-খবর নিয়েছেন।
এদিকে বিএনপি'র আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া যখন বাধাগ্রস্ত হয়, তখন থেকে গুম, খুন, নির্যাতন বেড়ে যায়। এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে গণতান্ত্রিক কাঠামো, নির্বাচনী ব্যবস্থা, মানুষ স্বাধীনভাবে বাঁচার অধিকার সব কিছুই কেড়ে নিয়েছে। তেমনিভাবে ২০১০ সালের ৮ নভেম্বর উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি ও চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বাচাকে গুম করা হয়। কিন্তু এখনো পর্যন্ত তার কোনো হদিস সরকার দিতে পারে নাই। আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী পরিবারকে সান্ত¡না দিতে গিয়ে বলেন, বিএনপি নজরুল ইসলাম বাচা চেয়ারম্যানকে ভুলিনি। আমরা আপনাদের পাশে আছি। তাই আপনাদের দেখতে এসেছি। তিনি আজ ৩০ অগাস্ট, শুক্রবার  দুপুরে, বিশ্ব গুম দিবস উপলক্ষে গুম হওয়া বোয়ালখালীর বিএনপি'র সভাপতি নজরুল ইসলাম বাচা চেয়ারম্যানের পরিবারকে দেখতে ১৮ নং পূর্ব বাকলিয়া  বাসায় গেলে একথা বলেন।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডা.শাহাদাত হোসেন বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির মাধ্যমে এদেশের মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পাবে। এই সরকার বিনা ভোটে একদলীয় নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে গুম, খুন, নির্যাতন চালিয়ে ফ্যাসিস্ট কায়দায় দেশ শাসন করছে। এই সরকারের অধীনেই সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী গুম ও খুন হয়েছে। এই দেশ স্বাধীন হওয়ার কোন সরকারের আমলে তা হয়নি।
এ সময় অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি এম এ আজিজ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এনামুল হক, নগর বিএনপির সহ-সভাপতি অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, যুগ্ন-সম্পাদক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ তৈয়ব,  কামরুল ইসলাম, বোয়ালখালী পৌরসভার মেয়র আবুল কালাম  আবু, নগর বিএনপি'র সহ সম্পাদক মোঃ শাহাজান, আব্দুল আজিজ, আলমগীর, বাকলিয়া থানা বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক আফতাবুর রহমান শাহীন,  ১৮ নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি  আবদুল্লাহ অল ছগির, নগর বি এন পির সদস্য আলী ইউসুফ, হাজী মোহাম্মদ ইউসুফ, সাহেদা বেগম, বাকলিয়া থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলমগীর, নগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরী, নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, আরো উপস্থিত ছিলেন বাঁচা চেয়ারম্যানের ছোটভাই চেয়ারম্যান হামিদুল হক মান্নান, বাকলিয়া থানা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক কামরুন নাহার, মোহাম্মদ জসিম বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম নীরব, যুবদল নেতা আসাদুর রহমান টিপু, মাসুম, নুরুদ্দিন, মুসা, মহিলা দল নেত্রী কোহিনুর বেগম, ফাতেমা বেগম জাহাঙ্গীর প্রমুখ।
ইতোমধ্যে বিএনপির পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় দাবি করা হয়েছে, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস আলী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য চৌধুরী আলম, সাবেক সাংসদ সাইফুল ইসলাম হীরু, বিএনপি নেতা হুমায়ুন কবির পারভেজ, তেজগাঁও কলেজ ছাত্রদল সভাপতি আমিনুল ইসলাম জাকির, তেজগাঁও থানা বিএনপির নেতা সাজেদুল হক সুমন, সাজেদুলের খালাতো ভাই জাহিদুল করিম, নাখালপাড়ার আবদুল কাদের ভূঁইয়া ও মাজহারুল ইসলাম রাসেল, মুগদাপাড়ার আসাদুজ্জামান রানা, উত্তর বাড্ডার আল আমিন, বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি এ এম আদনান চৌধুরী ও কাওসার আহমেদ, সবুজবাগ থানা ছাত্রদলের সভাপতি মাহাবুব হাসান, ছাত্রদল নেতা খালিদ হাসান, সম্রাট মোল্লা, জহিরুল ইসলাম, পারভেজ হোসেন, মো. সোহেল, চঞ্চল, নিজাম উদ্দিন মুন্না, তরিকুল ইসলাম ঝন্টু, কাজি ফরহাদ, সেলিম রেজা পিন্টু, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন কুসুম সরকারের রোষানলে পড়ে গুম হয়েছেন।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের অধিকার সংগঠনগুলোর বরাত দিয়ে ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, বাংলাদেশে ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ১০ বছরে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ৫০৭ জন মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন। বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠনের পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, ২০১৯ সালে শুধুমাত্র জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসের মধ্যেই ১২ জন ব্যক্তি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা দ্বারা গুমের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে, যাদের মধ্যে ২ জনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়, একজন ফিরে এসেছেন, ৫ জন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হেফাজতে রয়েছেন এবং বাকি ৪ জনের এখনও কোনও খোঁজ নেই। এরপরে গত চার মাসেও অনেক স্থানে বেশ কিছু গুমের তথ্যও পাওয়া গেছে।
গোটা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও গুম এক মহামারি আকার ধারণ করেছে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিবাদ আর নিন্দার মুখেও থামছে না গুমের বিস্তার।

গুম দিবসের বিবৃতি
আওয়ামী লীগ সরকার ব্যাপক হারে
বিরোধী মতের লোকদের গুম করছে -মির্জা ফখরুল
স্টাফ রিপোর্টার : বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার ব্যাপক হারে বিরোধী মতের লোকদের গুম করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সরকার বিরোধী দলশূন্য দেশ গড়তে চায় দাবি করে ফখরুল বলেন, তারা গুমকে এর কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছে।
গতকাল শুক্রবার বিকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ফখরুল এসব কথা বলেন। ‘আন্তর্জাতিক গুম দিবস’ উপলক্ষে তিনি এই বিবৃতি দেন।
গুমের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতিতে ফখরুল বলেন, ‘আমি তাদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। বাংলাদেশে গুমের আতঙ্ক এখন সর্বত্র পরিব্যাপ্ত। দুঃশাসন থেকে উৎপন্ন হয় গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার মতো মানবতাবিরোধী হিংস্রতা। সরকারের গড়ে তোলা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিরোধী দলের প্রতিবাদী নেতাকর্মীদের ধরে নিয়ে অল্পদিন-দীর্ঘদিন অথবা চিরদিনের জন্য নিখোঁজ করে দেয়।’
‘গুমের শিকার হয়েছেন বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস আলী, সাইফুল ইসলাম হিরু ও চৌধুরী আলম, সুমনসহ অসংখ্য মানুষ। আরেকটি অভিনব গুমের শিকার হয়েছেন সাবেক মন্ত্রী ও দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। তাকে দুই মাস গুম করে রাখার পর পাচার করা হয়েছে অন্য দেশে। এ নতুন ধরনের ঘটনা দেশবাসীকে অজানা আতঙ্কে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘গুম করা হয়েছে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মীকে। তাদের বেদনার্ত পরিবাররা এখনো পথ চেয়ে বসে রয়েছে প্রিয়জনদের ফিরে আসার সম্ভাবনায়। রাষ্ট্র-সমাজে মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার বোধ সৃষ্টির জন্যই গুমকে কৌশল হিসেবে ব্যবহার করে নিষ্ঠুর শাসকগোষ্ঠী। তাদের মূল লক্ষ্য বিরোধী কণ্ঠকে নির্মূল করা।’
এর আগে দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী দাবি করেন, আওয়ামী গত দুই মেয়াদে বারশ’র বেশি মানুষকে গুম করেছে। এর মধ্যে সরাসরি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের সাত শতাধিক নেতাকর্মীকে গুম করেছে। এসব গুমের বিচার একদিন হবে বলেও সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপি নেতারা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ