ঢাকা, সোমবার 9 September 2019, ২৫ ভাদ্র ১৪২৬, ৯ মহররম ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

রাজনৈতিক বিবেচনার নতুন ব্যাংক ॥ সংকটে ব্যাংকিং খাত

মুহাম্মাদ আখতারুজ্জামান: সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল অবদুল মুহিত ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিরোধিতা সত্ত্বেও থেমে থাকেনি নতুন ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়া। প্রেসার গ্রুপের চাপে রাজনৈতিক বিবেচনায় দেয়া নতুন ব্যাংকের কারণে সংকটে ব্যাংকিং খাত। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, অর্থনীতির রক্তক্ষরণের নাম ব্যাংক। দেশের ব্যাংক ব্যবস্থা ভালো নেই। ব্যাংক খাতকে যদি একটি দেশের অর্থের হৃৎপিণ্ড ধরা হয় তাহলে সেখানে রক্তক্ষরণ ঘটছে অনেক দিন ধরে। ব্যাংক খাতে দুর্নীতি ক্যানসারের মতো একবার দেখা দিলে তা ছড়িয়ে পড়ে গোটা অর্থনীতিতে। বর্তমানে ব্যাংকিং খাতের সবচেয়ে বড় সমস্যা খেলাপি ঋণ। রাজনৈতিক বিবেচনায় দেওয়া নতুন ব্যাংকগুলো ব্যাংকিং খাতের সংকট আরও বাড়িয়েছে। ব্যাংকিং খাতে বাড়ছে আরও নতুন ব্যাংকের সংখ্যা। এদিকে চলতি মাসে কমিউনিটি ব্যাংক এবং ডিসেম্বরে আসছে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক। এছাড়া দ্য সিটিজেন ব্যাংকেরও এ মাসেই লাইসেন্স পাওয়ার কথা। এ ব্যাংকের নামে লেটার অব ইনটেন্ট বা এলওআই ইস্যু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে লাইসেন্স পেতে আরও সময় লাগতে পারে পিপলস ব্যাংকের। এখনও এটির চূড়ান্ত অনুমোদন হয়নি।
জানা গেছে, নতুন ব্যাংকের আর প্রয়োজন নেই- বাংলাদেশ ব্যাংকের এমন মতামত উপেক্ষা করে রাজনৈতিক বিবেচনায় নতুন তিনটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের লাইসেন্স দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এসব ব্যাংকের উদ্যোক্তা বা নেপথ্যে যারা আছেন, তারা সবাই সরকারের খুব ঘনিষ্ঠজন। এর আগে একই প্রক্রিয়ায় বেসরকারি খাতে নতুন ৯টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের লাইসেন্স দেয়া হয়েছিল।
২০১০ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সমীক্ষায় বলা হয়, ‘দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে আর কোনো নতুন ব্যাংকের প্রয়োজন নেই।’ এর আলোকে ২০১১ সালে সরকার নতুন ব্যাংক দেয়ার উদ্যোগ নিলে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতেও এই মতামত দেয়া হয়। এ বিষয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় দেয়া ব্যাংকগুলো ভালো ব্যবসা করতে পারে না। রাজনৈতিক বিবেচনায় দেয়া ব্যাংকগুলোর প্রায় সবকটির অবস্থাই এখন খারাপ। এ কারণে তাদের বক্তব্য রাজনৈতিক বিবেচনায় আর নতুন ব্যাংক দেয়া উচিত হবে না।
সূত্র জানায়, ২০০১ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট ক্ষমতায় এসে নতুন ব্যাংকের লাইসেন্স দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল। তখন বাংলাদেশ ব্যাংক একটি সমীক্ষা চালিয়ে বলেছিল, দেশের অর্থনীতিতে আর নতুন ব্যাংকের প্রয়োজন নেই। যেসব ব্যাংক আছে, সেগুলোকেই দেশীয় ও আন্তর্জাতিকমানের নীতিমালায় এনে পরিচালিত করা কঠিন চ্যালেঞ্জ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী মরহুম এম সাইফুর রহমান বেসরকারি খাতে আর কোনো নতুন ব্যাংকের লাইসেন্স দেয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল করে দিয়েছিলেন। ফলে বিএনপি সরকারের শেষ সময় পর্যন্ত কোনো নতুন ব্যাংকের লাইসেন্স দেয়া হয়নি। যদিও ওই সময়ে নতুন ব্যাংকের অনুমোদন চেয়ে ১০৬টি আবেদন পড়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংকে।
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর আবার নতুন ব্যাংকের লাইসেন্স দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক আপত্তি করে। এমনকি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্ষদ সভায়ও এ বিষয়ে আপত্তি তোলা হয়। দেশের অর্থনীতি, ব্যাংকিং খাতের অবস্থা নিয়ে অর্থমন্ত্রীর কাছে একটি প্রতিবেদন তুলে ধরা হলে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতও নতুন ব্যাংক না দেয়ার পক্ষে অবস্থান নেন।
ফলে নতুন ব্যাংকের লাইসেন্স দেয়া সাময়িকভাবে স্থগিত হয়ে যায়। কিন্তু ২০১০ সালের শেষদিকে সরকার বেসরকারি খাতে নতুন ব্যাংক দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে। ২০১১ সালে ব্যাংক দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংক আবারও তীব্র আপত্তি তোলে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্ষদ থেকেও নতুন ব্যাংকের লাইসেন্স না দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু এই পর্যায়ে সরকারের ওপরমহলের নির্দেশে অর্থমন্ত্রী নতুন ব্যাংক দেয়ার বিপক্ষের অবস্থান থেকে সরে এসে ব্যাংক দেয়ার পক্ষে অবস্থান নেন।
একপর্যায়ে তিনি সাংবাদিকদের কাছে বলেছিলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারের একটি সংস্থা। সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নতুন ব্যাংক দেবে। এই সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাস্তবায়ন করবে। এটিই তাদের কাজ। অর্থমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকও তার অবস্থান থেকে সরে এসে নতুন ব্যাংকের লাইসেন্স দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে। যেসব ব্যাংকের লাইসেন্স দেয়া হবে, তার একটি তালিকা সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠানো হয়। এই তালিকা অনুযায়ী ২০১৩ সালে ৯টি ব্যাংকের লাইসেন্স দেয়া হয়।এর সবই ছিল সরকারের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিতদের নামে।
ব্যাংকগুলো হচ্ছে- মধুমতি ব্যাংক, মেঘনা ব্যাংক, এনআরবি ব্যাংক, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, ফারমার্স ব্যাংক এবং সাউথ বাংলা অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক। রাজনৈতিক বিবেচনায় অনুমোদন পাওয়া এসব ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৩ সালে। অথচ কার্যক্রমে আসার মাত্র ৬ বছরের মাথায় বিপুল অঙ্কের খেলাপি ঋণের কবলে পড়ে ব্যাংকগুলো।এর মধ্যে ফারমার্স ব্যাংক আমানতকারীর টাকা ফেরত দিতে না পেরে ব্যাংকিং খাতে বড় ধরনের আস্থার সংকট তৈরি করেছে। এ ব্যাংকের নামও পরিবর্তন করে পদ্মা ব্যাংক রাখা হয়েছে।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, এ সরকারের শুরুতে নতুন ৯টি ব্যাংকের লাইসেন্স দেয়া ঠিক হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংক সে সময় আপত্তি জানিয়েছিল। কিন্তু চাপের মুখে তারা লাইসেন্স দিতে বাধ্য হয়। কয়েকটি ব্যাংকে ঋণ অনিয়ম এবং সব ব্যাংকের মাত্রাতিরিক্ত খেলাপি ঋণই প্রমাণ করছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই সময়ের বিরোধিতা সঠিক ছিল।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত নতুন ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ হাজার ৪২০ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল মাত্র ৭১৩ কোটি টাকা। এতে এক বছরের ব্যবধানে এসব ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১ হাজার ৭০৭ কোটি টাকা। খেলাপি প্রবৃদ্ধি প্রায় সাড়ে তিনগুণ। নতুন ব্যাংকের মধ্যে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণ রয়েছে পদ্মা ব্যাংকের।  জুন পর্যন্ত ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ দেড় হাজার কোটি টাকা ছাড়ায়।
এ ব্যাপারে সংসদে তথ্য দিয়ে সাবেক শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ৯ নতুন ব্যাংকে খেলাপি ঋণ ৪ হাজার ২৭০ কোটি টাকা।  তিনি বলেন, অর্থনীতির রক্তক্ষরণের নাম ব্যাংক। দেশের ব্যাংক ব্যবস্থা ভালো নেই। ব্যাংক খাতকে যদি একটি দেশের অর্থের হৃৎপি- ধরা হয় তাহলে সেখানে রক্তক্ষরণ ঘটছে অনেক দিন ধরে। অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, ব্যাংক খাতে দুর্নীতি ক্যানসারের মতো একবার দেখা দিলে তা ছড়িয়ে পড়ে গোটা অর্থনীতিতে। ২০০৯ সালে খেলাপি ঋণ ছিল ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা। ২০১৮-তে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৯৯ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা। গত ৬ বছরের ৯টি নতুন ব্যাংকে খেলাপি ঋণ হয় ৪ হাজার ২৭০ কোটি টাকা।
ইব্রাহিম খালেদ বলেন, সাবেক অর্থমন্ত্রী নিজেই বলেছেন ব্যাংক বেশি হয়ে গেছে। তাহলে তিনি কীভাবে নতুন ব্যাংকের প্রস্তাব পাঠান বাংলাদেশ ব্যাংকে। এভাবে দ্বিমুখী নীতি ব্যাংকিং খাতকে অনেক ক্ষতি করেছে। মন্ত্রীর অমতেও কোন প্রেসার গ্রুপের চাপে আরও নতুন ব্যাংক দেয়া হচ্ছে, তা খতিয়ে বের করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
এছাড়া আরও ৩টি ব্যাংকের মধ্যে বেঙ্গল ব্যাংকের মালিকানায় রয়েছে আওয়ামী লীগের এমপি মোরশেদ আলম। পিপলস ব্যাংকের পর্ষদের চেয়ারম্যান হচ্ছেন আওয়ামী লীগের যুক্তরাষ্ট্র শাখার নেতা এমএ কাসেম এবং সিটিজেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান হচ্ছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের মা জাহানারা হক। এছাড়াও এই সরকারের আমলে ২০১৬ সালে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড কল্যাণ ট্রাস্টের মালিকানায় সীমান্ত ব্যাংকের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বিশেষায়িত প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংককে বাণিজ্যিক ব্যাংকে রূপান্তর করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি-জুন এ ছয় মাসেই দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১৮ হাজার ৫১৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে এপ্রিল-জুন এ তিন মাসে বেড়েছে ১ হাজার ৫৫২ কোটি টাকা। ফলে জুন শেষে খেলাপি ঋণ বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা, যা বিতরণ করা মোট ঋণের ১১ দশমিক ৬৯ শতাংশ। এর সঙ্গে অবলোপন করা ঋণ যোগ করলে খেলাপি ঋণ দেড় লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।
ব্যাংকসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ঋণখেলাপিরা নতুন নতুন সুযোগ পাবেন এমন ঘোষণায় ভালো অনেক ব্যবসায়ীও ঋণ শোধ করছেন না। আবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারকি দুর্বলতায় ব্যাংকগুলোর স্বাস্থ্য আরও খারাপ হয়ে পড়ছে।
বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের প্রধান উদ্যোক্তা বেঙ্গল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন বলেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই যাতে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক চালু করা যায়, সেভাবে কাজ এগিয়ে চলছে। এ মাসেই আমরা লাইসেন্সের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন করবো। এরই মধ্যে গুলশানের খন্দকার টাওয়ারে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের জন্য অফিস নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, এ মাসেই চালু হতে পারে পুলিশের মালিকানাধীন কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড। গুলশানের পুলিশ প্লাজায় প্রধান কার্যালয়ের পাশাপাশি প্রিন্সিপাল শাখাসহ ৬টি শাখা দিয়ে এটির কার্যক্রম চালু হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যাংকটির উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।
প্রসঙ্গত, আওয়ামী লীগ সরকার রাজনৈতিক বিবেচনায় ২০১২ সালে ৯টি বেসরকারি ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়ার পর ব্যাপক সমালোচনা হয়। এছাড়া ঋণ জালিয়াতি ও তারল্য-সংকট বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকিং খাত নিয়েও ব্যাপক সমালোচনা হয়। এরই মধ্যে ‘রাজনৈতিক বিবেচনায়’ ৪টি ব্যাংকের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অনুমোদন পাওয়া এসব ব্যাংকের মালিকানায় আছেন মন্ত্রী, এমপি ও সরকারি দল সমর্থক ব্যবসায়ীরা। এ ৪টি ব্যাংক চালু হলে দেশে বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা দাঁড়াবে ৬২টিতে।
চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় বেঙ্গল কমার্শিয়াল, সিটিজেন ও পিপলস নামে নতুন ৩টি ব্যাংকের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। সবশেষে চলতি মাসে চালু হতে যাচ্ছে পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের মালিকানায় কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ। কমিউনিটি ব্যাংকের মাধ্যমে সারাদেশে পুলিশ সদস্যদের বেতন দেওয়া হবে। আপাতত পুলিশ সদস্যরাই হবেন এই ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার। তিন বছর পর ব্যাংকটির শেয়ার ছাড়া হবে বাজারে। কমিউনিটি ব্যাংকের লভ্যাংশ যাবে পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অ্যাকাউন্টে। ট্রাস্টের মাধ্যমে ওই টাকা ব্যয় হবে পুলিশ সদস্যদের কল্যাণে। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ