ঢাকা, রোববার 20 October 2019, ৫ কার্তিক ১৪২৬, ২০ সফর ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

টেকনাফে যুবলীগ নেতা হত্যা মামলার আরো দুই আসামি বন্দুকযুদ্ধে নিহত

নিহত দুই রোহিঙ্গা

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: কক্সবাজারের টেকনাফে যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যার ঘটনায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আরো দুই রোহিঙ্গা নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তারা দুজনই যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যা মামলার আসামি। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত রোহিঙ্গার সংখ্যা হলো ছয় জন। 

বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর)  দিবাগত রাতে টেকনাফের হ্নীলা ইউপির জামিদুড়া চাইল্ড ফেন্ডলি স্পেস অফিসের পেছনের পাহাড়ে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। পুলিশের দাবি, এসময় তাদের তিন সদস্য আহত হয়েছেন। তারা হলেন- এএসআই কাজী সাইফ উদ্দিন, কনস্টেবল নাবিল ও রবিউল ইসলাম।

নিহতরা হলো এ/পি নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের সি-ব্লকের এমআরসি নং-৪৫৯৫০, শেড নং-৮৩৮, ১নং রোমে অবস্থানকারী মিয়ানমারের আকিয়াব জেলার মন্ডু থানার বুচিদং হাসসুরাতার জমির আহমদের পুত্র মো. আব্দুল করিম (২৪) এবং একই ব্লকের এমআরসি নং-৩৫১২২, শেড নং-৮৮০/৬০, ১/২নং রোমে অবস্থানকারী মিয়ানমারের আকিয়াব জেলার মন্ডু থানার পুইমালীর সৈয়দ হোসেনের পুত্র নেছার আহমদ ওরফে নেছার (২৭)।পুলিশের দাবী দুজনই ডাকাত দলের সদস্য।

পুলিশ সুত্র জানায়, ১৩ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) রাতের প্রথম প্রহরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ প্রদীপ কুমার দাশের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ দল উপজেলার হ্নীলা জাদিমোরা চাইল্ড ফেন্ডলী স্পেস অফিস সংলগ্ন পেছনের পাহাড়ে হ্নীলা ৯নং ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি ওমর ফারুক হত্যাসহ একাধিক মামলার পলাতক আসামি অবস্থানের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায়।

এ সময় দুবৃর্ত্তরা পুলিশের উপস্থিত টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ঁতে থাকে। এতে এএসআই কাজী সাইফ উদ্দিন, কনস্টেবল নাবিল ও রবিউল ইসলাম আহত হয়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও ২৮ রাউন্ড পাল্টা গুলি চালায়। গোলাগুলির শব্দে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে অস্ত্রধারীরা গুলি করতে করতে পাহাড়ের ভেতরের দিকে পালিয়ে যায়।

কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থল তল্লাশী করে ২টি এলজি, ৭ রাউন্ড শর্টগানের তাজা কার্তুজ এবং ৯ রাউন্ড কার্তুজের খোসাসহ গুলিবিদ্ধ দুই রোহিঙ্গা ও আহত পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আহত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। অপরদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গুলিবিদ্ধ দুই রোহিঙ্গাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যায়।

নিহতদের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

এই ব্যাপারে তদন্ত স্বাপেক্ষে পৃথক মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

ডিএস/এএইচ

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ