ঢাকা, শুক্রবার 27 September 2019, ১২ আশ্বিন ১৪২৬, ২৭ মহররম ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

বিপ টেস্ট নিয়ে দুশ্চিন্তায় ক্রিকেটাররা

স্পোর্টস রিপোর্টার: ক্রিকেট পাড়ায় গুঞ্জন, জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) ২০১৯-২০২০ মওসুমের জন্য নতুন নিয়ম করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-বিসিবি। খেলতে হলে প্রতিটি ক্রিকেটারের ফিটনেস লেভেল থাকতে হবে আপ টু দ্য মার্ক। ফিটনেসের মান নির্নায়ক বিপ টেস্টে যারা ১১ নম্বর পাবেন না, তারা টুর্নামেন্টে খেলতে পারবেন না। অথচ আগের বছর ৮-৯ থাকলেই চলত। ঠিক এই বিষয়টিই জাতীয় দলের বাইরে থাকা ক্রিকেটারদের দুশ্চিন্তার বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুশ্চিন্তার মাত্রা এতটাই বেশি যে শের-ই-বাংলার চত্বরে এখন এটিই তাদের একমাত্র আলোচ্যসূচিতে পরিণত হয়েছে। মিরপুর জাতীয় ক্রিকেট একাডেমি মাঠে অনুশীলনে এসে বাংলাদেশ জাতীয় দলের এক সময়ের নিয়মিত এক পেসার অভিযোগের সুরে বললেন, ‘ভাই এটা কোনো কথা হলো? বিপ টেস্টে ১১ না পেলে নাকি এনসিএল খেলা যাবে না। এতদিন ৯ নিয়ে খেলেছি। এখন কেন নতুন নিয়ম? জাতীয় দলে যারা খেলে তারাও বিপে এত গ্রেড নিয়ে খেলে না! আমরা যারা জাতীয় দলে খেলি না, তাদের জন্য এই লেভেলের ফিটনেস ধরে রাখাটা সত্যিই কঠিন।’ ওই পেসারের অনুরণন ঠিক বলা যাবে না একটু ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুলও একই কথা বললেন। তার মতে জাতীয় দল, ‘এ’ দল, এইচপি বা অনূর্ধ্ব-২৩ দলের রাডারের মধ্যে যারা থাকেন না তাদের জন্য এই লেভেলের ফিটনেস ধরে রাখাটা সত্যিই কঠিন।

গতকাল বৃহস্পতিবার মিরপুর একাডেমি মাঠে আশরাফুল জানালেন, ‘বিপ টেস্টের যে মার্কটা দেয়া হয়েছে, আগে ছিল ৯ এবার ১১ দেয়া হয়েছে। এটা নিয়ে যারা ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলছি সবার মধ্যে আলোচনা হচ্ছে। প্রথম শ্রেণীতে যারা খেলছি, সবাই যদি অফ সিজনে সুযোগটা পেত তাহলে ১১ দেয়া কোনো ব্যাপারই না। গত বছর আমি ১১.৫ পেয়েছিলাম। ওই সুযোগ সুবিধাটা কিন্তু আমরা সবসময় পাই না। ন্যাশনাল টিম বা এইচপি, আন্ডার-২৩ ওই টিমে যারা থাকে না, তাদের জন্য কিন্তু একা একা অনুশীলন করাটা কঠিন হয়ে যায়।’ তবে নিজের ফিটনেস নিয়ে আশরাফুলকে ততটা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত মনে হলো না। কারণটা জানালেন, ‘গত বছর আমি ১১.৪ দিয়েছিলাম। আমি যখন বাংলাদেশ টিমে শুরু করেছি, এখন পর্যন্ত আমার ফিটনেসে কোনো সমস্যা হয়নি। এবারও আশা করি যে বেঞ্চ মার্ক দেয়া হয়েছে সেটা করার চেষ্টা করবো।’ অবশ্য এখনই তাদের এতটা দুশ্চিন্তাগ্রস্থ না হলেও চলবে। কেননা বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে নাকি এই সিদ্ধান্ত জানায়নি। মজার ব্যাপার হলো, খোদ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের টুর্নামেন্ট কমটিও এ বিষয়ে কিছুই জানে না। কমিটির ইনচার্জ আরিফুল ইসলাম তো তাই বললেন, ‘বিপ টেস্টে কত পেতে হবে এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না। নান্নু ভাই (মিনহাজুল আবেদীন নান্নু) জানেন।’তিনি আরও জানালেন, ‘আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর এনসিএলের সভা শেষে জানা যাবে যে বিপে কত মার্ক হলে তারা লঙ্গার ভার্সনের এই টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারবেন।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ