ঢাকা, সোমবার 30 September 2019, ১৫ আশ্বিন ১৪২৬, ৩০ মহররম ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

পুনরায় নিয়োগ দিতে হবে ভারতের হেড কোচ!

নানান ঝামেলা ও সংশয় শেষে দ্বিতীয় দফায় ভারতের হেড কোচের পদে নিয়োগ পেয়েছিলেন দেশটির সাবেক অধিনায়ক রবি শাস্ত্রী। কিন্তু নতুন করে সৃষ্ট ঝামেলার কারণে হয়তো এ পদটি হারানো লাগতে পারে তাকে। তবে পদ না হারিয়ে শাস্ত্রীকেই পুনরায় নিয়োগের ব্যাপারে বলছে সংশ্লিষ্টরা। ভারতের সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক নির্ধারিত ক্রিকেট এডভাইজরি কমিটির (সিএসি) সুপারিশ মোতাবেক হেড কোচ পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল রবি শাস্ত্রীকে। কিন্তু এখন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড- বিসিসিআইয়ের নৈতিকতা কমিটির অফিসার ডিকে জেইন জানাচ্ছেন এই সিএসিতেই রয়েছে স্বার্থের সংঘাত। যে কারণে অবৈধ হয়ে যেতে পারে শাস্ত্রীর নিয়োগপত্রটি। এরই মধ্যে সিএসির তিন সদস্য কপিল দেব, আনশুমান গাইকোয়ার এবং শান্তা রাঙ্গাস্বামীর বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাত বিষয়ক প্রশ্ন উঠেছে। বিসিসিআইয়ের নৈতিকতা কমিটির পক্ষ থেকে শনিবার তাদের কাছে লিখিত নোটিশও পাঠানো হয়েছে। আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে সিএসির সদস্যদের। আর এ ঘটনার গ্যাঁড়াকলে পড়েই মূলত অযাচিত ঝামেলার মধ্যে পড়তে হবে শাস্ত্রীকে। যদি সত্যিই সিএসির সদস্যদের মধ্যে স্বার্থের সংঘাতের প্রমাণ মেলে, তাহলে বাতিল হয়ে যাবে শাস্ত্রীর নিয়োগ। সেক্ষেত্রে পুনরায় হেড কোচ নিয়োগ দিতে হবে ভারতকে। বোর্ডের এক কর্তাব্যক্তি এ বিষয়ের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘যেই কমিটির মাধ্যমে হেড কোচ নিয়োগ দেয়া হয়েছে, সেই কমিটির মধ্যেই যদি স্বার্থের সংঘাত থেকে থাকে- তাহলে অবশ্যই হেড কোচ হিসেবে শাস্ত্রীর নিয়োগ পদ্ধতি আবারও করতে হবে। এ ক্ষেত্রে নতুন সিএসি গঠন করা হবে এবং হেড কোচ নিয়োগের সকল কাজ পুনরায় শুরু করতে হবে। কেননা বোর্ডের সংবিধানের নতুন ধারায় স্পষ্টত উল্লেখ করা আছে শুধুমাত্র সিএসিই পারবে ভারতের নতুন কোচ নিয়োগ দিতে।’ আর যদি এমনটা সত্যি হয় তাহলে ঝামেলা পোহাতে হবে নারী দলের কোচ উরকেরি রমনকেও। কেননা সিএসির সুপারিশেই ভারতীয় নারী দলের কোচ করা হয়েছিল রমনকে। ইন্টারনেট। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ