ঢাকা, সোমবার 30 September 2019, ১৫ আশ্বিন ১৪২৬, ৩০ মহররম ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

রাঙ্গুনিয়ায় কালভার্টের অভাবে চরম দুর্ভোগ

রাঙ্গুনিয়ার গজালিয়া ফকিরটিলা সড়কের কুলকুরমাই খালে একটি ব্রিজের অভাবে এলাকাবাসীর চরম দুর্ভোগ।

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা: চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার গজালিয়া ফকিরটিলা সড়কের কুলকুরমাই খালে একটি ব্রিজের অভাবে প্রায় হাজার হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কালভার্টের অভাবে স্থানীয় উৎপাদিত কৃষি পণ্য পরিবহন করতে না পারায় আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন কৃষকরা। এ সড়কে যাতায়াতের একমাত্র বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে কুলকুরমাই খাল। ফকিরটিলা, গাজালিয়া, ফুইট্ট্যাগোদা, নজরুলপাড়া, ছনখোলাবিল, মোল্লাপাড়া, আকবর শিকদার পাড়া, ওয়াহেদ আকবর শিকদার পাড়া, সামসের নগর, আলমশাহ পাড়া, হোচনাবাদ ইউনিয়নের নিশ্চিন্তাপুর সহ একাধিক গ্রামের হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে। জানা যায়, উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের গজালিয়া ফকিরটিলা সড়কের কুলকুরমাই খালে ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরের বার্ষিক উন্নয়ন তহবিল (ইউডিএফ) এর অর্থায়নে কালভার্ট নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০১৮ সালে গজালিয়া ফকিরটিলার কালভার্ট নির্মাণের জন্য উপজেলা উন্নয়ন তহবিল ইউডিএফ থেকে ১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়। বরাদ্দকৃত টাকা দিয়ে খালের উপর ৩টি পিলার নির্মাণ করা হয়। অর্থের অভাবে নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এক বছর পূর্বে নির্মাণ কাজ শেষ হলেও পিলারের উপর কালর্ভাট নির্মাণ হয়নি। এলাকাবাসীর আবেদনের প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরিদর্শন করে কালর্ভাট প্রকল্প বাস্তবায়ন করার উদ্যোগ নেন।
উপজেলা কৃষক লীগের যুগ্ম সম্পাদক মনোহর আলী তালুকদার বলেন, প্রথম দফায় উপজেলা উন্নয়ন তহবিল থেকে ১ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৩টি পিলার নির্মাণ করা হয়। দ্বিতীয় দফায় কালভার্ট নির্মাণে উপজেলা প্রকৌশল বিভাগের (এলজিইডি) ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। নির্মাণের কয়েকদিনের মধ্যে কালভার্ট ধসে পড়ে। কাজের মান খুবই নি¤œমানের হওয়াতে কালভার্ট নির্মাণ টেকসই হয়নি। কৃষক আবদুর রহিম বলেন, গজালিয়া ফকিরটিলা সড়কের কুলকুরমাই খালের ওপর নির্মাণাধীন কালভার্টের পিলার নির্মাণ করা হলেও দন্ডায়মান থাকলেও সেতুর অস্তিত্ব নেই। কুলকুরমাই খালের উপর বাশেঁর সাকোঁ দিয়ে কোনমতে চলাচল করছে গ্রামের মানুষ। ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন দুই হাজারের বেশী মানুষ প্রতিদিন চলাচল করে। নড়বড়ে বাশেঁর সাঁকো দিয়ে পারাপারে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটছে। লালানগর ইউপি চেয়ারম্যান মীর তৌহিদুল ইসলাম কাঞ্চন বলেন, কুলকুরমাই খালের উপর কালভার্ট নির্মাণের বরাদ্দ পাওয়া গেলে বাকি কাজ সম্পন্ন করা হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ