ঢাকা, শনিবার 7 December 2019, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৯ রবিউস সানি ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

জুলুম থেকে বাঁচার দোয়া

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: ঈমানদার বৈশিষ্ট্য হলো তারা সর্বাবস্থায় আল্লাহর উপর ভরসা করে এবং তাঁরই নিকট সাহায্য চায়।

আল্লাহ নিজে জুলুম করেন না এবং জুলুমকারি বা অত্যাচারিকেও পছন্দ করেন না।অত্যাচারিদের জন্য আল কোরআনে রয়েছে কঠোর হুশিয়ারি।তিনি বলেছেন অত্যাচারিদের তিনি হেদায়াত দেননা। সেই সাথে অত্যাচারির জুলুম থেকে ঈমানদারদের রক্ষার জন্য দোয়াও শিখিয়ে দিয়েছেন।

رَبَّنَا لاَ تَجْعَلْنَا فِتْنَةً لِّلْقَوْمِ الظَّالِمِينَ – وَنَجِّنَا بِرَحْمَتِكَ مِنَ الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ

উচ্চারণ : ‘রাব্বানা লা তাঝআলনা ফিতনাতাল লিল ক্বাওমিজ জ্বালিমিন। ওয়া নাঝ্‌ঝিনা বিরাহ্‌মাতিকা মিনাল ক্বাওমিল কাফিরিন।’ (সুরা ইউনুছ : আয়াত ৮৫-৮৬)

অর্থ : ‘হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের উপর অত্যাচারি কওমের শক্তি পরীক্ষা করিও না। আর আমাদেরকে অবিশ্বাসী (জালিমদের) কবল থেকে অনুগ্রহ করে মুক্তি দাও।

অত্যাচারির সামনে হক কথা বলাও জেহাদের অন্তর্ভুক্ত।এজন্য যদি জুলুমের হুমকি আসে তাহলে তার জন্য আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাইতে হবে।আল্লাহর নবী হযরত ইউনুস তার উম্মতের জুলুমবাজদের হাত থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর কাছে আশ্রয় চেয়ে এই দোয়া করেছিলেন।

হজরত মুসা আলাইহিস সালামের প্রতি ঈমান আনয়ন করার পর ফেরাউন ও তার সম্প্রদায় বনি ইসরাইলের ওপর জুলুম অত্যাচার শুরু করে। বনি ইসরাইল সম্প্রদায় হজরত মুসা আলাইহিস সালামকে এ বিষয়ে অবহিত করলে তিনি তাদেরকে আল্লাহর ওপর ভরসা করতে ও তাঁর নিকট আশ্রয় চাইতে বলেন।

মুমিন মুসলমানের উচিত প্রত্যেক নামাজের পর আল্লাহর কাছে এ দোয়ার মাধ্যমে জুলুম-অত্যাচার থেকে বেঁচে থাকতে উল্লেখিত দোয়া করা। এছাড়া সকাল সন্ধ্যায় সুরা ফালাক, সুনা নাস ও সুরা ইখলাস পাঠ করা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ