ঢাকা, মঙ্গলবার 8 October 2019, ২৩ আশ্বিন ১৪২৬, ৮ সফর ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

নাজিবের ভাইকে জরিমানা

মালয়েশিয়ার দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান লতিফা কয়া              -রয়টার্স

৭ অক্টোবর, রয়টার্স : বিতর্কিত রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ তহবিল ওয়ান মালয়েশিয়া ডেভেলপমেন্ট বেরহাদ (ওয়ানএমডিবি) থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের ভাই নাজির রাজাককে জরিমানা করেছে মালয়েশিয়ার দুর্নীতি দমন কমিশন।

কমিশনের প্রধান লতিফা কয়া সোমবার এ তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা।

নাজিরের পাশাপাশি সাবেক এক মন্ত্রী এবং বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকেও জরিমানা করা হয়েছে।

মালয়েশিয়ার অর্থনীতির উন্নয়নের গতি জোরদার করতে ২০০৯ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নাজিব এ ওয়ানএমডিবি তহবিল গঠন করেছিলেন।

ওই তহবিলের প্রায় সাড়ে চারশ কোটি মার্কিন ডলার প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্র ও মালয়েশিয়ার তদন্ত কর্মকর্তাদের।

ওয়ানএমডিবি কেলেঙ্কারির ঝড়ে গত বছরের নির্বাচনে ভরাডুবির পর রাজাক এক কারাগারে। ক্ষমতার অপব্যবহার, মুদ্রা পাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগে তার বিচার চলছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও মালয়েশিয়ার তদন্ত কর্মকর্তারা বলছেন, বিশালবহুল বাড়ি ও ফ্ল্যাট, ব্যক্তি মালিকানাধীন উড়োজাহাজ ও সুপার ইয়ট এবং দামি শিল্পকর্ম ক্রয়ে জালিয়াতির ওই অর্থ ব্যয় করা হয়েছে।

মালয়েশিয়ার দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান লতিফা জানান, তার সংস্থা এখন পর্যন্ত ওয়ানএমডিবির তহবিলের অর্থগ্রহীতা ৮০ জন ও কিছু প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রায় ১০ কোটি ডলার উদ্ধার করেছেন। অবশ্য এর মধ্যে জরিমানার পরিমাণ কত, তা বলেননি তিনি।

যেসব ব্যক্তিকে জরিমানা করা হয়েছে তার মধ্যে মালয়েশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যাংক সিআইএমবির সাবেক চেয়ারম্যান নাজির ছাড়াও নাজিব মন্ত্রিসভার সাবেক সদস্য এবং মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় পামওয়েল সংস্থার সাবেক চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আবদুল সামাদও আছেন, বলেছেন লতিফা।

ওয়ানএমডিবি তহবিল থেকে নাজির ২ কোটি ৫৭ লাখ রিঙ্গিতের একটি চেক পেয়েছিলেন জানালেও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ভাইকে করা জরিমানার অঙ্ক বলেননি দুর্নীতি দমন কমিশনের এ শীর্ষ কর্মকর্তা।

তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে নাজিরের মন্তব্য জানা যায়নি। সাবেক মন্ত্রী শাহরিয়ারও কিছু বলতে রাজি হননি।

মালয়েশিয়ার দুর্নীতি দমন কমিশন সম্প্রতি রাষ্ট্রীয় ওই বিনিয়োগ তহবিলের অর্থ নাজিব সংশ্লিষ্ট যেসব কোম্পানি, রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছিল তাদের নাম প্রকাশ করেছে।

“এটাই পূর্ণাঙ্গ নয়, আরও আছে,” বলেছেন লতিফা। আরও ৮০টি প্রতিষ্ঠান এবং সন্দেহভাজন কয়েক জনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরুর কথাও জানিয়েছেন তিনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ