ঢাকা, মঙ্গলবার 8 October 2019, ২৩ আশ্বিন ১৪২৬, ৮ সফর ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

মঠবাড়িয়ায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী’র ওপর অমানুষিক নির্যাতন

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) সংবাদদাতা : পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার নাগ্রাভাঙ্গা গ্রামে যৌতুকের দাবিতে রিনা বেগম (২৮) নামে এক গৃহবধূঁর ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালিয়েছে তার স্বামীসহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন। এ ঘটনায় রিনা বেগম বাদী হয়ে রোববার রাতে তার স্বামী বাদল (৩৫), শ্বশুর ফজলুল হক হাওলাদার (৫৫), শ্বাশুরী রাবেয়া বেগম (৫০) ও ননদ জেসমিনকে আসামী করে মঠবাড়িয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার নাগ্রাভাঙ্গা গ্রামের ফজলুল হক হাওলাদারে ছেলে বাদল হাওলাদারের সাথে ১২ বছর আগে বাদুরা গ্রামের আলম হাওলাদারের মেয়ে রীণা বেগমের পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়। তাদের দাম্পত্য জীবনে ৯ বছর বয়সী একটি পুত্র ও ৫ বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তোনের জন্ম হয়। বিয়ের প্রথম দিকে বাবার কাছ থেকে ব্যবসার জন্য স্বামী বাদলকে ১ লাখ টাকা এনে দিলে বাদল ওই টাকা নষ্ট করে ফেলে। এর পরে বাদল পুনরায় আরও ১ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। রিনা বেগমের বাবা ওই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে রিনা বেগমের ওপর নেমে আসে শাররীক ও মানুষিক নির্যাতন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৪ অক্টোবর  শুক্রবার রাতে যৌতুকের দাবিতে তাকে বৈদ্যুতিক তার দিয়ে বেধড়ক পেটানো হয়। এক পর্যায় স্বামী বাদল রিনা বেগমকে জবাই করতে গেলে শিশু দু’টির আত্ম চিৎকারে এলাকার লোকজন ছুটে আসে। এসময় রিনা বেগমকে মৃত ভেবে তার স্বামী বাদল জনৈক ওলিউল ইসলামকে মুঠোফেনে রিনা অসুস্থ বলে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় দু’জন চৌকিদার সংবাদে পেয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। ওই গৃহবধূঁ গত ৩ দিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মাসুমুজ্জামান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আসামী গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ