ঢাকা, মঙ্গলবার 8 October 2019, ২৩ আশ্বিন ১৪২৬, ৮ সফর ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

ভূমি দস্যুর কবল থেকে বৈধ সম্পত্তি রক্ষার্থে প্রশাসনের দ্বারস্থ সাংবাদিক সোহেল

নরসিংদী সংবাদদাতা: পিতা ও মাতা থেকে ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি রক্ষার্থে নরসিংদী জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, মেয়র নরসিংদী পৌরসভা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে লিখিত আবেদন করেছেন নরসিংদী প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক সোহেল এস হোসেন। গত ৩ অক্টোবর’১৯ তারিখে স্ব-শরীরে এসব কার্যালয়ে হাজির হয়ে তিনি এ আবেদন করেন।
আবেদন সূত্রে জানা যায়, সোহেল এস হোসেনের পিতা ১৯৬৬ ইং সালে ঢাকা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের ৭৯১৬ নং দলিল একই সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের ১৯৭১ ইং সালের ৯৫৫ নং, ৯৬১ নং, ৯৬৬ নং দলিল এবং নরসিংদী সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের ১৯৭৭ ইং সালের ৫৫৩৫ নং ও ১৯৮৫ ইং সালের ৩৩৭৬ নং রেজিষ্ট্রিকৃত দলিলের মাধ্যমে কিছু সম্পত্তি ক্রয় করে অদ্য পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ভোগ-দখলে নিয়ত আছেন। পিতা-মাতার ওয়ারিশ সূত্রে এসব সম্পত্তি পেয়ে সাংবাদিক সোহেল এস হোসেন তা দীর্ঘদিন যাবত শান্তিপূর্ণভাবেই ভোগ দখল করে যাচ্ছেন।
গত কিছুদিন যাবত একটি পরবিত্ত লোভী সংঘবদ্ধ চক্র তার এসব সম্পত্তির প্রতি লোলুপ দৃষ্টি দেয়। তারা এ সমাজে পরবিত্ত লোভী ও শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী হিসাবে পরিচিত। তারা অসৎ উদ্দেশ্যে ২০১৫ সালে নরসিংদী পৌর উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোঃ শাহজাহান সিরাজ ও নরসিংদী সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে সার্ভেয়ার কামাল হোসেনকে মোটা অঙ্কের উৎকুচের বিনিময়ে অবৈধভাবে একটি নামজারী ও জমাভাগ করিয়ে নেয়। যার নামজারী জমাভাগ কেইস নং-৪০৪৭/১৫-১৬। এতে ১৬১২২ নং একটি নতুন খতিয়ান নির্ধারিত হয়। এ বিষয়টি প্রকাশ পেলে এবং জানতে পেরে সাংবাদিক সোহেল এস হোসেন বাদী হয়ে নরসিংদী অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি এম মোকদ্দমা দায়ের করেন। যার নং-৮৮৭/২০১৫। এ মোকদ্দমাটি ২০১৭ ইং সালের ১৪ নভেম্বর তারিখে বাদীর পক্ষে মামলাটির রায় আসে।
পরবর্তীতে সোহেল এস হোসেন উল্লেখিত নামজারী জমাভাগ কেইস নং-৪০৪৭/১৫-১৬ বাতিলের জন্য নরসিংদীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আদালতে একটি নামজারী আপিল মোকদ্দমা দায়ের করেন। যাহা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। উক্ত মামলা বিচারাধীন থাকায় পরবিত্ত লোভী এসব ভূমি সন্ত্রাসীরা উল্লেখিত ভূমির উপর তাদের দখল দেখাতে উঠে পড়ে লেগেছে। শক্তি সঞ্চয় করতে তারা এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাস্তানদের ভাড়া করে জবর দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এটা থেকে পরিত্রাণ পেতে সাংবাদিক সোহেল এস হোসেন প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ