ঢাকা, বৃহস্পতিবার 10 October 2019, ২৫ আশ্বিন ১৪২৬, ১০ সফর ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

আজ শুরু হচ্ছে জাতীয় ক্রিকেট লিগ

স্পোর্টস রিপোর্টার : আজ থেকে শুরু হচ্ছে জাতীয় ক্রিকেট লিগ। জাতীয় ক্রিকেট লিগের এটা ২১তম আসর। ৮টি বিভাগীয় দল অংশ নিবে জাতীয় ক্রিকেট লিগে। আগের মত আট দল দুই স্তরে বিভক্ত হয়ে খেলবে। চার ভেন্যুতে হবে এবারের খেলা। প্রথম স্তরে প্রতিদ্বন্ধীতা করবে রাজশাহী, রংপুর, খুলনা এবং ঢাকা বিভাগ। আর দ্বিতীয় স্তরের চার দল হলো বরিশাল, ঢাকা মেট্রো, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ। আজ প্রথম দিনে রাজধানী ঢাকার মিরপুরের শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে দ্বিতীয় স্তরের দুই দল ঢাকা মেট্রো আর চট্টগ্রাম বিভাগ। উদ্বোধনী পর্বের অপর তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে যথাক্রমে নারায়নগঞ্জের ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়াম, খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়াম ও রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে। নারায়নগঞ্জের ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে প্রথম স্তরের দুই দল ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগ। এছাড়া খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে শুরু হবে প্রথম স্তরের রংপুর আর খুলনা বিভাগের খেলা। অন্যদিকে রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে দেখা হবে দ্বিতীয় স্তরের দুই দল বরিশাল আর সিলেটের। তামিম ইকবাল দলে থাকার পরও চট্টগ্রাম বিভাগকে নেতৃত্ব দেবেন জাতীয় দলের বাঁহাতি টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান মুমিনুল হক। এছাড়া অলরাউন্ডার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ দলে থাকলেও ঢাকা মেট্রোর নেতৃত্বে থাকবেন জাতীয় দলের সাবেক মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান মার্শাল আইয়ুব। ১০-১৩ অক্টোবর প্রথম পর্ব শেষের পর তিনদিন বিরতি। এরপর ১৭ অক্টোবর শুরু দ্বিতীয় রাউন্ড। ওই পর্বে ঢাকার শেরে বাংলায় কোন খেলা নেই। খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে খুলনা ও রাজশাহী। আর রংপুর ও ঢাকা বিভাগ লড়বে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের খেলা হবে ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে এবং ঢাকা মেট্রো ও সিলেট বিভাগ প্রতিদ্বন্ধীতা হবে বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে। জাতীয় লিগের আয়োজক ও ব্যবস্থাপক কমিটি এবারের জাতীয় লিগের অর্থনৈতিক সুযোগ সুবিধার একটা বিবরণ দিয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, প্রথম স্তরের দলে থাকা ক্রিকেটাররা প্রতি ম্যাচ খেলে পাবেন নগদ ৩৫ হাজার টাকা। আর দ্বিতীয় স্তরের দলে খেলে একজন ক্রিকেটার ম্যাচ প্রতি পাবেন ২৫ হাজার টাকা। এছাড়া অংশগ্রহণ ফি বাবদ প্রতি দলকে দেয়া হবে ৬ লাখ টাকা। এটা দুই ক্যাটাগরির জন্যই সমান। এছাড়া প্রথম স্তরের চ্যাম্পিয়ন দলকে দেয়া হবে ২০ লাখ টাকা। রানার্সআপ পাবে ১০ লাখ টাকা। অন্যদিকে দ্বিতীয় স্তরের চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য বরাদ্দ ৫ লাখ। তবে রানার্সআপের জন্য কোন অর্থ নেই।

পুরো জাতীয় লিগের আর্থিক

সুযোগ-সুবিধা :

অংশগ্রহণ ভাতা : ৬ লাখ টাকা। এটা দুই ক্যাটাগরির দলের জন্যই সমান।

দৈনিক ভাতা : দুই ক্যাটাগরির জন্য সমান ১৫০০ টাকা করে।

ম্যাচ ফি : প্রথম স্তরের ৩৫ হাজার টাকা, দ্বিতীয় স্তরের ২৫ হাজার টাকা।

যাতায়াত ভাতা : দুই ক্যাটাগরির জন্য সমান আড়াই হাজার টাকা করে।

প্রাইজ মানি : প্রথম স্তরের চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ২০ লাখ টাকা। রানার্সআপ দলকে দেয়া হবে ১০ লাখ টাকা। আর দ্বিতীয় স্তরের চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য থাকবে ৫ লাখ টাকা। রানার্সআপের অর্থ বরাদ্দ নেই।

সেরা খেলোয়াড় : প্রথম স্তরের প্রতি ম্যাচে সেরা পারফরমার পাবেন ২৫ হাজার টাকা। আর আসরসেরা পারফরমারের জন্য থাকবে ১ লাখ টাকা। অন্যদিকে দ্বিতীয় স্তরে প্রতি ম্যাচের সেরা পারফরমারকে দেয়া হবে ২০ হাজার টাকা। আর টুর্নামেন্টসেরার জন্য থাকবে ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারি এবং সর্বাধিক উইকেট শিকারিকেও অর্থ পুরস্কার দেয়া হবে।

প্রথম স্তরে সর্বাধিক রান সংগ্রহকারি পাবেন ৭৫ হাজার টাকা। আর দ্বিতীয় স্তরের টপ স্কোরারকে দেয়া হবে ৫০ হাজার টাকা। একইভাবে প্রথম স্তরের সর্বাধিক উইকেট শিকারির জন্য থাকবে ৭৫ হাজার টাকা আর দ্বিতীয় স্তরের সর্বাধিক উইকেট শিকারি পাবেন ৫০ হাজার টাকা।

উইনিং বোনাস : প্রথম স্তরের দলের জন্য ৮০ হাজার টাকা। আর দ্বিতীয় স্তরের জন্য প্রতি ম্যাচের বিজয়ী দল পাবে ৫০ হাজার টাকা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ