ঢাকা, সোমবার 14 October 2019, ২৯ আশ্বিন ১৪২৬, ১৪ সফর ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

জম্মু-কাশ্মীরে হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় হামলা চালাচ্ছে পাকিস্তান---------ভারত

১৩ অক্টোবর, পার্সটুডে : জম্মু-কাশ্মীরে হিন্দু অধ্যুষিত এলাকাকে টার্গেট করে পাকিস্তানি বাহিনী বেশিরভাগ হামলা চালাচ্ছে বলে ভারতীয় সেনাবাহিনীর এক শীর্ষস্তরের সূত্র জানিয়েছে। গতকাল রোববার সেনা সূত্রকে উদ্ধৃত করে গণমাধ্যমে ওই তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে।

সেনা সূত্রের দাবি, জম্মু-কাশ্মীরের পীর পাঞ্জালের দক্ষিণে হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় বেশিরভাগ হামলা হচ্ছে। পাকিস্তানি বাহিনী রীতিমতো পরিকল্পনা করেই সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় বসবাসাকারী সাধারণ মানুষকে নিশানা করছে। এ নিয়ে গত ১ অক্টোবর দু’পক্ষের ব্রিগেডিয়ার স্তরের বৈঠকে ভারতের পক্ষ থেকে বিষয়টি উল্লেখ করে পাক সেনাবাহিনীতে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি, সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ভীমবার গালি, বালাকোট, সান্দোট ও বেহরোটের মতো সীমান্ত লাগোয়া গ্রামগুলো থেকে ইতোমধ্যেই ১২২ জন শিশুকে উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, গত ৫ আগস্ট ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে দেয়ার পরে সেখানকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও শান্ত রয়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হলেও নয়া তথ্যে প্রকাশ, গত সেপ্টেম্বরে সেখানে ৮৫ টি পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। আগস্ট ও  নভেম্বরে পাঁচটি জায়গায় সাধারণ মানুষ বিক্ষোভ দেখিয়েছেন এবং বনধকে কেন্দ্র করে তিনটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সেপ্টেম্বর মাসে হওয়া বিক্ষোভের ৬৭ শতাংশই সংঘটিত হয়েছে রাজ্যটির গ্রীষ্মকালীন রাজধানী শ্রীনগর শহরে। এরপাশাপাশি, চলতি বছরে এ পর্যন্ত উপত্যকার ১০০ জন যুবক অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছে।

অন্যদিকে, ৩৭০ ধারা বাতিলের পরে গত আগস্টে প্রায় ৩০০ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে সীমান্তে গুলিবর্ষণ করেছে পাকিস্তানি বাহিনী। এভাবেই চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তারা ২২১৬ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে।

এক পরিসংখ্যানে প্রকাশ, পাকিস্তানি বাহিনী চলতি বছরে কেবল সেপ্টেম্বর মাসেই ২৯২ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে সীমান্তে হামলা চালিয়েছে। ২০১৭ ও ২০১৮ সালে ওই সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ১০১ এবং ১০২। সেপ্টেম্বর মাসের হামলাগুলোতে কমপক্ষে ৬১ বার মর্টারের মতো ভারী আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেছে পাক বাহিনী।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ