ঢাকা, শনিবার 16 November 2019, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

পাক-ভারত সীমান্তে গুলিবিনিময়, ডজনখানেক প্রাণহানির খবর

ছবি: ডন

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক:ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠেছে কাশ্মীর পরিস্থিতি। ভারতের গোলাবর্ষণে পাকিস্তানের কমপক্ষে ৬ বেসামরিক এবং এক সেনা নিহত হয়েছেন। এছাড়া ভারতের ৯ সেনা নিহত হয়েছেন।

রোববার ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে। চলতি বছর নিয়ন্ত্রণরেখায় একদিনে এটাই সবচেয়ে বেশি হতাহতের ঘটনা বলে জানা গেছে।খবর ডন, জিয়ো নিউজ ও এনডিটিভির।

ভারতীয় কর্তৃপক্ষের দাবি, পাকিস্তাননিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীর থেকে রোববার সকালে জম্মু ও কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলায় পাকিস্তানি বাহিনীর হামলায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর দুই সদস্য ও এক বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া দুটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পাক সেনাবাহিনীর ছোড়া গুলিতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর দুই সদস্যের প্রাণহানির প্রতিশোধ নিতে রোববার সকালের দিকে হামলা শুরু করে ভারত। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে তাদের সাতজন এবং ভারতের পক্ষ থেকে তিনজন নিহতের খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

ডন জানিয়েছে, নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারতীয় বাহিনীর নির্বিচার গুলিবর্ষণে পাকিস্তানের এক সেনাসদস্য ও ছয় বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। ২০১৯ সালে একদিনে ভারতীয় বাহিনীর হামলায় এটিই সর্বোচ্চ প্রাণহানি। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও নয়জন।

পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ অধিদফতর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, ভারতের গুলিতে তাদের এক সেনা শহীদ হয়েছেন এবং আরও দুই সেনা আহত হয়েছেন।

আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, নিয়ন্ত্রণরেখার জুরা, শাহকোট এবং নওসেরি সেক্টরে বিনা উসকানিতে ভারতের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাব দিয়েছে পাক সেনাবাহিনী। এতে ভারতের ৯ সেনা নিহত হয়েছেন।

এছাড়া আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে ভারতের দুটি বাঙ্কার ধ্বংস হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

এদিকে পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীরের চার ‘সন্ত্রাসী আস্তানা’ গুঁড়িয়ে দেয়ার দাবি করেছে ভারত।

জি নিউজের খবরে বলা হয়েছে, রোববার ভারতীয় বাহিনীর চালানো এ অভিযানে চার থেকে পাঁচজন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছে। গুলি করে হত্যা করা হয়েছে কমপক্ষে ১০-১৫ বেসামরিক নাগরিককে।

গত ৫ আগস্ট ভারত অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর প্রতিবেশী এ দুই পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশের মাঝে ব্যাপক উত্তেজনা চলছে।

ডিএস/এএইচ

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ