ঢাকা, শুক্রবার 25 October 2019, ১০ কার্তিক ১৪২৬, ২৫ সফর ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

সরকারের ক্ষমা প্রার্থনা ও সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিলেও চিলিতে বিক্ষোভ অব্যাহত

২৪ অক্টোবর, দ্য গার্ডিয়ান : চিলির রাজধানী সান্তিয়েগোয় চলমান বিক্ষোভ ষষ্ঠ দিনে গড়িয়েছে। এ দিনেও চিলির রাজধানীতে কয়েক হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করে। এ কয় দিনে প্রায় ১৮ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। চিলির প্রেসিডেন্ট সেবাস্তিয়ান পিনেরা বুধবার তাদের কাছে ক্ষমা চান এবং রেলের ভাড়া কমানোর পাশাপাশি পেনশন ও ন্যুনতম মুজুরি বাড়িয়ে দেয়ার পাশাপাশি বিক্ষোভকারীদের দাবিদাওয়াগুলোর মধ্যে যেগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক সংযুক্ততা আছে তা সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেন। তাতেও বিক্ষোভের অবসান হয়নি বরং দেশজুড়ে তা অব্যাহত রয়েছে।

বিশ্বের শীর্ষ তামা উৎপাদনকারী দেশেটির ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনে তাদের সমর্থন জানিয়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যোগ দেয়। পাতাল রেলের ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে প্রথমে ক্ষোভ শুরু হলেও দেশটির আর্থিক অসমতার বিরুদ্ধে তা ব্যাপক আকার ধারণ করে। তারা দেশটির শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং মুজুরি বৃদ্ধির জন্য দাবি জানায়। ল্যাটিন আমেরিকার ধনী দেশগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে অসম দেশ বলে সর্বস্তরে ক্ষোভ রয়েছে। এবারের বিক্ষোভের সময় তা ফুঁসে উঠেছে। চিলির রাজধানী সান্টিয়াগোতে অনেক প্রতিবাদকারী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে ‘চিলি জেগে উঠেছে’ বলে চিৎকার করে এবং এ সংক্রান্ত লেখা প্লাকার্ড হাতে সমাবেশ করে। বিক্ষোভকারীদের উপর পুলিশ জল কামান থেকে পানি স্প্রে করে এবং রাবার বুলেট ও টিয়ারগাস ছোঁড়ে। পাতাল রেলের ভাড়া চার সেন্ট বৃদ্ধির প্রতিবাদে কয়েক লাখ শিক্ষার্থী ক্লাস না করে বিক্ষোভে যোগ দেয়। চিলির সরকার জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও আর্থিক অবস্থার উন্নতির অজুহাতে ট্রেনের ভাড়া বাড়ানোর আহ্বান জানান। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ