ঢাকা, শুক্রবার 8 November 2019, ২৪ কার্তিক ১৪২৬, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষায় খালেদা জিয়ার মুক্তির বিকল্প নেই

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা : নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করেছে জেলা বিএনপি। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় দিবসটি উপলক্ষে জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা শহরের সিনেমা হল সড়কে অবস্থিত পুরাতন সাহিত্য চত্বরে এসে উপস্থিত হন। সেখানে দুপুর ১২টায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও পৌর কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য শরীফুজ্জামান শরীফ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। শহীদ জিয়ার কল্যাণেই আজ আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দল হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করে ক্ষমতা ভোগ করছে। অথচ জিয়ার অবদান অস্বীকার করে আজ ইতিহাস বিকৃত করা হচ্ছে। বর্তমান সরকার ইতিহাস বিকৃতির মাধ্যমে এ দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের অবদানকে মুছে ফেলতে চাইছে। এই অবৈধ সরকার বিদায় করে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। তাই দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষায় খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আমরা মাঠে নেমেছি। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত আমরা মাঠের আন্দোলনে আছি এবং থাকবো, ইনশাআল্লাহ’।  বিশেষ অতিথি হিসাবে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জাহানারা পারভীন, আবু বকর সিদ্দীক আবু, মিলিমা ইসলাম মিলি, সদর থানা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি নজরুল ইসলাম, আলমডাঙ্গা পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আনিসুর রহমান আনিস, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিকুল ইসলাম পিটু, জেলা মৎসজীবী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুজ্জামান বাবলু, বাড়াদী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান তোবারক হোসেন, সদর থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আশরাফুল হক মাসুম, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, মহিলাদল নেত্রী ও পৌর কাউন্সিলর শেফালী খাতুন, জেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক খালিদ মাসুদ মিল্টন ও মনিরুজ্জামান লিপটন। এ ছাড়া আরও বক্তব্য দেন জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান প্রমুখ। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের এ অনুষ্ঠানে চুয়াডাঙ্গা সদর, আলমডাঙ্গাসহ আশপাশের উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ