ঢাকা, শুক্রবার 8 November 2019, ২৪ কার্তিক ১৪২৬, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

ভারত ফেনী নদীর পানি নিয়ে গেলে বন্ধ হয়ে যেতে পারে ৬ষ্ঠ মহুরী সেচ প্রকল্প --সুশীল ফোরাম

 

মানবিক কারণে বাংলাদেশ ভারতেকে ফেনী নদী থেকে ১.৮২ কিউসেক পানি দেয়ার চুক্তির প্রতিক্রিয়ায় সুশীল ফোরামের সভাপতি মো: জাহিদ বলেন ফেনী নদী থেকে কয়েক বছর আগ থেকে ৩৬ (ছত্রিশ)টি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন পাম্পের মাধ্যমে চুক্তি ছাড়াই বাড়তি পানি তুলে নেয় ভারত, তা বন্ধ করতে হবে। ভারত চুক্তির অতিরিক্ত পানি তুলে নিলে বাংলাদেশ মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বে। তাছাড়া ফেনী নদী কোন আন্তর্জাতিক নদী নয়, এটি  বাংলাদেশের নদী। কাজেই অমীমাংশিত ৫৪টি অভিন্ন নদীর হিসাব ফয়সালা না হওয়া পর্যন্ত ফেনী নদীর পানি দেয়া আমাদের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের জন্য প্রশ্নবিদ্ধ। আরো উদ্বেগের বিষয় হলো ভারত ৩৬টি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন পাম্পের মাধ্যমে ৭০ কেউসেকের বেশি পানি কোন রকম সমঝোতা ছাড়াই উত্তোলন করে নিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে বাংলাদেশের মানুষ ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তিস্তার পানি বন্টন চুক্তিসহ বাংলাদেশের আর্ন্তজাতিক নদী পানি ন্যায্য হিসাব পাওয়ার বিষয়টি অমিমাংশিত ছাড়াই বাংলাদেশে ফেনী নদীর পানি ভারতে দেয়ার চুক্তিতে এই অঞ্চলের মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোপ ও হতাশা বিরাজ করছে বলে বলেন সুশীল ফোরামের সভাপতি মো: জাহিদ। ফেনী নদী থেকে চুক্তির অতিরিক্ত পানি নিলে বিরুপ প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশের পরিবেশের উপর। ভারত ফেনী নদীর পানি নিয়ে গেলে বন্ধ হয়ে যেতে পারে দেশের ৬ষ্ঠ মহুরি সেচ প্রকল্প। ফেনী নদী মহুরী-কহুরী নদীর তীরবর্তী ৪০ হাজার হেক্টর জমিতে জমিতে শুষ্ক মৌসমের আবাদ ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তীরবর্তী লাখ লাখ মানুষের ফেনী নদীর পানির উপর নির্ভরশীল। পানির অভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে কয়েক লাখ মৎস্য খামার। ফেনী নদীর পানি ভারতকে দেয়ার কারণে সমগ্র অঞ্চলে দেখা দিতে পারে মরুময়তা। গতকাল সুশীল ফোরামের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে একথা বলা হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ